Skip to main content

 


1.)

যখন তোমার বোঝার ছিলো করলে তখন আলসেমী

এখন না হয় একটু আমি ঘুমিয়ে নিই..।


এমা তুমি কাঁদছো নাকি, তুমিও বুঝি কাঁদো?

যেরম কাঁদে বৃষ্টি হলে আমার বাড়ির ছাদও...। 

তবে শোনো....

আমাকে হারালে পরে খোঁজ নিও না প্রিয়

কবর তৈরী হলে হলুদ গোলাপ দিও।


✑সুদীপ্ত


2.)

সব অভিমান আঁকড়ে রাখার স্বভাব জানে মানুষ

মনখারাপের সব ঠিকানায় ছড়িয়ে থাকে মন(ই)...

পেরিয়ে গেলেও মনের ভেতর জমেই থাকে অতীত

ব্রেকআপ শুধু গুনতে থাকে প্রেমের কাছে ঋণ(ই)...।


তবুও কেবল অহংকারের বুনতে থাকা সুতো

ইগোর কাছে হার মানে'না মন এবং বিবেক

আজ বাদে কাল সব জীবিতই তৈরী হবে মৃত(ই)

সব অভিমান,ইগো,অতীত আগুনে যায় নিভে।


এতো লড়ায়, এতো ভাঙন, এতো হিসেব.....

একটু বলো সব  অভিমান ক্ষুণ্ণ হবে কিসে?


3.)

তোমার মনখারাপের বিকেল গুলো আমায় দিও 

তাতে ফূর্তি দিয়ে তৈরী করে পাঠিয়ে দেবো ঘুড়ি,


তোমার তুমি, তোমার মাকে বলার পরে আমার দিও

আসার সময় সঙ্গে নিও সিঁদুর আর শাঁখায় বাঁধা চুড়ি।


4.)

কুয়াশার ভিড় হয়ে আসা শীতে একলা শালিকের মতো দুজন প্রেমিক বহুদূরে দাঁড়িয়ে থাকলে লোকের শীত লাগে কম  আর চিন্তা হয় বেশি৷ এমনই একটা নকল ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজন মানুষ কুয়াশার ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলো একদিন। তাদের খোঁজ খুব একটা পায়নি লোকেরা নয়তো একটা লাইভ টেলিকাস্ট হতো তাদের নিয়ে। 

তারা সেটা নিয়ে ভাবছে না যদিও, তারা ভাবছে শুধুই কুয়াশা আর কুয়াশার আড়াল কে নিয়ে। যতদূর যেতে চায় ততদূর যাবে কিন্তু কুয়াশাকে সঙ্গে করে কারণ ছেলেটা জানে কুয়াশা থাকলে তবেই মেয়েটির মা বুঝতে পারবে না আসলে তারা কতটা বন্ধু আর কতটা বন্ধুর মতো নয়।


5.)

কুয়াশায় ঢেকে যাওয়া রাস্তাতে,   

আমাদের লরির ভেতর তুমি যে শুয়ে ছিলে, 

আমি ভাবিনি কাল তুমি উঠবে না। 


শুয়েছো না শুয়েছো কাল ঠিকই ঘুম ভাঙবে,  এটাই ভেবেছিলো ছেলেটা। 


ঘুম ভেঙেছে বাবা তোমার? 

এখন দেখতে পাও আমাদের?


ফোন আছে তোমার কাছে? 

আমি বড়ো হয়ে গেছি বাবা, এখন আমার পার্সোনাল ফোন নম্বর আছে.... 



একদিন ফোন করবে প্লিস 

৬.)

তোমার উপর থেকে ছড়িয়ে দেওয়া নুনের মতো ভুলে

আমায় তুমি দাঁড় করালে সামনে রেখে বুলেট।


৭.)

একদিন সময় করে আমাকে ভুলে যেও!


৮.)

আঁকড়ে ধরার সাহস যদি নাই থাকে তো.... ছেড়ে যাওয়ার সাহস টুকু করেই দেখো।


৯)

বিপদে চেনা যায় বন্ধু

কাঁদলে চেনা যায় চোখ।

যে ছেড়ে চলে গেলো তার...

তবুও চাই ভালো হোক।


১০.)

ব্যর্থ হয়ে যাওয়া ঘুড়ি লুটিয়ে পড়ে থাকে ছাদে

যারা কাঁদব না ভাবে, তারাই বারবার কাঁদে!

11.)

