সেই সময় বাঙালির কাছে খেলা মানে ফুটবল। পাড়ার অলগলি থেকে, অঞ্চলের মাঠ, স্কুল টুর্নামেন্ট থেকে ক্লাবের খেলা তখন শুধুই ফুটবল। সম্ভ্রান্ত পরিবারের বাবা-মা তখন সন্তাদের ফুটবলার তৈরী করার স্বপ্ন দেখছেন। এমন সময় শুধু মাত্র দাদার কথা মতো একটি সুর্দশন চেহারার ছেলে এগিয়ে আসছে ব্যাট হাতে। স্কুল জীবন থেকেই ক্রীকেট টুর্নামেন্ট পরবর্তীতে অ্যাকডেমিতে ভর্তি হন ছেলেটি। এরপর ১৯৮৯ সালে প্রথম আনডার ফিফটিনে উড়িষ্যার বিরুদ্ধে শত রান করলেন বাঙালী ছেলেটি। ছেলেটিকে আমরা তখনও জানি না কেউই। বাঙালী তখনও খেলা মানেই শুধুই ফুটবল বোঝে। আর তখন ছেলেটি ২২ গজের মধ্যে দাঁড়িয়ে রঞ্জি ট্রফী, দিলিপ ট্রফী জিতে চলেছেন। তারপর হঠাৎই ভারতের হয়ে ওয়েস্ট-এন্ডিসের বিরুদ্ধে ব্যাট ধরলেন ২০ বছর বয়সের বাঙালি সন্তান। সালটা ছিলো ১৯৯২, ১১ ই জানুয়ারি। কিন্তু মাত্র তিন রান করেই এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের পতন ঘটলো সেদিন। তারপর চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছিলো ছেলেটির মাঠে ফরার দরজা। বি.সি.সি.আই কারণ দেখালো ছেলেটি নাকি অহংকারী। কিন্তু পরাজিত হওয়ার জন্য ছেলেটি জন্মায়নি। তাই শুধুমাত্র নিজের দক্ষতায় আবার সুযোগ পান ইন্টার...