Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2020

সৌরভ গাঙ্গুলির জন্য

সেই সময় বাঙালির কাছে খেলা মানে ফুটবল। পাড়ার অলগলি থেকে, অঞ্চলের মাঠ,  স্কুল টুর্নামেন্ট থেকে ক্লাবের খেলা তখন শুধুই ফুটবল। সম্ভ্রান্ত পরিবারের বাবা-মা তখন সন্তাদের ফুটবলার তৈরী করার স্বপ্ন দেখছেন। এমন সময় শুধু মাত্র দাদার কথা মতো একটি সুর্দশন চেহারার ছেলে এগিয়ে আসছে ব্যাট হাতে। স্কুল জীবন থেকেই ক্রীকেট টুর্নামেন্ট পরবর্তীতে অ্যাকডেমিতে ভর্তি হন ছেলেটি। এরপর ১৯৮৯ সালে প্রথম আনডার ফিফটিনে উড়িষ্যার বিরুদ্ধে শত রান করলেন  বাঙালী ছেলেটি। ছেলেটিকে আমরা তখনও জানি না কেউই। বাঙালী তখনও খেলা মানেই শুধুই ফুটবল বোঝে। আর তখন ছেলেটি ২২ গজের মধ্যে দাঁড়িয়ে রঞ্জি ট্রফী, দিলিপ ট্রফী জিতে চলেছেন। তারপর হঠাৎই  ভারতের হয়ে ওয়েস্ট-এন্ডিসের বিরুদ্ধে ব্যাট ধরলেন ২০ বছর বয়সের  বাঙালি সন্তান। সালটা ছিলো ১৯৯২, ১১ ই জানুয়ারি।  কিন্তু মাত্র তিন রান করেই এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের পতন ঘটলো সেদিন। তারপর চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছিলো ছেলেটির মাঠে ফরার দরজা। বি.সি.সি.আই কারণ  দেখালো ছেলেটি নাকি অহংকারী। কিন্তু পরাজিত হওয়ার জন্য ছেলেটি জন্মায়নি। তাই শুধুমাত্র নিজের দক্ষতায় আবার সুযোগ পান ইন্টার...
ভিক্টোরিয়ায় কুয়াশা পড়েছে 🖋সুদীপ্ত সেন (১০.১২.১৯ ) [ জগিং শেষ করে ওরা দু'জন পাশে বসেছিল। ওরা দুজন মানে, অভিক আর মিথিলা ] অভিকঃ- তা মন খারাপের কারণ জানতে পারি? মিথিলাঃ- কার মনখারাপ? অভিকঃ- কেনো, কার আবার এই যে রাণী ভিক্টোরিয়ার। মিথিলাঃ- ও তাহলে ওকেই জিজ্ঞেস করো। অভিকঃ- করছি তো, কিন্তু বলছে কই? মিথিলাঃ- কেনো বলছে না, সেটা তো জানতে চাইছো না। ঠিক এই কারনেই জানো তো, ঠিক এই কারণেই....( থেমে যাবে বলবে না) অভিকঃ- থামলে কেনো বলো। ঠিক এই কারণেই আমাদের সম্পর্কটা ভেঙে গেছিল, তাই তো? মিথিলাঃ- জানি না অভিকঃ- কী লাভ হলো ভেঙে গিয়ে?  তাও তো আমরা প্রতিদিন ভোরবেলা জগিং করতে আসি। রোজ দু'বেলা ফোন করি। শুধু এটাই যে তুমি আরও ভাত বেড়ে দাও না। মিথিলাঃ- কে বেড়ে দেয় এখন তোমায়? অভিকঃ- নিজেই বাড়ি। পারি আমি, নিজের ভাত বেড়ে খেতে আমি পারি। মিথিলাঃ- ওমম...পারো না ছাই। জানা আছে কত পারো। নিশ্চয় ওই ঝিলিক দি আসে। অভিকঃ- (রেগে গিয়ে) ওই হলো তোমার দোষ। পাঁচ বছর হয়ে গেলো আমাদের ছাড়াছাড়ি তাও তুমি বদলালে না। আগেই নিজে থেকে ভেবে নেওয়া স্বভাবটা তোমার গেলো না। আর ভেবেই ভেবেই তো....( থেমে ...
