Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2019
১.) তুমিও কষ্ট পাবে যেভাবে কাড়লে প্রেম হাতড়ে দিয়ে ফেরা সেভাবেই রাত জাগা আকাশ তারার মতো কখনও ভাববে বসে ফুটপাতে এসে ভিড়ে তোমার জন্য রাখা সাজানো প্রেমের ক্ষত। আমিতো বাঁশির মতো পড়েছি তোমার ঠোঁটে শুকনো রাস্তা নদী ঝাঁঝালো ওজন স্তূপে কখনও ঝাঁকিয়ে দেখো, পাবে না খোঁজের চাবি নোনতা ঘামের গায়ে ক্লান্ত লোমের কূপে। বালিশ ভিজছে চোখে, যাতনা গভীর শোকে কাঁদিয়ে কাঁদছে ফিরে গল্প নদীর তীরে তুমি তো শান্ত তবু ভাববে যেদিন জানি কান্না ঢাকছ তখন ঝাঁঝালো লঙ্কা-জিরে। ঠগিয়ে দিয়েছ তুমি এক আকাশ ভালোবাসা নুনের চামচ জানে কতটা নোনতা হবে চিনির পরিমান  ভুল হয়ে যায় যদি দেখো বিস্বাদ ভালোবাসায় তুমিও কষ্ট পাবে। 🚲সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
১.) ধ্বংস এতো হিংসা, এতো যুদ্ধ তবু কবিতা লেখে বৃদ্ধ। চাই ঘন্টা, থাকি কোরানে সব সত্যি লেখা পুরাণে? এতো বুলেট, নীচে রক্ত তাও শত্রুর কত ভক্ত। ওরে ধর্ষক, ওরে গীর্জা তবু বন্ধু শুভ-মির্জা। পাতা খসে যায়, মরে শিশু ক্রুশ বিদ্ধ হয় যিশু। তবু ইশ্বর, তবু আল্লাহ্ সব চুপচাপ দুই পাল্লা। 🚲সুদীপ্ত ২.) [ রূপম ও সোমা ] পথের সাথে সাইকেলে রোজ তোমার-আমার স্কুলের পড়া এক সময়ে চলব তবেই ঠিক সময়ে যাওয়া হবে তোমার জন্য নষ্ট করে ভাত দিয়েছি খাক ওই চড়াই একটু দেরি হলেই তুমি দলছুট আজ হতই তবে। সাইকেলে রোজ যাওয়ার সময় তাকাও যখন প্রেসার বাড়ে শাল বন পথ বুঝতে পারে এদের বুঝি প্রেমেরবিলাস ভয় পেয়েছি তবুও তোমার তাকানোতেই নজর কাড়ে একটু তোমায় ছুটির পথেই ছোঁয়ার জন্য চাই অছিলা। ছুটির পথে তাই চেয়েছি। শান্ত দুপুর একটু তাকাক শান্ত সবই শালের পথে নির্বাক সব এদিক-ওদিক শুকনো দুপুর তবুও শুধু সুযোগ গুলো হাতড়ে না পাক এটাই বোধহয় লক্ষ ছিল, বজায় তোমার আজ অবধি। বলেই দেবো আজকে সোমা, সঙ্গে যাবি আজকে কোথাও ওই নদীর ধারে বসব নাহয়, বিকেল বেলার শান্ত বালি বললে তুমি বসব শুধু আর কিছু না,অসভ্যতাও আমিও হাসি নরম ...
 প্রমিসটা মনে থাকবে ---------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন) আমাদের সম্পর্কটা ছিল একটা গ্রীষ্ম রোদের মতো প্রত্যেকদিন বিকেলবেলা সে ফুরিয়ে যেত। আমাদের সম্পর্কটা একটা পুকুরের মতো ছিল দুবছরে দু-বার জলসেচ করা হয়েছে। মাছ থাকে অথচ তাদের সংসারটা থাকে না। নতুন নতুন ডিম ফেলা হয়, আবার অন্য মাছের ঘর তৈরী হয় কিন্তু সবটাই নতুন অথচ আমাদের সম্পর্কটা ছিল। তুমি ঠিক কি চাইতে আর কি চাইতে না আমি বুঝিনি গ্রীষ্মের রোদ বিকেল বেলা ফিরে যাওয়ার আগে গ্রীষ্মও ঠিকঠাক বোঝে না, এটা নিশ্চিত। কেন গেলো রোদ ? তবুও নিবিড়ভাবে গ্রীষ্ম রোদকে ডাকতো আয় ওই গুরুটার গায়ে পড়তে হবে, চাষীটাকে অসুস্থ করতে হবে, স্কুলের ম্যাডামটা ছাতা নিয়ে আসতে ভুলে গেছে ওকে তুই চরম শাস্তি দে রোদ, চরম শাস্তি দে...... ঠিক যেরকম শাস্তি তুই আমাকে দিলি। মেঘটার নাম ঠিক করা হয়ে গেল, এই মাসটা পেরলেই বর্ষা আসবে অথচ প্রকৃতির কিরকম খেলা রোদ, তুমি থেকেই গেলে, গরমের ছুটি পড়ল অথচ বর্ষা এলো না তার বদলে এলো ঝড়, পড়ল শিলা। আমাদের সম্পর্কটা শেষ কাউন্টারের মতো আধো আধো করে জ্বলতে জ্বলতে দুপ করে নিভে গেল আর রাতের ব্যালকনিতে পড়ে থাকল একটা প্রমিস.....! ...

