Skip to main content

Posts

Showing posts from December, 2020
 নতুন বছরের কাছে চাওয়ার ফর্দ  ------------------------------------------------- এ পাড়ার ঘনা কাকা ও চায় একুশে  ভোট দেবে শান্তিতে আর চায় মদে ডুবে থাকতে ও পাড়ার শিব জ্যেঠু উনি চান একুশে  গয়া কাশি ঘুরতে  আর ফিরে এসে ছবি হয়ে ঝুলতে। শ্রীলেখার ছোটো পিসি ও চাই প্রতিবার এই সালে যেন তার প্রেমিককে খুঁজে পায়, শুনেছিলাম লোকটা একদিন হুস করে পালালো। আর ওই সীমা মাসি, যার বিয়ে হলো সেইদিন, সে তো এই একুশে হানিমুনে যেতে চায় তাই তার স্বামীকে খুব করে বোঝালো। আর বন্ধুর বাবা সে তো প্রতিবার চায় শুধু  তার ছেলে যেনো এই একুশে, আমাকে এক্কেবারে ভুলে যায় কারণ টা, আমি নাকি উচ্ছনে গেছি আর তাই সাথে তার ছেলেকেও নিতে চায়। অথচ, আমি তো পাবজি খেলিনা কাকু টুম্পা শুনিনা আমি, শুধু শুনি কীর্ত্তন মাইরি বলছি আমি বিড়ি টিরি ফুকি না টিউশনে সরে যাওয়া ওড়নাটা দেখি না আপনার ছেলে শুধু উসকায়  আর, আমি বেশি ঝাল খাই ফুচকায়। মাসিদুর চায় এবছর পুনেতেই প্রেমে নেমে পড়তে করোনাকে ভুলে গিয়ে বিন্দাস চলতে। এবছর প্রাণ যেনো সব্বার থেকে যায় শুধু শাশুড়ীর প্রাণ যাক চায় কিছু বৌ-মায়। আমি সাতে-পাঁচে থাকি না, সাদা মনে কাদা নেই...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...
  ১.) ঝাঁট দিলে খেজুরের আঁটি গুলো ছটপট করে ছাদে! ২.) শোনো মামা, জীবন বলতে তুমি যা বোঝো সেটা জীবন নয়। জীবন তো সেটা, যেটা zee bangla শোনায়! ৩.) কীভাবে আর বললে পরে, বুঝবে তুমি তবেই... তোমার সাথে চিপকে গেছি,নিজের  অনুভবেই...! ৪.) ঈদের সাথে চাঁদের চেনা স্বভাব ছিলো খাঁটি  নুরুল এসে সুপর্ণাকে জানালো রাতারাতি।  সঙ্গে দিলো একটা গোলাপ আর রুমাল দিলো সাদা মেয়েটা দিলো একটু চুমু আর একটা দিলো আদাব। ৫.) ক্যাপাসিটর -----------সুদীপ্ত সেন একটা রামধনু পোষার খুব শখ আমার আর একটা কাঠবেড়ালি, কাঠবেড়ালিকে রামধনুর গায়ে গায়ে ছেড়ে দেব প্রতি বিকেলবেলা।  খুব মনখারাপে প্রেমের কবিতা লিখতে ভালো লাগে আমার আর সুখের দিনে ব্রেকআপের কবিতা আসে আমার কাছে  ভাগ্যিস , নয়তো পাড়ার লোকে মাতাল বলতে দুবার ভাবতো না।  তবে হ্যাঁ বিকেলে যখন পাড়ার সমস্ত দোকান খুলে যায়  বাচ্চারা মাঠে খেলতে যায়,  নতুন বিয়ে হওয়া দম্পতিরা নদীর ধারে ঘুরতে যায় সাংসারিক আলোচনা করবে বলে আর সন্ধ্যেবেলা লোডশেডিং-এ ছাদের ওপর ওঠে এসে পাশের বাড়ির অষ্টাদশী, লন্ঠনের আলোয় চুপচাপ পড়তে পড়তে একটু সময়-সুযোগ বুঝে  টুক করে কার ...
