Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2020

বুক রিভিউ " যদিদং হৃদয়ং"

  একটা ছোটো বই তাতে তৌসিফ দার ক্যালিগ্রাফি আর সেখানেই খুব নিখুঁত এবং সাবলীল কতগুলো কাপলেট রয়েছে। বইটির নাম 'যদিদং হৃদয়ং' হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন বইটির লেখক রেজমান।  রেজমান বেশ পোক্ত  কবি কিন্তু তাঁর এই বই-এ রেজামান প্রমান দিয়েছেন তিনি একজন ভীষণ প্রেমিক কিংবা আহ্লাদী।  তাই শুরুতেই কবি বলেছেন "সব দুষ্টু প্রেমিকেরই একজন করে আহ্লাদী থাকুক"। বইটার মধ্যে ঢুকতেই  জানতে পারলাম ভালোবাসার মাত্র একটাই নাম সেটা তুই।  আমি বিশ্বাসী এই তুইটা কে সেটা জানার দরকার না থাকলেও পাঠকবর্গ নিজের নিজের তুই কে ভালোবাসার নাম হিসেবে বুঝে নিতে পারবে।  কবি রেজমান এমনতেই খুব দরদী একজন লেখক তাই কৃতজ্ঞতা জানালেন বাস্তবিক কিন্তু নির্জীব সন্ধের কলেজ স্কোয়ার, অ্যান্টনী লেনের গলি আর তাঁর লেখা না আসা অস্থির রাত গুলোর প্রতি৷  কবি বলেছেন, যে বর্ষাতে শার্সি ভিজে যায় ঠিক তখনই প্রেমে অন্ধ হয়ে যাওয়া প্রেমিক ভিজতে ছোটে দৃষ্টি পাওয়ার ভরসাতে।  এবং কবি আশাবাদী আজাদীর স্লোগানে   হেম নলিনীকে পেয়ে যাবে।  প্রেমে তো ঝগড়া হবে, আর ছেড়ে যাওয়ার দিক হবে বহু কিন্তু থেকে যাওয়ার দিক তো একটাই। ক...
 আমি আজও বির্তক -------------------------- রাতে ঘুমিয়ে পরে রোদ। কি মুশকিল যাকে খুঁজবো ভাবি নেই। কোথায় যায়? যাদের হদিশ  পেতে ভোর। অপেক্ষায় আমি হারিয়ে যেতে রাজি কলকাতায়। ভিজে শহরে নিঃঝুম৷ সারাটা রাত তারা দাঁড়িয়ে বর্ষায়। মনখারাপ ছাতা আদতে নির্ভর। বিতর্কে সে' তো জড়িয়ে পড়বেই নিম্নচাপ। তবু ট্রাফিকে চুপচাপ। চিনেবাদাম যারা গাড়িতে ছাড়ালো। এ মল মাস তারা নিঁখোজ হবে কাল। খুব সকাল আমি খবরে পড়বো তাদের লাস। যারা ভাঙছে ভেঙে ঘর। নির্জনে তারা তো আদতে নির্ভর। সর্তকে জড়িয়ে পড়বেই অন্যজন। শুধু... একলা  আমি আজও বির্তকে।  🚲ডট.পেন
 মনে মনে দার্জিলিং সম্ভব দীর্ঘ দিন একটানা বাড়িতে পড়ে আছি, যাওয়া আসা নেই কোথাও এবং কারোর। তবু মোবাইলে হঠাৎ বেজে উঠলো "কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই  মানা মনে মনে....." তারপর হুস করি চলে গেলাম পাহাড় তোমাকে সঙ্গে নিলাম কিনা অতোটা মনে পড়ছে না তবুও যদি তুমি যাও তাহলে প্লিস ম্যাগির কয়েকটা প্যাকেট কিনে এনো।  চাড়া গাছ বিক্রি করা একটা ছেলে পাহাড়ের গায়ে মাউথঅর্গান বাজাচ্ছিলো আমরা গাড়িটা থামিয়ে তোমার বায়না মাফিক পাহাড়ি গাছ কিনলাম একটা  সবুজে ঢেকে থাকা পাহাড়ের গা দিয়ে যখন উঠে যাচ্ছি উপরে  এক একটা মেঘের পুঞ্জ যেনো ঢেকে ফেলছে আমাদের,  আমি সঙ্গে নিয়েছি সেই আমাদের ওখানে বাসে বিক্রি হওয়া কমলা  রঙের লজেন্স গুলো বরিং লাগলে খাবো....এই ভেবে। এখানে বিয়ার সস্তা, মধ্যবিত্ত ছেলেমেয়ের বেজায় ফূর্তি ধরে বিয়ারে,  তোমারও ভালো লাগে জানি আর আমার যেটা সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে সেটা হলো, wait কান পাতো বলছি.....  (তুমি কান পাতলে) যখন হোটেলে পৌঁছে তুমি স্নান সেরে বেরিয়ে আসবে আর তখন তোমাকে ঝাপটে ধরে গোটা দার্জিলিং দেখতে পাচ্ছি আমি।  এবার বুঝলাম তোমাকেও সঙ্গে নিয়েছি মনে মনে হারি...