শেষবারের মতো ------------------------- মধুমিতাঃ- উফফ আজাহার দা সিগারেট টা ফেলো না...অনেকক্ষণ তো হলো আজাহারঃ- "হাতে হাত রেখে বহুদূর এগিয়ে যাচ্ছি। যেতে যেতে একলা পথে নিভিয়ে যাচ্ছে আলো" কেনো বলতো? মধুমিতাঃ- ধুর....আবার তুমি আলোর সাথে মেলাতে চায়বে ভালো। জানি আমি। আজাহারঃ- হা হা হা হা..... মধুমিতাঃ- ভাবলাম তুমি বদলে যাবে কিন্তু যাওনি। ভেবেছিলাম হয়তো তুমি আর অন্তঃমিল মেলাতে চায়বে না। সব ভুল ভেবেছিলাম। তুমি আর অন্তঃমিল মেলাবে না, তাইকি হয়? আজাহারঃ- দূর দেশে ফিরে আসে কারা ভেবেছিল, মনেছিল আশা জ্বলে শুধু একা ধ্রুবতারা তারারাই চেনে ভালোবাসা!! মধুমিতাঃ-একদম, ঠিকই বলেছ  তুমি.... তারারা ছাড়া কেউ ভালোবাসা চেনে না আজাহার দা। যেরকম আমিও ভালোবাসা চিনিনি, ফিরিয়ে দিয়েছিলাম তোমাকে। আজাহারঃ- ধুর, তুই ফেরাস নি। ফিরিয়েছিল এই সমাজ। ফিরিয়েছিল এই মন্ত্র আর আজানের সুর। ফিরিয়েছিল মন্দিরের ঘন্টা আর ফিরিয়েছিল তোর মসজিদ। আর  এদের কাছে তোর ফিরিয়ে দেওয়াটা নিতান্তই একটা অনুঘটক ছাড়া আর কিছুই না। মধুমিতাঃ- আজাহার দা, তুমি আমাকে দোষ দাও না কেনো? আজাহারঃ- দোষ দিই না? এই তো দিলাম। তোর...

মজার নাটক

এক মজার ও শিক্ষার নাটক ছেলেটাঃ- এনেছি যে মাস্ক কুড়ি টাকা করে ঝুলিয়ে লাঠিতে এনেছি বাঁচাতে তোমার জীবন আজকে লোকডাউনেও এসেছি। নিজেও নিয়েছি একখানা মুখে বাড়ি গিয়ে ধবো হাত-পা এগিয়ে এসো বাবুরা এদিকে এসো বাবু নিয়ে যাও মাস্ক টা। বাবুঃ- কত করে? ছেলেঃ- বেশি নয় কুড়ি টাকা বিশে বিষে বিষক্ষয়। পৃথিবীর যত বিষ সব যাবে বিশে ধুয়ে। নিয়ে যাও এক দাম। বাবুঃ- তাই দাও, তাই দাও নিয়ে যায়। মেয়েঃ- কত করে বাবু?  ছেলেঃ- এই যে মাসিমা মাত্র কুড়ি মেয়েঃ- বড়ো আছে একটু? ছেলেঃ- নানা, মাসিমা। একই সাইজ ছুঁড়ি থেকে বুড়ি। দাদুঃ- কই রে একটা দে দেখি নাতি? ছেলেঃ- নাও নিয়ে যাও দাদু। বড়োছেলেঃ- এই যে ভাই তুমি যে এসময় বাইরে এসেছো তোমার কিছু হবে না। ছেলেঃ- আগেই বলেছি বাড়ি গিয়ে ধবো হাত পা। আর এখন তো বাজারে মাস্ক নেই তাই সবাইকে দিতে এলাম। আমার মা বানিয়েছে।মাস্ক বেচে বাজার করে নিয়ে যাবো। আড্ডা মারা লোকঃ- ওহে বাচ্চা কই দেখি একখান মাস্ক দাও দেখি। ছেলেঃ- নাও না কাকু। মাত্র কুড়ি। লোকঃ- কুড়ি তা আমার কাছে তো টাকা নেই। ছেলেঃ- তাতে কি হয়েছে মা বলেছে পৃথিবীর অসুক। মানুষ খুব কষ্টে আছে। এই নাও তুমি ...