এটুকুই ইচ্ছে

আমার জন্য একটা জানলা থাক শুধু আর তোমার জন্য থাক গোটা ঘরটা এই গোটা ঘর তোমার, আর ছাদটাও নাও। এই যে এখানে এতোটা জায়গা জুড়ে তোমাকে দিয়ে যাবো রোদ আর ওইখানে এতোটা পরিসরে তুমি চুল শুকবে। ওই বাড়ির টিনেজারের ছেলেটা তোমাকে দেখে, সে....দেখুক, ওটা বয়সের দোষ তাতে আমার কোনো অসুবিধে নেই আর তোমারও থাকার কথা নয়। আমার ওই জানলায় পর্দা টেনে সরিয়ে দেওয়া থেকে আবার পর্দা টেনে দেওয়া পর্যন্ত তোমার রোজনামচার কাজ একদিন  ছুটি পেলে তোমাকে ঘুড়ি উড়িয়ে দেখাবো,ইচ্ছে আছে। রাতে ওই গীটারটা নিয়ে আমি আমাদের ছাদের ছোট্টো লেবু গাছ টার নীচে বসব আর আমাদের মাথার উপর দিয়ে পেরিয়ে যাবে প্লেন ( এখন অনেক রাত......) তবে কোনোদিন প্রিন্সেপ ঘাটে যাবো না, ওখানে বড়ো অস্বস্তি হয় আমার তার চেয়ে পাড়াতে বেরিয়ে হেঁটে যাবো তোমার সাথে একটা বিচ্ছিরি অট্টহাসি হেসে বোস বাড়ির জ্যেঠু বলবে, বাব্বা আর নিতে পারি না, জ্যেঠিমা মুচকি হাসবে ক্লাবের ছেলে গুলো তোমার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকবে আর সামনে থেকে কত কত পায়রা ধড়-ফড় করে উড়ে গেল। 🚲সুদীপ্ত সেন [ছবিটার জন্য বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই সোমা ধর ঘোষ দিদি কে]
আমি প্রেম রসিকা হবো কেমনে --------------------------------------------- ছেলেটা (ক্যাবলা সাধাসিধে ছেলে) সদ্য চাকরি পেয়েছে আর অফিসের কলিগের প্রেমে পরেছে।মেয়েটাকে রোজই দেখে, যতই ভাবে খুব শুদ্ধ - সুন্দর করে প্রেম করবে ততই তার শুধু শরীরের ওপর মায়া বাড়ে আর তার ধাতু পাত ঘটে। মেয়েটা তার দিকে তাকাই এমনকি একবার মেয়েটা ছেলেটির চাহনি দেখে কেমন একটা রিয়্যাক্ট করেছিল তাতে ছেলেটি ভয় পেয়েছিল বেশ। স্বপ্নে ওকে সুন্দর করে প্রেম এবং আদর করতে গিয়ে তার পড়ে যাচ্ছে(স্বপ্নদোষ) ছেলেটি খুব hoop less একদিকে ধাতু দুর্বল অথচ সে প্রেমটা সুস্থ সুন্দর ভাবেই করতে চায়। ছেলেটা অফিসের ছুটি পেয়ে একবার একটি গ্রামে বেড়াতে যায় কারণ গ্রামে শহরের চেয়ে শান্তি থাকে বলে শুনেছে সে। সেখানে এক বাউলের আখড়াতে গান হচ্ছে গানটা  থামতেই ছেলেটা প্রণাম করে। তারপর বাউল কুটিতে থাকবার ব্যবস্থা হয় তার। রাত্রে বাউলের জলসার পর ছেলেটির সাথে বাউল সাধিকার কথা বার্তা চলে এবং ছেলেটাকে বোঝানো হয় কিভাবে প্রেম করা উচিত আর কীভাবে সুস্থ সংগম (এবং সেটা এখানে দেখানো হবে যতটা সম্ভব ছেলেটির সাথে সাধিকার) পরদিন সকালে ছেলেটি শহরে ফিরে আসে। কিছ...
#গান ১.) এভাবে আঁতলেমি তোমাকেই মানায় শহুরে শয়তানী রাত্রী বারোটায়। কি জানে কিভাবে হচ্ছে সব কামায় তবু থাক সবই শুধুই তোকে চাই। আলোতে বর্ষাতে বসন্তে যে তুই তোমারই নাখছাবি ভাবছি বসে ছুঁই তবু কি বলতে চাই মন তোমায়? জানেনা জানিনা তোর পাড়া বাড়ি তবু পাশকাটা কাটি খুবই দরকারই তবু কি বল মন তুই আমার হবি ঘুমের আঁচলে ঘুম পারাবি কি তবে তা বলব তাই-------- ভেবেছি তোর পাড়ায়। আমার চাপদাড়ি তোমার আপদারি মন আমার পাঁয়চারি থেমে চলা কিছুক্ষণ তোমার টিউশনি সাইকেলে আমি