 ১.) ভিক্টোরিয়া এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর কলকাতাকে দেখব বলেই বেরিয়ে পড়লাম রাস্তায়। দমদম থেকে সোজা একটা ট্যাক্সি করে সদন। সদনে নেমেই নন্দন আর নন্দনের উল্টোদিকের গেট দিয়ে পার হলাম রাস্তা।  সামনে মোহরকুঞ্জের গা বেয়ে হাঁটতে লাগলাম এবার ভিক্টোরিয়া। বাহ্ বৃষ্টির পরে ভিক্টোরিয়া যেনো অপূর্ব৷ এই অপূর্ব বলার সাথে সাথেই সামনের রাস্তায় একটা ট্যাক্সি থামলো। একটা ছিপছিপে চেহারার মেয়ে নেমে এলো, পরণে সাদা রঙের কুর্তী। হাতে একটা ছোটো ব্যাগ, কালো রঙের একটা টিপ, টিপিটা ছোটো কিন্তু বেশ লাগছে টিপ পরা মেয়েটিকে দেখতে। আলগোছে একটু সরে গিয়ে একটা সিগারেট ধরলাম,  মেয়েটা এগিয়ে আসছে। ইচ্ছে করেই ধরালাম সিগারেট টা, আসলে ওই যে, উর্তি বয়সে এরকম সত্যবতীকে দেখে হালকা ব্যমকেস সাজতে কার না ইচ্ছে করে বলুন তো? সপাটে হেঁটে এসে মেয়েটা আমার সামনে এসে দাঁড়ালো, বাবা এতো মেঘ না চাইতেই জল।  মেয়েটা বললো, আচ্ছা দাদা ভিক্টোরিয়ার টিকিট টা কোথা থেকে কাটবো? সুযোগ হারাতে চাইলাম না, বললাম আমি গাইড, কলকাতা দেখানো আমার কাজ চলুন আমি কাটিয়ে দিচ্ছি, ১০০ টাকা দিন। ১০০ টাকা নিয়ে ২ টো টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম।  বললাম আর পা...