 বান্ধবীরা প্রেমিকার চেয়েও শক্তিশালী বন্ধুঃ- এই নে আইসক্রীম খা। ক্যাম্পাসের ছাদে ফুরফুরে হাওয়ায় আইসক্রীম চলে যাক পেটের ভেতর। আহা ঠান্ডা.... উম উম এই নে খা, নইলে গলে যাবে। বান্ধবীঃ- না'রে আমি আইসক্রীম খাই না।  বন্ধুীঃ- কী হলো, ও ওহ্ আচ্ছা।  এই প্রথম কোনো মেয়েকে দেখলাম যে বলে কিনা আইসক্রীম খায় না। বান্ধবীঃ- ও আচ্ছা তাই?  তা এর আগে কতগুলো মেয়েকে আইসক্রীম খাইয়েছিস রে? বন্ধুঃ- আরে না..মানে। উফ বাবা তোর সাথে না কথায় পেরে ওঠা মুশকিল। বান্ধবীঃ- তুই আমার সাথে কিছুতেই পেরে উঠবি না, বুঝেছো নটোবর লাল। বন্ধুঃ- এই একদম ওই আলতুফালতু নামে ডাকবি না আমায়। বান্ধবীঃ- কেনো রে? ফেসবুকে কবিতা লিখে, কেত মেরে সিগারেট হাতে ছবি তুলো বং ক্রাশ  ব্যমকেশ হয়ে গেছো নাকি? বন্ধুঃ- মোটেও নয়।  আর তুমিও কনসা রাইমা সেন হয়েছো হে? Instagram-এ ছবি ছেড়ে নিজেকে রাইম সেন না ভেবে, লোককে উল্টোপাল্টা নামে না ডেকে সঠিক নামে ডাকতে শেখ। বান্ধবীঃ- একদম উল্টোপাল্টা বলবি না। বেশ করব বলব।  আমার তুই...boy....।( থতমত খেয়ে থামিয়ে দেবে কথা) বন্ধুঃ- হুম কী বললি? আমার তুই....boy..মানে? বান্ধবীঃ- ও..ও কিছু না, দে...
 রাত ঘুম, ভাত ঘুম রাতারাতি নিখোঁজ তারা শহরের আনাচে-কানাচে হারিয়ে যাচ্ছে কারা। তবু মন আজ হায় নিয়নের কাছে থাক আমাদের বোঝাপড়া গুলো প্রতি রাত ঝগড়ার তবু ঠিক ভেঙে যায় আসলে ভালোবাসা ছিলো। সব থাক আমাদের পোষা বেড়ালের লোমে আর থাক দুটি মন ভালোবেসে কাছে এসে ঘুমে। দূরে রাত বর্তায় তারাদের পিঠে চেপে দূরে আরও দূর কত দূর ভালোবাসা বড্ড যে কুড়ে রাত ঘুম, ভাত ঘুম রাতারাতি নিখোঁজ তারা শহরের আনাচে-কানাচে হারিয়ে যাচ্ছে কারা। দূরে রাত বর্তায় তারাদের পিঠে চেপে দূরে আরও দূর কত দূর ভালোবাসা বড্ড যে কুড়ে রাত ঘুম, ভাত ঘুম রাতারাতি নিখোঁজ তারা দূরে রাত বর্তায় তারাদের পিঠে চেপে দূরে। শহরের আনাচে-কানাচে হারিয়ে যাচ্ছে কারা আরও দূর কত দূর ভালোবাসা বড্ড যে কুড়ে। ভালোবাসা বড্ড যে কুড়ে....(৩) ©সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
 ১.) খিদের স্বপ্ন কলমেঃ- সুদীপ্ত সেন ছিটেফোটা অালো পেরিয়ে একটা ছোট্টোঘর আমাকে আকস্মিক টেনে নিয়ে যাওয়া হলো একটা কক্ষে  তারপর রঙিন পেপারে মুড়ে দেওয়া হলো আমার চোখ কানের খুব কাছাকাছি কেউ বলছে..... একটা ছোট্টো ঘর হবে, তাতে একটা জানলা, একটি চৌবাচ্চা থাকবে, যেখানে ডুব দিলে অনেক গভীরে চলে যাওয়া যায় গভীর থেকে উঠে এসে একটা নীল পরীর জন্ম হবে, তারপর আমরা ঘুমোবো।  কিন্তু খাবো কী?  উত্তর এলো একটা ঝনঝনে শব্দের সাথে  তীক্ষ্ণ অথচ মৃদু শব্দ। বললো একটা উনুন থাকবে আর একটা জাদু কাঠি, যা চাইব তাই হবে ততক্ষনাৎ। বিষাক্ত একটা গন্ধে যখন ঘুম ভাঙলো তখন একটাই জবাব দিলাম বাইশ বছরের একটা ছেলেকে তুমি বাবা হওয়ায় স্বপ্ন দেখাচ্ছো বেগম সাহেবা? যার ঘরে স্বপ্ন দেখলে খিদে পায়! ২.) আজ যেটা বলব। তুমি আগে থেকে জানো তবু চাইতে না বলে শুধু, হয়নি শোনানো! 🚲ডট.পেন ৩.) নিজের মতো মানুষ বাঁচে, তাই নিজের মতো বয়তে পারে স্রোতও ফারাক শুধু ফিরতে গিয়ে, ইগো ভেঙে মানুষ যদি স্রোতের মতো হতো। ৪.) হারিয়ে যাওয়ার কোনো দিক হয় না  একটা ছুতোয় যথেষ্ট! 🚲ডট.পেন ৫.) ভুল মানুষের সাথে থাকার চেয়ে একা একা থাকা ভালো! ৬.) কি করবো এ...