পিছু নিয়েছি তাই জানেনা জানিনা তোর পাড়া বাড়ি তবু পাশকাটাকাটি দরকারই তবু কি বল মন তুই আমার হবি ঘুমের আঁচলে ঘুম পারাবি কি তবে তা বলব তাই-------- ভেবেছি তোর পাড়ায়। ২.) আমি বারবার ফিরি কামড়ে তোমার বুক নরম ঘাসের ডগায় আমি ফেরত পেয়েছি সুখ। তবু কোকিলের ডাকে ককটেল দিয়ে সকালের ব্রেকফাস্ট আমি অগোছালো কিছু রঙিন আকাশে সাজবো সানগ্লাস। তুমি কবিতার খাতা পোড়াতে পারোনি শুধু পুড়িয়েছ  ঘর আমি নিরুপায় হয়ে শুয়ে পরে থাকি থার্মোমিটারে জ্বর। তবু ফিরে ফিরে গল্প লিখেছি, জানবেনা বালুচর। শুধু তাই তুমি আবার আসবে চাদর পেতেছি...
১.) | শহরে পড়তে আসা ছেলের শহুরে বান্ধবী | ------------------------------------------------------------- ঘুম ভাঙিয়ে পেরিয়ে গেল ট্রেন ভোর তখন সকাল হবার মতো এই শহরে প্রথম পথে নামা যদিও ট্রাফিক বুঝিয়ে দেওয়া হতো তবুও তুমি এসেইছিলে। আসল ছুতো দেখা করার হেতু প্রথম তোমার জড়িয়ে ধরে আমি পেরিয়ে গেলাম ওভার ব্রীজের সেতু। চিনিয়ে দিলে কোথায় আমার মেস চিনিয়ে দিলে কলেজ তোমার কোথায় ভিখারিটাকে পয়সা দিলাম আমি এমন করুণ হলাম তোমার কথায়। এবার বিকেল,মেঘ করেছে আকাশ গরম শহর, ঠান্ডা শুধু গ্রামে আবার দেখা তোমার সাথে হবেই ওড়না নিলে বুকে আমার নামে। পেরিয়ে যেতাম শহর থেকে দূরে ইচ্ছে ছিল প্রচুর কাছে থাকি ওড়না তোমায় হোঁচট দিল পথে হাতের কাছে হাতের মুঠো রাখি। পেরিয়ে গেল দিনের গায়ে দিন সেফটিপিনের লাগাম ছিল কোথায় প্রথম ছুঁলাম কাঁধের কাছে হাত পেরিয়ে গেলে তোমার কলেজ যেথায়। ঠিক কালকেই ফুরিয়ে যাবে সময় বোতাম হবে সুতোর কাছে ঋণী আসার পথে হয়নি দেখা আমার তবুও তোমায় নিজের বলে জানি। 🚲সুদীপ্ত ২.) ২.) [চুরমুর থেকে চুরমার অবধি] কিছু মাস আগে শীত চলে গেলে বসন্ত এসেছিল, সেও চৈত্র সেলে ফুরিয়ে গ...
#এক_বসন্ত_পরে_ফের_বসন্তে ------------------------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন) একই পাড়া গলি, এঁদো নর্দমা তার ওপরে ভীড় যত---- তবু প্রতিদিন যেতেই হতো, সেই ভীড় ঠেলে,সেই এঁদো গলি, সেই নর্দমা----, টিউশন ছিল ছুতো। আসলে এ ছুতো চাহিদার ছিল, চাহিদাও ছিল ছেলের সেই নীচু পাড়া গলিতে থাকতো ফেসবুক ঘাঁটা পেলে। টিউশন পথে এগিয়ে গিয়েছি,পাশ কাটিয়েছি পেলের একবার যদি তাকাত ছেলেটা,যদি দেখত চোখ মেলে-- বলে দেওয়া যেত। না'তো অন্ততঃ নামটা জিজ্ঞেস করা হতো সেই কুচকুচে কৃষ্ণবর্ণ,  লম্বা হাইট পেলের। এভাবেই ছিল আড়চোখে  দেখা, এভাবেই ছিল পেরিয়ে পেলেকে টিউশনে যাওয়া এভাবেই ছিল, বেশ চলছিল,নীচু পাড়া গলি, মনের চাহিদা প্রেম মুঠো ফোন হাতে করে ছেলেটাও খুব তাকাত কিন্তু বোধহয় বুঝত আমার মনের চাওয়া। তবুও ছেলেটা বলতনা কিছু,তবুও ছেলেটা চুপ হঠাৎ একদিন এক বসন্তে এক গাল হাসি হেসে ফেলেছিল পেলে। বুঝেছি এবার, সেই কুচকুচে কৃষ্ণবর্ণ, আদতে ভীতু ছেলে। বহু পরে কথা হয়েছিল তার সাথে আর ততদিনে টিউশন হবে শেষ। সামনে আমার  HS ছিল,খুব মনে আছে, ঠিক মনে আছে বেশ। বসন্ত ঠিক পেরিয়ে গিয়েছে আজ, আবির না ছুঁয়ে  HS কে...