  ১.) *তখন-এখন* তখন ছিলো জমাটি সভা। তখন ছিল বুকের দাপট তখন ছিলো পার্টি অফিস তখন ছিলো রক্ত গরম। এখন সবই আগের মতোই... একটু শুধু চেঞ্জ হয়েছে, সেসব বলি.... ও একটু দাঁড়ান দাদা। তখন-এখন বলতে হলে আরও একটু খানি বলি আর সেসব বলা দিয়েই আমি সাজিয়ে দেব, বুঝিয়ে দেব তফাৎ। দেখুন গ্রাম ও শহরতলির.... তখন হতো বোমার আওয়াজ পালিয়ে যেত রাত-ভোরে সব তখন ছিলো লড়াই খিদের নকশালীয়া প্রন্থা ছিলো তখন দিকেদিকে। এখন সবই আগের মতোই। শুধু সেল্ফি হবে আগে আর লড়াই হবে ফিকে। এই যে ধরুন তখন কোনো আলোচনায় তর্ক হতো জোড়ে এখনও হয় ঘন্টা খানেক সঙ্গে ঘুমন টিভির ভেতর চড়ে। তখন কোনো হিসেব হলে। পাড়ার মোড়ে মুড়ল এসে বটের নীচে বসে যেসব কথা বলতো, সবাই নিথর হয়ে শুনত তাগিদ ও মজলুসে। এখনও শোনে, মাইক্রোফোনের জন্য দাবী লাস্যময়ী নেত্রী এসে ঝুলিয়ে দিলো বুক বুকের ওপর একটা তিলেই সব অভিমান যাচ্ছে গলে। সামনে থেকে লড়াই ডেকে ভেতর ভেতর সুখ। আচ্ছা এ তো গেলো কেচ্ছা হিসেব। এবার এমন বলব কথা যেমন বলি যথারীতি আজও তেমন ঠিক। শুনন তবে... আজকে দেখি কলেজ ছেলে। ইউনিয়ানের পতাকা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্ল্যাকার্ড হাতে আজকে দেখি যত না কথা তার চেয়ে...
 ক.)  কষ্ট ভোলা যায় না কাকে বলে? ------🖋সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন) নিজের কাছে ঝাপসা থাকতে থাকতে অকারণে ভুল হয়ে যাওয়া পাতলা কাগজের মতো চাহিদা গুলো নির্বিকার শব্দ করে হেরে যেতে থাকে। সেইসমস্ত ভুল গুলো কোনো একদিন রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে অপমানিত হতে থাকা কারোর কাছে একটা হতকারি কষ্টের মতো। আমি সেগুলো ওভার কাম করে সেখান থেকে বেরোতে পারি না তাই হয়তো কষ্ট হয়।  তোমার চোখের সামনে থেকে সরে যেতে বললে আমাকে চলে যেতে হয় কারণ আমি চাই না তোমার সন্তুষ্টতার বিরতি হতে এবং চশমার কাঁচের কাছে ঝাপসা হয়ে আসা সিনেমার পর্দা কিংবা নন্দনের সামনে থেকে পেরিয়ে যাওয়া বাস,ট্যাক্সি,ওলা, এমনকি মোটরবাইক চেপে যাওয়া কোনো মোটা কাকুর ভুঁড়ি পর্যন্ত আমাকে দেখে অথচ কাছের কেউ তখনও দেখতে পায় না চশমার কাঁচ কেনো ঝাপসা হয়েছে তখন।  ফিরে আসার তাগিদ থেকে নীচু হয়ে যাওয়া মন গুলো বিস্কুট কামড়ে কিংবা কোল্ড-ড্রিংক্স খেয়ে হজম করে ফেলতে চাইলেও হঠাৎ রাত্রি-বেলা ঘুমোতে যাওয়ার সময় মশারি গুঁজে ফেলেও গুঁজতে পারি না বিকেলে ঘটে যাওয়া ফিডব্যাক গুলোকে। কারণ তোমার ফোন পেয়ে আবার রিভার্স বায়াস হয়ে যায় সেগুলো। আমরা যাকে কষ্ট ভোলা যায় না বলে ডা...