যে দিদি রোজ অফিস থেকে ফেরার পথে মনে করে তার পঙ্গু বাবার জন্য ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরে আসে, 


যে বোন তার একমাত্র মায়ের জন্য প্রতি পুজোয় শাড়ি কিনে আনে নিজের টাকায়,


যে মেয়েটা  সংসার চালায়, নিজের কাঁধে সমস্ত সাংসারিক দায়ভার বহন করে ঘুরে বেড়ায় প্রতিদিন 


যে দিদি তার ভালোবাসার মানুষকে অন্যের হাতে তুলে দেয় শুধুমাত্র ছোটো বোনের বিয়ে হয়নি বলে তারপর নিজে হাতে ছোটো বোনের বিয়ের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করে আর ছোটো ভাই-র ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সমস্ত খরচা বহন করে।


তাদের জন্য অন্ততঃ লিঙ্গভেদটা বন্ধ করুন 🙏


✒ সুদীপ্ত

12.)

আমাদের পেরিয়ে যাওয়া দিন গুলো মুছে দিয়েছে তোমার চাকরিজীবি স্বামী,

আমাদের যেসমস্ত স্মৃতি তা সবই ঢাকা পরেছে

তোমার চকচকে marriage anniversary এর আলোতে,

এখন তোমার সঙ্গে তোমার স্বামীর সম্পর্ক ভালো না তাও মানিয়ে নিয়েছো স্বামীর ৩৫ হাজার মাইনে দিয়ে


তোমাকে মা কে অপমান করতে চাইনি নয়তো বলতাম


আপনার মেয়ে ভালো নেই শুধু সরকারি চাকরি, ৩৫ হাজার টাকা আছে 


তোমর যাওয়ার পরের মাসেই একটা চাকরি পেয়েছি 

সরকারি, ৪৫০০০ টাকা মাইনে পাই 


আমি ভালো আছি ১০০০০ টাকা বেশি মাইনের চাকরি করে।


তোমার মা শুনেছে মনে হয়, কারণ... 

তোমার মা রাস্তায় দেখা হলে indirect আমাকে বলতো আমার মেয়ে কত সুখে আছে জানো? 


কই আর তো বলে না!

13.)

আপনি যার জন্যে অপেক্ষা করছেন

সেও আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে। 


একবার অভিমান সরিয়ে রেখে দেখবেন নাকি,সত্যি বললাম কি না?


14.)

আসল ব্যাপার, ঠিক যতটা দুঃখ না পায় আমরা সবাই

তার চেয়ে দ্বিগুণ স্ট্যাটাস দিয়ে লোককে বোঝায়।


15.)

সম্পর্ক জিনিসটা কাঁচের মতোই। হুম খুব একটা বেশি ফারাক নেই সম্পর্ক এবং কাঁচের মধ্যে, তাই ঠোকা (আঘাত) খেলেই ভাঙবে। 

এবার সেটাকেই জুড়তে যাওয়া মানে একটা সহজ বোকামি  ছাড়া আর কিছুই নয়! 


🚲ডট.পেন


16.)

নতুন যাদের ব্রেকআপ হলো

তাদের কাছে বৃষ্টির দিন প্রিয়।

লুকিয়ে কাঁদার থেকে বরং

চোখের জল বৃষ্টি দিয়ে ধুইও। 


🚲ডট.পেন


17.)

 কোনো এক কোটি প্রজন্ম দূরে আমরা হারিয়ে গিয়েছিলাম নিজেদের থেকে 

যেভাবে হারিয়ে যায় বছর, দিন, স্মৃতি। 


তোমার থেকে আরও কিছু বছর আগে সমস্ত স্মৃতিকে ঘুম পারিয়ে আমিও হারিয়ে যাবো এভাবেই.....

যদি আবার কখনও কোনো অচেনা রাস্তা দিয়ে তোমার পাড়ায় এসে দাঁড়াই

তখন তোমার গন্ধ পাবো আবার

যদি আমাদের ভালোবাসা সত্যি হয়ে থাকে।


ডট.পেন


18.)


দেরী হলো একটুখানি ঠিকই, শেষে শিখতে হলো অভিজ্ঞতা দেখে...

ছেড়ে যাওয়ার মানুষ আছে বেশি দুহাত দিয়ে আগলে রাখার থেকে।

19.)

এমন ভাবে ভালোবাসবো যেনো কোনো শব্দ না হয় 

20.)

কথা তো দেওয়া থাকে

থেকে তো যায় না কেউই....!

21.)

কিছু fact না বলায় ভালো

 Is called compromise! 






















Comments

Popular posts from this blog

১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...