 "কানামাছি ভোঁ ভোঁ যাকে পাবি তাকে ছোঁ কানামাছি ভোঁ ভোঁ যাকে পাবি তাকে ছোঁ" কানামাছি ভোঁভোঁ যাকে পাবি তাকে ছোঁ এটা নিছকই একটা খেলা হলেও আমার মনে হয় এর সাথে জীবনের মিল রয়েছে। এই খেলাটা কমবেশি সবাই আমরা খেলেছি, আমরা জানি খেলাটা খেলার সময় অনেকে এমন থাকে যারা কখনও নিজেকে ছুঁতে দেয় না যেটাকে আমরা মোঢ় হওয়া বলি।  আবার অনেকে থাকে যারা নিজে থেকেই চায় তাকে যেনো ছুঁয়ে নেওয়া হয়। আবার অনেকে আছে তারা খেলাটা ইনজয় করে এবং তারা জানে তাকে ধরা দিতেই হবেই বা সে ধরা পড়বেই একবার না একবার। এই খেলাটা একটা জীবনকে ইঙ্গিত করে আমার কাছে।  আমার মনে হয় এই খেলা যেন  জীবন এবং মৃত্যুর মেলবন্ধন।  যেখানে খেলার জায়গা টা জীবন আর যাকে পাবি তাকে ছোঁ করে ছুটে বেড়াচ্ছে মৃত্যু। যারা কখনও মোঢ় হতে চায় না তারা মৃত্যুকে ভয় করে।  যারা অকারণে বোকার মতো মোঢ় হতে চায় তারা সুইসাইড করে। আর যারা এই মৃত্যুকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে কিন্তু যতক্ষণ সেটা আসছে না ততক্ষণ অবধি লড়াই করে বেঁচে থাকার জন্য, তারাই হলো সুপার হিরো তারাই হলো আসল মানুষ।
  অষ্টমীতে দেখা হচ্ছে কলমেঃ- সুদীপ্ত সেন  ইঞ্জিনিয়ারিং কমপ্লিট করে আজ প্রায় তিনবছর হলো আমি ব্যাঙ্গালোরে থাকি। পুজো আমার প্রতিবারই মিস হয়ে যায় যেকোনো কারণেই, এই তো আগেরবার পুজোর সময়ে বাড়ি আসব এমন সময় শরীরটা খারাপ হলো ঠিক পুজোর আগেই আর পরে সেই ছুটি ম্যানেজ করলাম পুজোর সময়। যখন বন্ধুরা পুজোর হুল্লোরের ছবি পোস্ট করছে তখন ফেসবুক scroll করা আমি আমার ব্যাঙ্গালোরের ফ্ল্যাটে বসে আমার গ্রামের পুজোর গন্ধ পাচ্ছি।  ব্যাঙ্গালোরের মেঘ সবসময়েই পুজোর মতোই মনে হয় আমার আর তারজন্যই গ্রামের সেই শরতের আকাশকে আমি মিস করি না কিন্তু মায়ের হাতের নাড়ু, অষ্টমীর সকালে স্নান সেরে  পাঞ্জাবী পরে পুষ্পঞ্জলি দেওয়া  আমি মিস করি ভীষণভাবে আর একান্তই যেটা আমি কোনো মতেই ভুলে যেতে পারি না সেটা হলো পুজোর জন্য একমাস আগে থেকেই চাঁদা তোলার মজাটা।  এবছর তাই ফিরতেই হবে বাড়ি আর নয় অনেক হলো। লোকডাউন, মহামারি সব কিছুকে পিছনে ফেলে ব্যাঙ্গালোর থেকে সোজা আমার বাড়ি ফেরার প্ল্যান একদম পাক্কা।  এই সমস্ত ভেবেই আমি আমরা প্যাক করা শুরু করে  দিয়েছি এখন থেকেই, মনে মনে দিন গুনতে শুরু করেছি। আমার খুব মনে পড়ছ...