  সব থাক একসাথে ১.) ভঙ্গুর --------সুদীপ্ত সেন আর কিছুদিন দাঁড়িয়ে যেতে দাঁড়িয়ে যেতে আর কিছুদিন, থামতে তোমার বারণ ছিলো কারণ ছিলো হাজার রকম সন্ধ্যে হতো, রাত নামতো রাতের ওপর। তোমার চোখের মধ্যে থেকে মধ্যে থেকে তোমার চোখের বুঝতে পারি ঠিক কতটা বিপর্যয়কে জয় করেছি সন্ধ্যে হতো,রাত নামতো রাতের ওপর। আর কিছুদিন থাকলে বোধহয় থাকলে বোধহয় আর কিছুদিন সরকারি নয় এমনি অফিস, তবুও.... মুঠোয় দুইবেলা রোজ চলেই যেতো। এখন  বুকের ওপর বুক থাকতো আর সন্ধ্যে হতো, রাত নামতো রাতের ওপর। ২.) কবিতার নামঃ- তোমার-আমার -----------------সুদীপ্ত সেন তোমার সাথে ছিন্ন হওয়া, ভিন্ন হওয়া এক নিমেষে তোমার সাথে ঝগড়াঝাঁটি, কপালভাতি এক ঘরে রোজ। তোমার সাথেই গল্প গুজব, বই পড়া রাত, দুপাশ ফিরে তোমার সাথেই অনেক রাতে মেঘের ভেতর হচ্ছি নিখোঁজ। তোমার সাথে থাকতে এলাম, তুমিও এলে আমার সাথেই তোমার সাথে তখন ছিলো সাহস হাজার দেখার মতো। তোমার সাথেই থাকবো বলে আমার সাথেই তোমার আসা তোমার সাথেই তোমার বাবার আমায় নিয়ে ঝগড়া হতো। তারপর ঠিক আগষ্ট থেকে তমুল ভাবে ভাঙলে তুমি পাল্টে গেলো একটু করে একখানা ঘর, রান্নাবাটি। আজকে ...
 উত্তরটা জানা নেই আজ পাঁচটা বছর আমাদের দেখা নেই। তোমার লাগিয়ে যাওয়া আমের চারা গাছটা আজ গাছ হয়ে উঠেছে, বাগানে পু্ঁতেছি। ছাদের টবে হলুদ গোলাপের যে চারগাছটা তুমি লাগিয়েছিলে তাতে এখন ফুল ফোটে। যখন কুঁড়ি আসে তখন একখানা গোলাপ কু্ঁড়ি তোমার সামনে রেখে দিই জল ভরা ফুলদানিতে। ঘুম থেকে উঠে পরের দিন সকালবেলা কুঁড়িটা ফুল হয়ে যায়।  স্রেফ বুঝতে পারি, আমি যখন ঘুমোই তখন তুমি এসে তোমার আগের স্বভাবদোষ বজায় রেখেই আধফোটা গোলাপ কুঁড়িটার একটা একটা করে পাপড়ি নিজে হাতে খুলে খুলে ফুল ফুটিয়ে গেছো।  তুমি যে অল্প বয়সে পাকা ছিলে এবং সেইজন্যই তাড়াতাড়ি তুমি কুঁড়িটাকে ফুল করে দিতে চাইতে নিজের হাতে করে তা ভালোই বুঝতে পারতাম। নইলে কেনোই বা তুমি তোমার ফার্স্ট ইয়ারের প্রথমদিন আমার একবার ক্লাস করেই ছুটির সময় ছুটে...এসে বলেছিলে-- 'স্যার আমার আপনাকে হেব্বি লেগেছে'। সেদিন হালকা হেসেই এনফিল্ডে ক্লিক করে  বেরিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু অধিক পাকা হয়েও সেদিনের ওই ফার্স্ট ইয়ারের ছিপছিপে মেয়েটা বুঝতে পারেনি স্যারের হাসিটা অথচ স্যার তখন "ফ্যারাডের" সূত্র ভালোই বুঝেছিল, যে একদিন ক্লাস করেই প্রথম দেখা স্যারের ওপর স্যার আপন...