১.) আমি ততক্ষণ প্রেমিক যতক্ষণ অবধি তুমি প্রেমিকা। আর তুমি ততক্ষণে প্রেমিকা নও যতক্ষণে আমি তোমার স্তন ছুঁয়েছি....!! তাহলে তখন কি? তখন আমি তোমার মনের চেয়ে দেহকে ভালোবাসছি বেশি আর মন কে বোঝাচ্ছি খুব করে, প্রেমিকার স্তন ছুঁলে সেটাকে ধর্ষণ বলে না!! আর যতক্ষণ এটা বোঝাচ্ছি ততক্ষণ তুমিও আমায় জড়িয়ে ধরেছ, আঁচড় কেটেছ পিঠে, কামড়ে দিয়েছ কান তাই তোমার কাছেও প্রশ্ন তাহলে তখন কি? 🚲ডট.পেন ২.) [ দায়িত্ব আছে বৈকি ] ছেলেটার স্বপ্ন চোখে, দেখছে বাতি ইচ্ছে ভীষন জেদের প্রতীক, গল্প পাতি নিরুপায় শুকনো হাতে, কোন সুবাদে এই পৃথিবী শাসন হবে কোন আঘাতে তবু ঠিক দুধের দামে করল বড়ো মায়ের স্নেহ বাবা'টার ঘুম আসেনা, রিক্সা টানে ব্যাথার দেহ শ্যামলের পুলিশ বাবা ভীষন টাকা সায়েন্স পড়ায় যে পিতা মজুর খাটে সেও তার ইচ্ছে নিয়েই স্বপ্ন দেখে পয়সা ছাড়ায় দিনমান কষ্ট করে, রোদ-জল-বর্ষা মাথায় অনার্স টেকায় সে ছেলের সুখের আগে বাবার জন্য নিজের লড়াই বিধবা মায়ের চোখে স্বপ্ন আঁকা জল-পারদে টুকটাক মটরশুঁটি খুলছে খোসা, এইচ.এস পড়ছে খোকা শীতের রোদে যে ছেলে,মেয়ের কেবল শখের দামে স্বপ্ন কেনা সে ছেলে,মে...
১.) আকাশ তুমি দুমুঠো দাও রোদ আমার মায়ের শাড়ির গায়ে জল সেই যেখানে রেলিং গুলো শুকোয় ওখানে সব পথের কোলাহল। মিটুক বৃথা কোয়ারেন্টাইন দশা যার যেখানে যাবার আছে যাক অফিস ফেরত  মা'ও মেলুক শাড়ি সব শিশুরায় জলের ফোটা পাক। জলের ফোটা আমিও যেমন কুড়োই রেলিং-এ বসা গাছের টবও পায় চুঁই-এ পড়ে রেলিং থেকে জল অচল হওয়া বাক্স- চিঠিটায়। পাড়ার কুড়ো কুকুর ছুটে চলে খিদের পেটে লোকডাউনের রেশ পাড়ার মোড়ের রিক্সাওয়ালা ছোটে ছুটছে চাকায় খিদের পরিবেশ। মিটুক বৃথা কোয়ারেন্টাইন দশা সব বিপদের আশঙ্কা হোক শেষ ম্যাজিক ঘটুক নতুন কোনো ভোরের হঠাৎ ভ্যানিস করোনা পরিবেশ। 🚲সুদীপ্ত সেন ২.) করোনার ওষুধ এমন পরিণতির পরে আবার যদি জাগি তখন নাহয় বলব আবার নার্সদেরকে মাগী। আমরা যারা করোনা রুগী। বাঁধতে হবে জোট ডাক্তারদের মারতে হবে তাই আবার জেগে ওঠ। চুন থেকে পান খসলে পরে যাদের ধরে মারি তারাই এখন বলছে দেখি, বাঁচিয়ে দিতে পারি। আবার নাহয় মেরোই তবে। এখন নাহয় জাগো ঈশ্বর নেই, আল্লাহ্ নেই, কোথায় গেল মা-গো? হাসপাতালই মন্দির আজ, মসজিদও আজ ওটাই তাই বাঁচলে সিওর আবার ঠিকই দেবে খোঁটা। আজ রুগীর চোখের ক্লান্ত ...