 স্টেশন স্টেশনে বসি আছি অনেকক্ষণ। ট্রেন আসবে সেই ১১ টার সময়, এখন সন্ধ্যে ৮ টা বাজে। স্টেশনের ওপরে বসে থাকা দোকান গুলো থেকে বার্বনের একটা বিস্কুট আর লিটিল হার্ট কিনলাম৷ লিটিল হার্টের প্যাকেট টা ছিঁড়তেই বৃষ্টি শুরু হলো। হালকা হালকা শীত করছে, বৃষ্টির ওপর স্টেশনের লাইট গুলো পরে এমন একটা মাদকতার সৃষ্টির হচ্ছে যা বলে বোঝানো কঠিন, এমন সময় আমার সামনের দিকে মানে ডাউনের দিকে বসে ছিলেন  সুন্দরী এক ভদ্রমহীলা।  উনি আমাকে দেখননি কিন্তু আমি দেখছিলাম উনাকে। দেখতে দেখতে হঠাৎ করে উনিও বুঝতে পারলেন। খটকা লাগলো কি জানি ওইভাবে তাকিয়ে ছিলাম বলে কিছু বলবেন কিনা আবার।  না সেভাবে কিছু বললেন না তবে কেমন একটা ইতস্তত হলেন বুঝতে পারলাম।  কিছু করার নেই ইতস্তত তিনি হতেই পারেন কিন্তু আমার চোখ যতই চেষ্টা করছি শুনছে না ওই হয় না নিজেকে সামলে নেওয়া সহজ কিন্তু চোখকে নয়। // ★ সেই স্টেশনে ঘুঘনি ওয়ালা, চা ওয়ালা ছাড়া বিশেষ কিছু যাত্রী নেই হয়তো বৃষ্টির দিন বলেই আর কি।  একটু সময় পর মহিলাটি একটা চা কিনলেন, চায়ের কাপে চুমুক দিলে তাকে বৃষ্টির মধ্যে জলপরির মতো দেখতে লাগছে, হ্যাঁ একটু বাড়িয়েই বলছি বলতে প...
  ১.) লোকডাউনের পর এটাই আমাদের প্রথম দেখা।  সিগারেট ছুঁয়নি প্রায় ৫ মাস আর তোমাকেও ছুঁয়ে দেখেনি অনেকদিন। ছুঁয়ে দেখার খুব একটা শখ নেই আর। হ্যাঁ জানতাম এটা শুনলে তুমি একটু রাগ করবে আর করলেও তাই। দেখি টিপ টা, হ্যাঁ এবার ঠিক আছে। চা-ওয়ালা দাদাটা ঠাঁই দাঁড়িয়ে দেখছেন আমাদের। চা নিলাম। তুমি খাবে না বলেছো তাই একটা কিনেছি।  মহারানী আবার  কফি ছাড়া চা খান না, মানে কফিটাই খান আরকি। দেখতে দেখতে সন্ধ্যে গড়িয়ে এলো। প্রিন্সেপঘাটে আগের মতো ভিড় নেই তবে হবে আসতে আসতে সবে সবে লকডাউন ছেড়েছে যেহেতু...। এই আলতো সন্ধ্যে লেগে থাকা গালে তোমাকে চুমু খাবো বলে গঙ্গার জলটা হাতে নিয়েছি এমন সময়....চা-ওয়ালা দাদা এই দিকে আবার এসেছেন, লজ্জায় পড়ে গেলে তুমি।  তবে এবার দুটো চা কিনলাম, যাতে এই ব্যাপারটা হেসে উড়িয়ে দেওয়া যায় সেইজন্য।  একটা চা আমি খেলাম। অন্যটা তোমাকে দিয়েছি, জানি খাবে না।  এই লোকডাউনটা কাউন্ট না করেই বলছি, দীর্ঘ একবছর এই ভাবেই তুমি আমার কিনে দেওয়া চা খাও না অথচ এমন করে বলো যেনো কত লক্ষ্মী মেয়ে তুমি। বাকিটা আমার জানা আছে। ঘাটে কাকের তো আর অভাব নেই, কোথা থেকে এসে কাপটা ফেলে দিয়...
