Skip to main content

 বাজিতে রাজি না 

--------------------সুদীপ্ত সেন


কালীপুজো হবে তবু বাজি হবে না, এ নিয়ম ভারী অন্যায়

পাড়ার ছেলেরা চুপিচুপি এসে বসেছে মিটিং-এ ধন্নায়


তারা দলবলে মিটিং করেছে, রাত হলে হবে হুল্লোড়

অ্যানাউন্স হোক যত খুশি তুবু, মানি না কে কি বললো।


তারা টাকা কড়ি জোগাড় করলো রাতেই 

কাল ভোর হলে বোমা বাজি নিয়ে হাতে

চলে যাবে তারা চুপি চুপি সেই ভুলু দারোগার মাঠে


দেখে নেবে তারা কিভাবে পুলিশে আটকায় বাজি বোমা

বুড়ি মা ফাটিয়ে শুরুটা করবো। যা পালা.... আজকে বাড়িতে ঘুমা।


কাল ভোর হলে দূর পাড়া থেকে কিনে আনা হলো বাজি

বুড়িমা এনেছে, এনেছে তুবড়ি, এই ছেলেপুলে গুলো পাজি।


রাত হলো ঠিক, পুজোয় বসেছে কালী, 

রাম ঢেলে দিয়ে বোতল সাজিয়ে শুরু হয়ে গেছে তালিম।


ছেলেরা দূরের মাঠে তখন সাজিয়ে নিয়েছে ঠেক

একটা তুবড়ি তখনই ফাটিয়ে করেও নিয়েছে চেক


এরপর তারা বুড়িমা খুলবে প্যাকেটে দিয়েছে হাত,

পিছনের থেকে কারা যেন এসে দিয়েছে সপাটে লাথ


উরি বাবা বলে চেঁচিয়ে উঠলো ছেলে-ছোখরার টিম

পুলিশের গাড়ি তুলেছে তাদের, হাতে দিয়েছে ঘোড়ার ডিম


থানাতে এনেছে যখন তাদের তখন ফুটেছে আলো

সেই থানাতে বাজির দোকানদার এ বেটা এখানে কেনো?

কেনো বুঝে নিতে সময় লাগেনি ছেলে ছোখরার দলের

এ বেটায় তবে পুলিশ জানালো, হারামজাদা শালো।


গালাগালি দিতে আরও দুইবাঢ়ি পড়েছে তাদের হাতে

মনে মনে রাগ তীব্র তখন পুলিশের প্রতি ঘাতে।


ছেলের দল মুচকি হাসিয়া কহেন, শুনুন সাহেব

যতই করুন আইন

এতো তাড়াতাড়ি কোনো আইনেই একদিনে সব থামে না

কারণ আমরা তো জানি যতক্ষণ না একসাথে হয়ে  সকল মানবজাতি....

হাতে হাতে রেখে বলবে সবাই আমরা বাজিতে রাজি না। 


তাই আমরা এখনও আপনার এই মহান আইন মানি না 


------------------------------

পাইকর,বীরভূম

কলমেঃ- সুদীপ্ত সেন






Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...