 প্রতি জন্মদিনে ছেলেটা চিঠি লিখতো। ব্লক করা নম্বরে আচড়ে পড়তো চিঠির প্রতিটি শব্দ। তাতে কিছু যেত-আসতো না। তবে এটুকু ঠিক পৌঁছনো যেত যেটা আর কোনোদিন পৌঁছবে না নিজস্ব ঠিকানায়।  তবে যা বোঝা গেছে তাতে এটা বলা সহজ যে,  সময়ের জিনিসকে সময়ে বুঝতে হয় আবার পুরনো যা কিছু তাকে ভুলে নতুনে থাকতে হয়।  পরস্পরের এটুকু বোঝা হয়ে উঠলো না সঠিক সময়ে তাই সম্পর্ক ভেঙে গেছে....! 🚲ডট.পেন
 আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জীবনে অনেক কিছু চাই কেউ ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, কেউ ডাক্তার, কেউ পুলিশ কিংবা আরও অনেক কিছুই। কিন্তু এই ছেলেটা চাই একটা এমন ওষুধ খেতে যেটা খেলে সে কাঁদতে পারবে  ভীষণ ভাবে। কারণ আমাদের সমাজে নাকি পুরুষমানুষদের কাঁদতে নেই তাই ওই রকম একটা ওষুধ যেটা খেলে ভীষণ কান্না পাবে আর স্বাভাবিক ভাবেই তখন আর কেউ  বলবে না যে এই সমাজে পুরুষমানুষকে   কাঁদতে নেই কারণ ও তো কাঁদছে না বরং ওষুধ খেয়েছে বলে কান্নাটা হচ্ছে। ভীষণ কান্না...... ঠিক যতটা কাঁদলে ওর ভেতরের কষ্ট গুলো বর্জন করে হালকা হয়ে যেতে পারবে থার্মোকলের মতো। 🚲ডট.পেন
 বুড়ো-বুড়ি একটু শীত শীত লাগছে। আচ্ছা এদিকে এসো দেখি .....  জড়োজড়ো, কাঁপাকাঁপা হাতে মাফলারটা গলায় চাপিয়ে দিলেন বৃদ্ধা।  হ্যাঁ মনে পড়ে যাচ্ছে, যেবার প্রথম তাদের দেখা হলো, দিনটা তাদের বিয়ের দিন। আগে তো আর বিয়ের আগে ওইভাবে দেখা হতো না এখনকার মতো, বাড়ির বড়ো'রা যেটা ডিসিশন নিতেন সেটাই হতো।  তারপর এরকম ভাবেই অপরিচিত দুজন পরিচয় হতে হতে পরিচিত হয়ে যায় নিজেদের কাছে, অভ্যেসের কাছে, পছন্দের কাছে, ঝগড়ার কাছে, খারাপ লাগার কাছে, সুখের কাছে এবং স্পর্শের কাছে। তখন একটা সময় ছিলো,তখন বিবাহবার্ষিকীতে এতো হুল্লোড় হতো না এখন কার মতো তবু বৌ-বাজারের মোড় থেকে আমার জন্যে দু-ডাল সতেজ রজনীগন্ধা নিয়ে এসেছেন মানুষটি প্রতিবার। প্রতিমাসে মাইনে পেয়ে 'ভীম নাগের' সন্দেশ কিনে এনেছেন , কতবার আমার মাইগ্রেনের ব্যথার জন্য অফিস ফিরে এসে নিজে হাতে রুটি করেছেন বাড়ির সবার জন্য। পিরিয়ডের দিন গুলোতে  জল খেয়েছি কিনা, ব্যথা হচ্ছে কিনা, এসবের  খোঁজ নিয়েছেন লোকটা।  খুব জেদ করার পর একবার পুরী বেড়াতে নিয়ে গিয়ে কাঠের পুতুল  কিনে দিয়েছিলেন আমাকে। বড়ো খোকা হওয়ার পর খুব দুষ্টুমি করতো, সেবার আমার খুব জ্...
 এক একটা দিন পেরোলেই আমার এখন ভয় লাগে। এক একটা দিন পেরলোই মাস পেরিয়ে যাবে আর মাস পেরিয়ে গেলেই বছর। তারপর আমাদের সম্পর্কের বয়স বাড়বে। হুট করে লোকের সামনে চুমু খেতে লজ্জা লাগবে, বাগবাজার ঘাটে বসে বৃষ্টিতে ভিজতে ভয় করবে। ছোটো ছোটো ইচ্ছে গুলো সেন্টের সাথে মিলিয়ে গিয়ে তোমার মা-বাবা তোমার বিয়ে দিতে চাইবে। হয়তো আমাকে ওনারা ফোনও করবেন, জানতে চাইবেন আমি কী ভাবলাম?  তুমি রাগ করে আমার সাথে কথা বলাটা বন্ধ করে দেবে৷ আসলে আমি তখনও কিছু ভাবিনি কারণ "চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছ"---এটা সবার জীবনে হয় না তবে, "এ কি বেলা তুমি কাঁদছো"--এটা অনেকের জীবনেই ঘটে। 🚲ডট.পেন