? চিহ্ন

#?-চিহ্ন তুমি সিঁদুর ভেঙে মুছে দিও হিন্দুত্বের দাম। আমি তোমায় কাঁচের চুড়ি পড়িয়ে প্রমাণ করব তুমি আর রায় বাড়ির মেয়ে বিনোদিনী নও, তুমি হুমায়নের বউ নাদিরা। ভালোবাসাটা এরকম হোক--- সমস্ত ইচ্ছে, না, মানে পুরুষের ইচ্ছে গুলোই প্রাধান্য পাক আর ততক্ষণে দিল্লীর কোনো গলিতে বা কলকাতার ট্যাক্সির জানলায় আঁচড় কাটুক আরও পাঁচজন ধর্ষীতা। আর এরকমটাই যদি একান্তই ইচ্ছে থাকে তাহলে তুমি বরং তাই করো বিনোদিনী। আর যদি বলো না, বরং এর উল্টোটা হোক তাহলে জেনে রেখ ছেলেটা রাজি হবেনা।। তাই, যদি ভালোবাসো তাহলে ধর্মকে নয় মুছে ফেল সিঁদুর আর কাঁচের চুড়ির পার্থক্যটাকে। এসব ভেঙে নাম রাখো 'বিনোদিনী ও হুমায়ন' আর এইবার, বিনোদিনী তুমি হুমায়নকে ডেকে আনো তোমার বসন্ত উৎসবে দু'হাত দিয়ে আবির মাখিয়ে রাঙিয়ে দাও হুমায়নের দুই গাল তারপর জিজ্ঞেস করে নিও ভালোবাসার কোনো পদবি হয় কি? 🚲সুদীপ্ত