গল্পের নামঃ- বৃষ্টিবউ লেখাঃ- সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন) গড়িয়ার সাত নম্বর লেনের বাসিন্দা জয়দীপ। জয়দীপ রায়, গালে এক চাপাল দাড়ি, মাস্টার ডিগ্রীতে পাঠ্যরত একটা অশৌখিন লেখক-লেখক চেহারার ছেলে। বেশ সম্ভ্রান্ত পরিবারের একটা ছেলে জয়দীপ। বাবার বিশাল ব্যবসা, ছোটো একটা ভাই, মা গৃহবধূ আর এক দিদি যার বিয়ে হয়ে গেছে দক্ষিণ কলকাতায় বছর পাঁচেক আগে।             জয়দীপর সাথে আমার পরিচয়  হয় হঠাৎই ওই লেখালেখির সূত্রে কোনো এক পত্রিকার বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে। জয়দীপের অন্যরকম কলম টান আছে। কোনোদিন সময় পেলে দেখাব আপনাদের। আমরা ভালোই বন্ধু দুজনে। আমরা রোজ গঙ্গার ধারে বসে রবীন্দ্রসেতুতে তাকিয়ে থাকি সেখানে কিছুক্ষণ ফেসবুক ঘাঁটাঘাঁটি করে জয়দীপ আর তখন ও আমার সাথে কথা বলে না, আমিও বলিনি কোনোদিন। তারপর ঠিক সন্ধ্যেলাগোয়া করে  উঠে যায় আমরা আর জয়দীপ যেটা বলে রোজ সেটাই বললো আজও। তারপর একটা পাঁচ টাকার সিলকাট, গোপী দার দোকানের চা আর একটা প্রজাপতি বিস্কুট।  কোনোদিন ও একটার টাকা দেয় বা কোনোদিন আমি। তবে ইদানিং সে একটা ছোটো কাগজের অফিসে চাকরি করে, শুনেছি তার কোনো এক দূর সম্পর্কের দা...
গান--১ ১.) যদি আটকে রাখার হতো..... তবে স্বভাব সম্ভবত আর আমিও অবগত তোমার স্মৃতির দেওয়ালেই...। দেখো আঁধার হয়ে আসে, তোমার সাজিয়ে রাখা বই আমি হেরে গিয়েও ঠিক আবার উঠে দাঁড়াবই এটা তোমার খাতায় লিখে রাখো আজ...(২) আমার মুঠোয় কাটাকুটির... যত ভুল হওয়া হিসেব আমি জানিনা কোন পথে গেলে মিলবে যে কিসে.. তাই এমন পথে হাঁটতে থাকায় ভয় তাই ভুলের ওপর নিছক পরাজয় তবে উঠতে হবে এটাই পরিচয়...(৩) @ডট.পেন ২.) এই শব্দ তোমায়, যাচ্ছে কোমায় ভুলছে ক্ষতর গান আমি নরম কোনো ঘাসের ওপর অভিমানের মান তাই নিয়ম করে, ভোলার জোরে ইতিহাসের রায় আর নিজের মতোই গল্প করে বুঝিয়ে  দেওয়া যায় তাই নতুন কোনো জবাব এনো সন্ধ্যে ফেরার মাঠ কোনো তৃতীয় জনে তোমার মনে অভিশাপের রাত জানি ভুল বুঝেছ মনের ওপর অভিমানের জ্বর আর ঠোঁট ছোঁয়ানো বারণ আছে এখন আমি পর জানি... তোমার চোখে পড়ল আঙুল তোমার চোখে আমার সব ভুল.... তাই তোমার চোখেই জল...(২) @সুদীপ্ত ৩.) Bengali folk song "HOWYAI NIVE JAI" BY....SUDIPTA SEN(DOT.PEN) ওই নদীর ঘাটে,কলস হাতে যে মেয়েটা যায় তার পানে যেই তাকাই আমি ক্যাবলা হইয়্যা যাই। ওই নূ...