 নিউ নর্মাল  সেই লোকডউনের পর সৃজিতা আর কমল ফিরে গেলো নিজের নিজের বাড়ি। ইউনিভার্সিটি বন্ধ, ক্লাস হলো অনলাইনে। তবে লোকডাউন শেষ করে আবার প্রথম তাদের দেখা হচ্ছে আজ। সৃজিতা আসছে রানিগঞ্জ থেকে আর কমল মেদিনীপুর থেকে। নিউ নর্মালের প্রথম দিন শহরে নেমেয় তাদের দেখা হচ্ছে  বাসস্ট্যান্ডে।  সৃজিতাঃ- কেমন আছিস  কমলঃ- ভালো। তুই? সৃজিতাঃ- ভালো ছিলাম না। তোকে দেখে ভালো হয়ে গেলাম। কমলঃ- আচ্ছা,তাই? সৃজিতাঃ- হুম তাই।  আচ্ছা কমল এই যে লকডাউন গেলো আর তারপর এতোদিন বাদে আমাদের দেখা হলো শেষমেশ। তবুও তুই গোমরা মুখো হয়ে আছিস কেনো রে? কমলঃ- অ্যাই একদম গোমরা মুখো বলবি না। আর হ্যাঁ এতোদিন হয়ে গেলো দেখা নেয় তবুও দেখা হয়েই ঝগড়া শুরু করে দিলি। সৃজিতাঃ- হুম, তো?  ঝগড়া তো কি হয়েছে? জানিস কমল তোর সাথে দেখা না হলে আমি মরেই যেতাম।  কমলঃ- আচ্ছা মরে কোথায় যেতিস? সৃজিতাঃ- দেখেছিস একদম unromantic তুই, কোথায় বলবি ইস এই রকম বলতে নেই। দিয়ে আমার মুখ চেপে ধরবি তা না, বলছে মরে কোথায় যেতাম? কমলঃ- না না এটা নিউ নর্মাল এখানে যখন তখন মুখে, চোখে হাত দেওয়া যাবে না। সৃজিতাঃ- হ্যাঁ তা ঠিক তবুও একটা তো স...
  ১.) তখন না'হয় আমরা তখন পরস্পরের ভীষণ কাছে প্রত্যেকদিন ভীষণ তাড়া ধর্মতলায় আমরা তখন পরস্পরের ভীষণ কাছে আসব বলেই দাঁড়িয়ে থাকি কলেজ পাড়ায়। আমরা তখন অল্প বয়স এ কলকাতায় একটা দুটো জায়গা চিনি গুগল ম্যাপে আমরা তখন স্বপ্ন দেখি এই শহরে বুঝতে পারি হাওড়া ব্রীজ হাঁটলে কাঁপে। আমরা তখন নরম কোনো দুঃখ পুষি বৃষ্টি হলে ফোন মারফত মনের খবর আমরা তখন ভালোবাসার জন্যে লড়ায় মনখারাপে ভীষণ রেগে খুঁড়ছি কবর। আমরা তখন সাহস বুনি ট্রামের সিটে সিটের ওপর হাত রাখলাম তোমার হাতে ওড়না টাকে আব্রু করে ভিক্টোরিয়ায়... ভ্যানিস হলো সব পরাজয় চুমুর সাথে। আজকে কেবল একলা হাঁটা পরস্পরের পারলে পরে আবার তুমি খবর নিও নয়তো যখন কবর হবো এই শহরে তখন না'হয় একটা হলুদ গোলাপ দিও। ✑ সুদীপ্ত সেন ২.) নজরুল আমার বন্ধু, যে প্রতিদিন টিউশন যাওয়ার জন্য আমার বাড়ি আসে প্রতিদিন স্কুল যায় আমায় সাথে নিয়ে। নজরুল আমার বন্ধু, যে প্রতিদিন বিকেলে আমাকে ছাড়া ঘুরতে যায় না যার সাথে আমি আমার বাড়ির ছাদে প্রতি রবিবার ঘুড়ি ওড়াই। নজরুল আমার বন্ধু, ও যেদিন টিফিন আনতে ভুলে যায় সেদিন আমি আমার টিফিন ভাগ করে দিই ওকে আর যেদিন আমি ভুলে য...
 আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে অনিমেষ আর তিয়াসার ব্রেকআপ হয়েছিলো। তারপর আর কোনো যোগাযোগ ছিলো না, আজ হঠাৎই পথ চলতি দুজনের দেখা হয়, কথা হয়, সেরকমই এক গল্প নিয়ে আজকের আলোচনা।  সঙ্গে নেবে কি? চোখাচোখি দুজনেই সামনে এসে পরে, ভাবেনি কেউই। কথা বলব কি বলব না এমন একটা মুহূর্তে দাঁড়িয়ে অনিমেষ গলা ঝেড়ে বললো অনিমেষঃ- কেমন আছিস তিয়াসা? তিয়াসাঃ- ভালো,তুমি কেমন আছো অনিমেষ দা? অনিমেষঃ- বাবারে,  দাদা! হা হা তা ভালো।  তিয়াসাঃ- (একটুকু অবাক হয়ে) কেনো আগেও তো দাদা বলতাম তোমাকে৷ ভুলে গেছো নাকি? অনিমেষঃ- উম, হ্যাঁ কি ভুলে গেছি। একটু মনে করা না। আচ্ছা দাঁড়া চল ওই জায়গাটায় একটু বসি, খুব বেশি তাড়া নেই তো? তাহলে গঙ্গার হাওয়া খেতেখেতে চা খাওয়া যাবে আর কিছুক্ষণ গল্প(বলতে গিয়ে থমকে যাবে) না মানে কথা বলা যাবে।  তিয়াসাঃ- (মৃদু হেসে) আজকাল বসে কথা বলতে শিখেছো বুঝি? অনিমেষঃ- তা একরকম বলতে পারিস, মানুষের শিখতে শিখতে আর ঠেকতে ঠেকতেই তো বয়স বাড়ে তাই না? তায়সাঃ- (জড়ে হেসে) তাহলে বলছো তোমার বয়স বেড়েছে? না মানে মাথার চুল গুলো কয়েকটা সাদা দেখতে পাচ্ছি তাহলে বেড়েছে বলো, উম? অনিমেষঃ- হ্যাঁ তা তো একটু বেড়েছে ...
