Skip to main content

 নতুন বছরের কাছে চাওয়ার ফর্দ 

-------------------------------------------------


এ পাড়ার ঘনা কাকা ও চায় একুশে 

ভোট দেবে শান্তিতে

আর চায় মদে ডুবে থাকতে


ও পাড়ার শিব জ্যেঠু উনি চান একুশে 

গয়া কাশি ঘুরতে 

আর ফিরে এসে ছবি হয়ে ঝুলতে।


শ্রীলেখার ছোটো পিসি ও চাই প্রতিবার

এই সালে যেন তার প্রেমিককে খুঁজে পায়,

শুনেছিলাম লোকটা একদিন হুস করে পালালো।


আর ওই সীমা মাসি, যার বিয়ে হলো সেইদিন,

সে তো এই একুশে হানিমুনে যেতে চায়

তাই তার স্বামীকে খুব করে বোঝালো।


আর বন্ধুর বাবা সে তো প্রতিবার চায় শুধু 

তার ছেলে যেনো এই একুশে, আমাকে এক্কেবারে ভুলে যায়

কারণ টা, আমি নাকি উচ্ছনে গেছি আর তাই সাথে তার ছেলেকেও নিতে চায়।


অথচ, আমি তো পাবজি খেলিনা কাকু

টুম্পা শুনিনা আমি, শুধু শুনি কীর্ত্তন

মাইরি বলছি আমি বিড়ি টিরি ফুকি না

টিউশনে সরে যাওয়া ওড়নাটা দেখি না

আপনার ছেলে শুধু উসকায় 

আর, আমি বেশি ঝাল খাই ফুচকায়।


মাসিদুর চায় এবছর পুনেতেই প্রেমে নেমে পড়তে

করোনাকে ভুলে গিয়ে বিন্দাস চলতে।


এবছর প্রাণ যেনো সব্বার থেকে যায়

শুধু শাশুড়ীর প্রাণ যাক চায় কিছু বৌ-মায়।

আমি সাতে-পাঁচে থাকি না, সাদা মনে কাদা নেই

মিথ্যে বলি না তাই সত্যিতে দ্বিধা নেই। 


দূরত্ব প্রেমে যারা মোবাইলে বন্দি, তারা চায়....

করোনা টা চলে যাক, দেখা হোক জলদি।


যত জন হারালো, ভরে গেলো বিষে বিশ

এ বছর ভগবান ভালোভাবে রেখে দিস।


পরিযায়ী পাখি ভালো, পরিযায়ী ভালো নয় মানুষে

আবার আগের মতো রুজিরোজগার হোক মানুষের।


এটুকুই ইচ্ছে, মাস্ক ছাড়া যেতে চাই

স্ট্যানিটাইজার ভুলে আমুল দুধের গুঁড়ো হাতে চেটে খেতে চাই...


আর চাই একুশে, ভালো থাকি....

তুমি, আমি, সব্বাই।


@sen






Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...