জোনাকি'র চাহিদা

জোনাকি'র চাহিদা -------------------সুদীপ্ত সেন ১.) জোনাকি গায়ে জ্বলছে আলো মিটমিটিয়ে...... সে আলো তবু শুধুই জ্বলা। ২.) রাস্তা নিভে সূর্য পাটে বসল গায়ে অন্ধকারের অনেক তারা। জোনাকি ভাবে---- আমার রঙের এরা কারা? ৩.) তারার গায়েও জ্বলছে আলো নিভতে চেয়ে জোনাকি স্বাধীন। ৪.) গাছের গায়ে একটা কোটর সেই কোটরে প্যাঁচার বাস কাছে এলেই প্যাঁচানি ভাবে জোনাকি ছিল তার ক্রাশ। ৫.) একটা প্রেমের গল্প অনেক চায়ের কাপে জমছে তা প্রেমিক তাকে গাল টিপে কয় তুমি আমার জোনাকিটা। ৬.) জোনাকিরও তো ইচ্ছে হয় গঙ্গাফড়িংটাকে জানায় তারও খুবই ইচ্ছে করে গোত্র ভেঙে প্রেম বানায়। ৭.) আঁধার যতই রাখব ভাবে ঠোঁট ছুঁতে চায় জোনাকিটা তবুও তাদের জ্বলার চলন ব্যাঘাত ঘটায় আঁধারটা। ৮.) জোনাকি কেন জ্বলছে শুধু নিভছে কেন পরস্পর? এটাই তাদের প্রশ্ন ছিল পায়নি তবু সদুত্তর। ৯.) ফুটলে আলো নিভছে পোকা জ্বলছে তবু তাদের গা। জোনাকিটাও পোয়াতি হয় কারণ সেও কারোর মা। ১০.) চাহিদা শুধু জোনাকি পোকার পরের বারে মানুষ হই আলো শুধুই জ্বলছে আমার তবুও আমি আলোর নই, কারোর নই।

বিলীন

বিলীন ----------সুদীপ্ত সেন ফ্রিজ খুলে বরফের গায়ে একটা সমুদ্র লিখে গেছিলে তুমি আর চাদরের গায়ে রেখে গেছিলে তোমার মন। আজ যদি সে কথা তোমায় বলি তাহলে তুমি বলবে ভুল গেছি কিংবা বলবে পাগল অথচ সেই চাদর আমি খুব সযত্নে রেখে দিয়েছিলাম নিজের কাছে। উড়ন্ত ঘুড়ি উড়ে যাওয়া বিকেলে তুমি আমায় বলেছিলে আজ রাতে ঝড় হবো---- তোমার বুক,চোখ,চুল,এমনকি নাভির তলদেশ অবধি ঝড়ের হাওয়া তোমায় বুঝিয়ে দেব। একদিন,স্বপ্নে ঘুম ভেঙে ভোরবেলা উঠে বলেছিলে এই সোজা রাস্তা বরাবর যেতে যেতে, একটা চৌরাস্তায় বিলীন হয়ে যাবে তোমায় বুকে আঁকড়ে বলেছিলাম বিলীনতা কাটিয়ে উন্মাদের মতো কলাহোল করে তোমায় নিয়ে আসব বিলীন থেকে। আজও মনে পরে---- আরও বেশি মনে পরে, বিলীনতার কাছে আমি হার মেনেছি কিন্তু আজও সেই চাদরের গায়ে তোমার মন রাখা আছে সযত্নেই।

সাধারণ মেয়ে

সঞ্চয়িতা,তুমি একটা সাধারণ মেয়ে আর তার চেয়েও সাধারণ তোমার চোখ! তোমার সামনে পাঁচটা পাথর এনে দেব যাদের নাম দেব পৃথিবী,বুধ,মঙ্গল,নেপচুন,প্লুটো আর তুমি বেছে নিলে প্লুটো। সঞ্চয়িতা, তুমি একটা সাধারণ মেয়ে আর তার চেয়েও সাধারণ তোমার চোখ! কলেজে কোনো প্রফেসর তোমার দিকে তাকাবে না, তোমার জন্য কোনো ছেলে অপেক্ষা করে না, এমনকি তোমার জন্য ফেসবুকে কেউ একপাতা বা অন্ততঃ খুব জোরালো দুই লাইন লিখবেনা। অথচ কতদিন তোমার টিউশনের স্যার তোমাকে বাহবা দিতে গিয়ে তোমার পিঠ ছুঁলো, কিংবা পাড়ার সেই ছেলেটা তোমার দিকে কেমন করে তাকাল, আর যে লোকটাকে তুমি এতদিন কাকু বলে ডাকলে আজ সেই লোকটাই তোমাকে বাস না পাওয়া রাস্তায় ওর গাড়ীতে করে পৌঁছে দিলো না। সঞ্চয়িতা, তুমি একটা সাধারণ মেয়ে আর তার চেয়েও সাধারণ তোমার চোখ! অথচ......... এই সাধারণ চোখের জন্যই ওই বড়োলোক ভিক্ষুকটা ১০ ভরি সোনা আর ৫ লক্ষ টাকায় রাজি হলো! কিউট না? 🚲সুদীপ্ত https://youtu.be/PjZNtDXRz8w