 সেবার পুজোতে বাড়ি ফেরার আগে খুব ম্যানেজ করে, বলতে গেলে অফিসকে টুপি পড়িয়ে সারা উত্তর কলকাতা ঘুরে বেড়িয়েছে অলকেন্দু এবং বসুন্ধরা  আর রাজপথের অপরিচিত পথঘাট প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে বেরোলে কেউ হারিয়ে যায় না ঠিক এমনি একখানা বন্ধু মিলে আগের বছর অলকেন্দু বসুন্ধরাকে সঙ্গে নিয়ে  হেঁটে বেড়িয়েছে সারা উত্তর কলকাতা। কুমারটুলির বেশ কিছু মুর্তি  পঞ্চমীর দিন ঘাড়ে করে নিজেস্ব  ঠিকানায় পৌঁছে যাচ্ছে শিল্পীর হাতে সমস্ত টাকা পয়সা মিটিয়ে দিয়ে, তারা একটা একটা করে ছবি কুড়িয়ে সাক্ষী থাকছে সেসব ঘটনার। পথ চলতি ফটোগ্রাফীক দুর্গা গুলো তখন এলিয়ে দিয়েছে চুল আর ফটোগ্রাফারের ক্যামেরার ক্লিক তাদের হেঁটে বেড়ানোর চেয়েও দ্রুত।  বাগবাজার ঘাটের ওপর থেকে দুজনে হেঁটে চলেছে গঙ্গার গা থেকে উঠে আসা শরতের রোদ মাখা হাওয়া খেতে খেতে। এবার সোজা রেল গেট টোপকে দুটো বিরিয়ানি অর্ডার করলো অলকেন্দু ।  তবে বিরিয়ানি অর্ডার করে অলেকেন্দু এবং বসুন্ধরা দুজনেই বুঝতে পারলো এটা তাদের মতো দুজনের জন্য খাবার নয় কারণ ডিম আর মাংস মিশে আর হঠাৎই বসুন্ধরার মায়ের ফোন কল ম্যানেজ করে অলকেন্দুরা ততক্ষণে নিজেরাই বিরিয়ানির আলু হয়ে য...
 বাজিতে রাজি না  --------------------সুদীপ্ত সেন কালীপুজো হবে তবু বাজি হবে না, এ নিয়ম ভারী অন্যায় পাড়ার ছেলেরা চুপিচুপি এসে বসেছে মিটিং-এ ধন্নায় তারা দলবলে মিটিং করেছে, রাত হলে হবে হুল্লোড় অ্যানাউন্স হোক যত খুশি তুবু, মানি না কে কি বললো। তারা টাকা কড়ি জোগাড় করলো রাতেই  কাল ভোর হলে বোমা বাজি নিয়ে হাতে চলে যাবে তারা চুপি চুপি সেই ভুলু দারোগার মাঠে দেখে নেবে তারা কিভাবে পুলিশে আটকায় বাজি বোমা বুড়ি মা ফাটিয়ে শুরুটা করবো। যা পালা.... আজকে বাড়িতে ঘুমা। কাল ভোর হলে দূর পাড়া থেকে কিনে আনা হলো বাজি বুড়িমা এনেছে, এনেছে তুবড়ি, এই ছেলেপুলে গুলো পাজি। রাত হলো ঠিক, পুজোয় বসেছে কালী,  রাম ঢেলে দিয়ে বোতল সাজিয়ে শুরু হয়ে গেছে তালিম। ছেলেরা দূরের মাঠে তখন সাজিয়ে নিয়েছে ঠেক একটা তুবড়ি তখনই ফাটিয়ে করেও নিয়েছে চেক এরপর তারা বুড়িমা খুলবে প্যাকেটে দিয়েছে হাত, পিছনের থেকে কারা যেন এসে দিয়েছে সপাটে লাথ উরি বাবা বলে চেঁচিয়ে উঠলো ছেলে-ছোখরার টিম পুলিশের গাড়ি তুলেছে তাদের, হাতে দিয়েছে ঘোড়ার ডিম থানাতে এনেছে যখন তাদের তখন ফুটেছে আলো সেই থানাতে বাজির দোকানদার এ বেটা এখানে কেনো? কেনো বুঝে নিতে সময়...