লোকডাউনের কবিতা বাঁচার আশায় যেসব মানুষ বেডের ওপর ঘুমিয়ে গেছে তারাই সঠিক লোকডাউনের সাক্ষ্মী হলো! বাদবাকি সব অঙ্ক কষে, ফর্দ ধরে বাজার করে... ফিরলো পথে। দুমুঠো চাল ফোটার জন্য যাদের লড়াই তাদের দেখে। আমিও এক সভ্য মানুষ, লোকডাউনের বন্দীদশায় চরমতম সুখের ওপর খাতার পাতায় কবিতা লিখি কিংবা টাইপ। হঠাৎ যদি সংক্রমণে.....নিথর হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি, প্রিয়...। কান্না গুলো সাজিয়ে নিয়ে হলুদ কোনো গোলাপ দিও..... ঘরেই বসে! @সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)

কপাল

কপাল --------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন) তুমি বলো আগে। আমি শুধু শুনি। হুম  তুমি বলো, শুরু করো চলো আমি? কি বলব তবে? হ্যাঁ তুমি। তুমি  মানে সেই, যে দুমুঠো বিকেল ধার করে ছিলো জমে ছিল বলে খেদ আজ বলে ফেলো। আজ নেই দ্বিধা, নেই কোনো বিচ্ছেদ। কেনো গেলে ছেড়ে? কেনো চলে গেলে এভাবে তুমি? কেনো চলে গেলে না বলে সেদিন? সব বলে ফেলো আজ। শুনি সাক্ষ্মী থাকবে গঙ্গার তীর, জলজাহাজ আর আমি-তুমি। তবে শোনো। ওরা বলেছিলো বিভীষিকা হতে, তুমি বলেছিলে নারী তাই মনে হলো, ধুর...। সব ছেড়েবেড়ে স্রেফ ভালো থাকা দরকারি। উম হু, নানা এইভাবে নয়, ক্লিয়ার করে বলো। যতখানি বলা হলে আমিও বুঝব আর তুমি বললে। সেই ভাবে শুরু করো, চলো। দুজনে ধরালো সিগারেট, যেন হাফ টাইমের মতো। ছেলেটা ভীষণ নাছোড়বান্দা, মেয়েটা লুকালো ক্ষত। আজ থাক না। এতোদিনে পরে দেখা হলো ফের দূরে যাবো জানি। আজ থাক না অহেতুক এই অতীতকে টানাটানি। সেদিনও বলোনি, আজও নয়। জানি উত্তর তুমি ভুলে গেছো সেই কবেই যদি চাও তুমি তাও..., আজকের পর দেখা হবে না, মনে রেখে দিও তবে। দু-মুঠো বিকেল ধার করেছিলাম। বসিওনি, সেদিন দাঁড়িয়ে ছিলাম ভিক্টোরিয়ার মাঠে, শুধু মুখোম...

শীতের সফরনামা

শীতের সফরনামা গায়ে থাক সোয়েটার, সোয়েটার গায়ে থাক গায়ে থাক, পায়ে থাক মোজা জোড়া মোড়া থাক তার শুধু দাগ থাক স্পষ্ট লোক থাক রাস্তায়, যারা থাকে সস্তায় তারা থাক। বাকি থাক যা'কিছু চোখে পরা অভাবের কষ্ট মিশে থাক কুয়াশা, মিশে থাক হাওয়াতে মিশে থাক, থাক মিশে, মিশে মিশে যাওয়াতে মিশে যাক দুটি মন, মিশে যাক জড়িয়ে মিশে যাক ঢাকুরিয়া লজ্জাকে সরিয়ে। বেড়ে যাক তোলপাড়, ভেঙে যাক ব্যারিকেড ভেঙে যাক যুদ্ধ, 'রাম' পাক 'ম্যারি'কে উঠে যাক সব বিল, উঠে যাক চিৎকার বেড়ে যাক ঠান্ডা, বেড়ে যাক ধর্ষন বেড়ে যাক চুপিচুপি শরীরের ঘর্ষণ বেড়ে যাক জবাবের, জবাবের নেই লোক বেড়ে চোখ ছলছল পেঁয়াজের দামে হোক। টোপাটোপ গুড়ে হোক নলেনের সন্দেশ জিভে হোক, স্বাদে হোক, পিঠে হোক বাড়িতে যারা খেতে পেলো পাক, বাকি যারা পেলো না যেন হয় এমনই, এমনটা যেন হয়। দেখলে না  তুমি তাকে..... বাড়ির ওই ছোটো মেয়ে চুপি চুপি রাস্তায় তাকে এসে দিলো না? তাকে মানে নিরুপায়। যে, পথে হাত পেতে খায় তাকে মানে ফুটপাতে, ঘুম পেলে শুতে চায়। এইভাবেই স্বপ্নে শীতেদের বাড়ি হোক বাড়ি ফিরে এলে পরে পাটিসাপ্টা'টা হোক খেতেখেতে ধোঁয়া হোক...