চোখ খুলে যেত যদি

চোখ খুলে যেত যদি ------------------------------- প্রতিদিন একটা একটা করে চোখ খুলে গেলে বাসের প্রতিদিনের সেই ভদ্রলোক একটু ভয় পেত কিংবা তুমি ওই বোরখা পরা মেয়েটার চোখ দুটো দেখেই প্রেমে পরতে আলাদা করে শরীর দেখার বাহানায় বোরখা খুলতে চাইতে না। প্রতিদিন একটা একটা করে চোখ খুলে গেলে তোমার প্রেমিকাও বুঝে যেত তোমার ওড়না ভালো লাগে, খোলা গায়ের চেয়েও কিংবা তোমার অফিসের সহকর্মীটাও তোমাকে ঘেমে যেতে দেখেও ভুল করেও তাকাতো না। প্রতিদিন একটা একটা করে চোখ খুলে গেলে ধর্ষকেরাও আঁতকে উঠতো অন্ততঃ বা হয়তোবা! আর HS-এর পরীক্ষার্থী সেই মেয়েটা,যাকে বারবার দেখতে হচ্ছিল আমার লেখার সময় স্যার তাকাছেন কিনা-----, তাকেও আর তাকাতে হতো না। প্রতিদিন একটা একটা করে এভাবেই যদি চোখ খুলে যেত তাহলে গোপনে গর্ভপাত ঘটত না....... কিংবা মাসিমা ম্যাজিকের মতো বুঝে যেতেন তার নাতনিও একজন মেয়ে! ঠিক এভাবেই যদি, প্রতিদিন অন্ততঃ একটা করে চোখ খুলে যেত তাহলে সেই গণিকারও এই বসন্তে একটা প্রেমিক হতো! শুধু, এই চোখটা যদি খুলে যেত !!! চোখের খুব অসুখ, জানেন........ 🚲সুদীপ্ত(ডট.পেন)

দ্বাদশ সংখ্যা

১.) --------------বসন্ত ও বৃষ্টি--------------- বসন্ত এক লাজুক ছেলে, বৃষ্টি ছিল বান্ধবী শান্ত ছেলে বসন্ত তাও বৃষ্টি খুবই তান্ডবী। মধ্যবয়স দুজন তারা, ছুটি পড়েছে পরীক্ষার HS শেষ এই বছরই এখন আবির অপেক্ষা। ফুল ফুটেছে চতুর্দিকে, পলাশ তবু গন্ধহীন রাতের শেষে বৃষ্টি এসে মিটিয়ে যেত গন্ধঋণ। রোদ তবু আজ লজ্জা পাবে তাই ফোটেনি বসন্তে বসন্তে তাই বৃষ্টি আসে মনখারাপের সীমান্তে। ঠিক বয়সে ঠিকরে পড়ে পাড়ার তুতো বান্ধবী বসন্ত কি বুঝতে পারে বৃষ্টি ভীষণ তান্ডবী? এই বয়সেই প্রেম জমে যায়, সব জমে ক্ষীর বন্ধুতা বসন্ত কি বুনতে জানে ভালোবাসার বিন্দুটা? নাকি শুধুই বন্ধু ভাবে, পাড়ার মেয়ে বৃষ্টিকে মন কি মানে এই বসন্তে বৃষ্টি ভেজা সৃষ্টিকে? কি চলছে মনের ভেতর, উজাড় করে বলুক না বসন্ত তাও মানতে রাজি এইরকমই চলুক না---, তাই বসন্ত  মনকে বোঝায় এই কথাটা মন্দ নয় প্রেমিকার চেয়েও বান্ধবীরাই  চরমতম সত্যি হয়। 🚲ডট. পেন ২.) | ভরসা এটাই | নীল চুড়িদার,রঙ করা চুল, গোলাপি ঠোঁটের মেয়ে ঘুমভাঙা মন হাতরে নিল তোর মুঠোফোন। বাজছে তখন তোর কলেজের টিফিন টাইম দাঁড়িয়ে ছিলাম,আসলিনা তুই, জং ধরা কোণ। ...