 আক্ষেপ কিছু নেই ----------------------- গল্পের বিষয়বস্তুঃ- একজন অ্যাসিড অ্যাটাক হওয়া মেয়ে। তাকে ঘিরে সমাজের তাচ্ছিল্য কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।  আক্ষেপ কিছু নেই।  ক্যারেক্টারঃ- একজন ছেলে ( ছেলের বন্ধুদের একটা দল) একজন মেয়ে, মেয়েটির দুটো বন্ধু, স্কুল ম্যাডমা, একজন ডাক্তার,মেয়েটির মা বাবা, পাড়া প্রতিবেশী) একদিন মেয়েটা টিউশন পড়তে যাচ্ছিলো। গলির মোড়ে বসে থাকা দুটো ছেলে।  একজন ছেলেঃ- ওই দেখ, আসছে আসছে।  অন্য ছেলে নাম অনিমেষঃ- আরে, ধুর ওইভাবে হাত দেখাস না। একটু থাম।  মেয়েটা তার বন্ধুদের সাথে যাচ্ছিলো পড়তে। হঠাৎ একজন মেয়ে (মেয়েটির বন্ধু) নায়িকাকে(শর্মিলা) বলে,  মেয়েটির বন্ধুঃ- ওই শর্মিলা ওই দেখ, আজও কেমন দাঁড়িয়ে আছে। তুই তো বলেছিলিস কোনো সম্পর্ক নেই তোর আর অনিমেষ দার মধ্যে।  হঠাৎ মেয়েদুটো কাছে আসতে, অমিমেষের বন্ধু চাকু বের করে বলে  এই তোরা আজ পড়তে যা,ও পরে  যাবে। এখন ওর এখানে ক্লাস আছে।  মেয়ে দুটো ভয়ে চলে যায়।  এরপর অ্যাসিড অ্যাটাক করে ওরা শর্মিলার ওপর।  (এটা গেলো প্রথম সিন) তারপর....... (হাসপাতালে চোখ খোলা  হলো শর্মিষ্ঠার...
  তুমি ভালো লোক, তাই ভালো হোক সব আলো হোক যত আঁধারের... আর শুরু হোক সাতসকালেই হ্যাপি ক্রিসমাস লেখা বাহারের। শুধু ভালো হোক, তুমি ভালো লোক সব আলো হোক যত দুঃখের, আর জমে যাক পার্টিপলিটিক্স লোক পাল্টাক দুই পক্ষের। কাল নাচা হোক সাথে গানা হোক আর মাঝে মাঝে হোক 'টুম্পা'... কাল শীত হোক খুব ফাটিয়ে আর শুভেন্ধু দার ঘুম পাক। কাল ভিড় হোক, ভিড়ে ঠাঁসা হোক পা'এ ভোরে যাক কাল পার্কস্ট্রীট, আর ভিক্টোরিয়া বাগানে ডিপ চুমু হোক আরও পাঁচটি। কাল কেক হোক প্রতি ঘরে ঘরে আর দেখে যাক প্রতি ফুটপাত, কোনো দরদী হঠাৎ, নেমে টেমে এলে সেই ফুটপাতও কাল কেক পাক। ওগো সান্তা তুমি ভালো লোক, তোমার চিরকাল জুড়ে ভালো হোক শুধু রিকোয়েস্ট এই মহামারী নিভে নতুন বছর আলো হোক। ✑🎅সেন
 22.) অল্পে অন্ধকার সেই জ্বালাতে জানে  যার গোটা শরীর জুড়ে তীক্ষ্ণ জোনাকি। 🚲ডট.পেন 23.) মনে থাকবে বলে দেওয়া সহজ কারণ মনে আছে কিনা তার খোঁজ কেউ নিতে যাবে না।  24.) তারা পুষতে ইচ্ছে করে কিন্তু চোখ খুললেই স্বপ্ন ভেঙে যায়! 🚲ডট.পেন 25.) আমাদের ভেঙে যাওয়া বারো মাসে আমাদের কেটে যাওয়া দিন গুলো  একাকার হয়ে আছে শুধু কথা আর কথা দিয়ে। যদি ভেঙে যায় টুক করে কোনো পাথরের ঠোকা খেয়ে জড়ো হওয়া হবে দায় দেখে নিও।  26.) আলোতেই স্বচ্ছ হচ্ছে ঘর স্বভাবে শান্ত সে বিলকুল আমাদের ছোট্টো নদীর চড় সে চড় আমারই, নির্ভুল।  তাতে রোজ গল্প মাখায় হাতে  তাতে রোজ ছড়িয়ে রাখে তৃন সেখানেই জোনাকি আসে রাতে  লিখে যায় আমাকে তুমি চেনো।  মন তাও অল্পতে ভঙ্গুর  কোনো এক মাঝবয়েসি লোক হাতে রোজ মাপতে থাকে দূর কান্নায় জমতে থাকে শোক। 🚲ডট.পেন 27.) নিখোঁজ বর্ষাতি অন্য জন। ছাতায় হারালো কাদের মন? তবু কি চুপচাপ সব অভিমান? শোনানো হয়নি বাকি যে গান। 🚲ডট.পেন 28.) পুষে সে রেখেছিলো হাসি তার গালে দুঃখটা রাখা ছিলো হাসির আড়ালে। 29.) আমরা সবই বুঝি  কিন্তু সময়ে না।  30.) তুমি যদি না জিততে চাও তাহলে...