ঝুম এবং বাবাই দা

|ঝুম এবং বাবাই দা | যেখানটাতে  রোদ পরে রোজ, পাড়ার মোড়ের একটা দোকান সেখানটাতেই হঠাৎ দেখা... তোমার-আমার। তারপরে রোজ-রোজই যেতাম। যাওয়ার সময় একটা শালিক বুঝতে পারি এটা নিছক খামখেয়ালি। আর কিছু নয়...। তোমার সাথে প্রথম আলাপ ফেসবুক পেজ, 'কালপুরুষে' দেখা বোধহয় সেদিনই ছিল, তাই ওটাই  এখন হঠাৎ দেখা আর বাকি সময় চাকার মতো পেরিয়ে গেছে... দু-গাল দিয়ে। মধ্যেখানের ঝড়ঝাপটা নিছক যেন প্রথম ম্যাথের ক্লাসের মতো মধ্যেখানের খুনসুটি মন নিছক যেন টিফিন পিরিয়ড মধ্যেখানের মেলামেশা নিছক যেন রূপকথারই এভিডেভিড। এখন সবই অতীত বেজায়, পাঁচ তলা মল সবই ব্লক তোমার ফোনের ম্যাসেজ থেকে ফোন কলস্ আর সেসব ছবি। সেদিনের ওই বাবাই দা এখন একটা দোকান চালায়... ঝুম এখন নাম করেছে, বইমেলাতে বেস্ট সেলারের প্রথম কবি। এই যে, হঠাৎ দেখার গল্প এখন শুনছে সবাই, এটা তাদেরই সেই গল্পকথা আমি একটা নিছক প্রাণী যে কলম হয়ে লিখতে এলাম ওদের এখন ব্রেকআপ বোধহয় তাই তো তাদের আর দেখি না। যে পাশ দিয়ে ঝুমের বাড়ি, ব্রেকআপ হওয়ার পরের দিনই বাবাই দা'কে আর দেখি না। অথচ রোজ... যেতো রোজ.... এখন সে এক দোকান চালায়... হঠাৎ দেখার ভিড়ের...
১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...
 গান---১ ১.) #আমরা_যারা_অনুপমিও যার রঙ লেগে গালে আর সুর সহতালে তার হাসি ফোটা ঠোঁটে দূরে জাহাজ রুমালে নাড়ি, গাছের টবের সারি সন্ধে পেরোতে যারা খুব পরিপাটি আর এক সাথে হাঁটি পথে যাচ্ছে যে ঠেলে তারায় বুঝেছে জানি চুপ করে থাকা শ্রেয় বোবা টানেলে আমি দম ধরে রাখি শুধু মনখারাপের ক্লাসে জানিনা  ক'জনে? বাজিয়ে বলতে চায় আমাকে আমার মতো রেখে  দাও নিজের গোপনে.... তার চৌকাঠ বড়ো প্রিয় সন্ধ্যের শাঁখ বাজে বন্ধুর গানে।। দূরে সময় পেরিয়ে যায়, কালবৈশাখী কেনে দম ধরা ঘড়ি আমি হাজার প্রবাসী চিনি যারা ভালোবাসে শুধু অনুপম সুরই। কিছু পাতলা স্বভাবে খাটো, মায়ের শাড়ীর আঁচল নিছক গোলাপি আমিও কেমন যেন জল ঝরে যাবে বলে গায়ে নিয়ে মাখি আমি দম ধরে রাখি শুধু মনখারাপের ক্লাসে জানিনা  ক'জনে? বাজিয়ে বলতে চায় আমাকে আমার মতো রেখে  দাও নিজের গোপনে.... তার গীটারটা বড়ো প্রিয় হেডফোন বেজে ওঠে অনুপম গানে।। যারা প্রেম মুছে দিয়ে দূরত্ব রেখে গেছে বজায় দু'জনে তারাই কেবল জানে বাঁচার তাগিদ আছে অনুপম গানে।। এ গান তাদেরই কথা বলতে চেয়েছে শুধু, যারা এটুকুই জানে আর মনখারপের  রাতেও আলোকে চি...
