এই ছেলেটা ভেলভেলে টা ===================সুদীপ্ত সেন ১. বিকেলবেলা গ্রীষ্মছাদে ঘুড়ি ওড়াত সেই ছেলেটা সকালবেলা সাইকেলে রোজ পড়তে আসত আমার পাড়ায় ওই আমার থেকে দু-দশ বাড়ি পরে ওর বাড়ি-ছাদ উল্টো দিকের একটা মাঠে, মাঝে মাঝেই ঘুরতে যেতাম হুম, কাছ থেকে আজ দেখব বলেই, এই আশাতেই দেখতে দেখতে হঠাৎ করে খবর পেলাম ওর ক্লাসটা আমার মতোই দশম শ্রেণী। আমিও এবার সেইখানে রোজ টিউশনে যাই। বরাবরই অঙ্কতে তো ভালোই ছিলাম, তবুও কেন? বললে বাবা উড়িয়ে দিলাম মিথ্যে বলে, বীজগণিতটা ভীষণ কঠিন মাঝে মাঝেই থমকে দাঁড়ায় যেরম দাঁড়ায় ওকেও দেখে আকস্মিকে পথের দেখায়। ২.) প্রত্যেকদিন আসতনা সে, মাঝেমাঝে কোথায় যেত? ইচ্ছে হতো খুঁজব তাকে কোথায় হারায়। বিজলি বাতি নিভত ঘরে, জ্বলল যখন লন্ঠনেরা ইচ্ছে হতো জোনাকিটাকে বার্তা দেব ওর ঘরে যা। ইচ্ছে হতো অনেক কিছু যেমন ধরো ঘুরতে যাওয়ার কিংবা ধরো নদীর ধারে অথবা ওই অতশীদের ফুলের বাগান কিংবা দুজন দাঁড়িয়ে থেকে অন্য পাড়ায় ফুচকা খাবো তার চেয়ে বেশি ইচ্ছে হতো, আলাপ হওয়ার তোমার-আমার। একদিন ওই হঠাৎ করে, ছেলের ঠোঁটে ধোঁয়ার হিসেব উড়িয়ে দিচ্ছে গোল পাকিয়ে রিঙের মতো। নিজের থেকে, কে...