  1.) যখন তোমার বোঝার ছিলো করলে তখন আলসেমী এখন না হয় একটু আমি ঘুমিয়ে নিই..। এমা তুমি কাঁদছো নাকি, তুমিও বুঝি কাঁদো? যেরম কাঁদে বৃষ্টি হলে আমার বাড়ির ছাদও...।  তবে শোনো.... আমাকে হারালে পরে খোঁজ নিও না প্রিয় কবর তৈরী হলে হলুদ গোলাপ দিও। ✑সুদীপ্ত 2.) সব অভিমান আঁকড়ে রাখার স্বভাব জানে মানুষ মনখারাপের সব ঠিকানায় ছড়িয়ে থাকে মন(ই)... পেরিয়ে গেলেও মনের ভেতর জমেই থাকে অতীত ব্রেকআপ শুধু গুনতে থাকে প্রেমের কাছে ঋণ(ই)...। তবুও কেবল অহংকারের বুনতে থাকা সুতো ইগোর কাছে হার মানে'না মন এবং বিবেক আজ বাদে কাল সব জীবিতই তৈরী হবে মৃত(ই) সব অভিমান,ইগো,অতীত আগুনে যায় নিভে। এতো লড়ায়, এতো ভাঙন, এতো হিসেব..... একটু বলো সব  অভিমান ক্ষুণ্ণ হবে কিসে? 3.) তোমার মনখারাপের বিকেল গুলো আমায় দিও  তাতে ফূর্তি দিয়ে তৈরী করে পাঠিয়ে দেবো ঘুড়ি, তোমার তুমি, তোমার মাকে বলার পরে আমার দিও আসার সময় সঙ্গে নিও সিঁদুর আর শাঁখায় বাঁধা চুড়ি। 4.) কুয়াশার ভিড় হয়ে আসা শীতে একলা শালিকের মতো দুজন প্রেমিক বহুদূরে দাঁড়িয়ে থাকলে লোকের শীত লাগে কম  আর চিন্তা হয় বেশি৷ এমনই একটা নকল ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজন মানুষ কুয়াশার ...

Dear ex

 Xকে দোষ দেওয়া ছাড়ুন নমস্কার  চলুন আজকে ধোলায় হবে  কার? এক্স এর এক্স কে। ফোন রিং  হ্যালো হুম hlo  কে বলছেন?  আমি তোমার এক্স, গোলাটা ভুলে গেছো এটাতে আশ্চর্য্য হয়নি একটুকুও  তুমি ফোন করেছো কেনো?  না না কথা বলব বলে ফোন করিনি কিছু বলব বলে ফোন করেছি আজ, মন দিয়ে শুনে যাও শুধু... শুনলাম আমাদের ব্রেকআপের পর তুমি লোকজনকে বলছো তুমি নাকি এখন   সিঙ্গেল খুব ভালো আছো  আর আগে নাকি সকাল থেকে রাত অবধি আমাকে good morning, good afternoon, good evening, good night লিখতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়তে? তা, তোমায় কি বলতাম নাকি যে লিখতেই হবে এগুলো..? শুনলাম তুমি নাকি এখন বলছো, এখন নাকি তুমি নামিয়ে শাড়ি পরতে পারো নিজের ইচ্ছে মতো। তা আমি তোমায় নামিয়ে শাড়ি পরতে বারণ করতাম না, বারণ করতাম ক্লিভেজ না দেখানোর জন্য। তোমার যদি সেটাই ভালো লাগতো তাহলে দেখাতে...অসুবিধে কি ছিলো? তুমি নাকি এখন বলো ওই যে ওই ছেলেটা কি যেন নাম আরে ও যে,যে গান করে ফেসবুকে  ওকে নাকি তুমি লাভ রিয়্যাক্ট দিতে পারো এখন  তাতে কেউ এখন রেগে যায় না।  আমি যখন ঐন্দ্রিলার নাচের ভিডিওতে লাভ রিয়্য...