স্পেশাল--১ এক যে আছে দস্যি মেয়ে যার চোখ সাধারণ খুব কঠিন তার রাগের কাছে সাধ্যি নেই তার লিপ্টস্টিকে হয় ঠোঁট রঙিন। এক যে আছে গরুর নাম এক যে আছে ভুতানি নাক এক যে আছে ভীষণ ঘ্যাম সে একইরকই... এমনই থাক। মেয়ে নাছোড়বান্দা, বদের বীজ মেয়ে প্রেসার মাপে, জ্ঞানও দেয় তারা বুকের কাছে ঠান্ডা ফ্রীজ তার জবাব বলতে কান্না পায়। সে ঘুমায় না, সে রাগ করে সে সব মেনে নেয় চুপ করে সে তাকিয়ে থাকে, বলতে চায়.... আবার বলবে না, তাই কুঁকড়ে যায় সে ভেতর ভেতর তড়পাবে সে বাইরে থেকে হাতড়াবে সে ভুল বুঝে যায় আরামসেই আমি তার দুঃখ কেনার কারণ নিই তবু কান্না মোছার রুমাল নেই.... জেনেও, নিজের হাতেই দুঃখ দিই। তার টিপ পরা মুখ জ্বলজ্বলে তার পছন্দ নয় অধিক ঝাল আমি খুঁজতে থাকি কোন গালে চুমু বসিয়ে দেব দীর্ঘকাল...... 🚲ডট.পেন না সুদীপ্ত চাও এখনি বলো ... কবি নয়.... অকবিও নয় শুধু নাম লিখে চিটিয়ে দেব এই কবিতায়.... ২৩ এর এই তারিখে। আর পাঠক বলতে যারা পড়বে তারা হলো তোমার চোখ, ছাদের কেটে যাওয়া ঘুড়ি, প্রিন্সেপঘাটের চুমু খেতে থাকা কাক দুটো আর তোমার শখের কানের দুল গুলো, ব্যস্।
১.) নিম্নচাপ -------সুদীপ্ত সেন মন খারাপের সঙ্গী বুঝি চায়ের কাপ? নাকি সেই প্রেমিকা। যার দু-হাতের স্পর্শ নীল আমার এখন চরমতম মন খারাপ সব চাহিদার বিনাশ বোধহয় ধর্ষন..ই....! আজ গীটারের তার ছিঁড়েছি, ইচ্ছে নেই যার যেদিকে যাওয়ার ছিল বন্ধ সব আমার এখন চরমতম মন খারাপ কাল বৃষ্টি পড়ে ভরতি হলো গাছের টব। সবাই বুঝি কোয়ারেন্টাইন স্বেচ্ছাতেয়....? ওদের পেটের খিদের তাগিদ, চালও নেই আমার এখন চরমতম মন খারাপ দিন চলে যায় অন্ধ হয়ে স্পর্শ তেই...! সব চাহিদার নিয়ম বোধহয় একরোখা। সবাই বোধহয় একইরকম দোষ করে শাস্তি শুধু বদল ঘটায় এই তো যা। নয়তো কেনো মৃত্যু হলেই স্বর্গে যায়...? ২.) একটা ছোটো ঘর, একটা জানলা, সেটাও ছোটো। জানলার খুব একটা দরকার নেই তবু আছে। খুব বৃষ্টি হলে জল থৈ থৈ করে ঘরের ভেতর। কি? হ্যাঁ মশা আাসে তো। তবে কয়েল জ্বালালে মশা চলে যায়। হ্যাঁ পুরো বর্ষাকালে স্যাঁতসেঁতে হয়ে থাকে মেঝে তখন মাদুর পেতে ঘুমোতে হয়। ওপরের টালি থেকে বৃষ্টি পড়ে ঘরের বালতি গুলো ভরে যায়। কী? হ্যাঁ ভিজে যায় তবে ভিজে গিয়ে জ্বর আসে না। তোমার প্রথম প্রথম কষ্ট হবে পরে সহ্য হয়ে যাবে। ঘরের সামনে জল জমে নর্দমায়। ন...