Skip to main content

 বান্ধবীরা প্রেমিকার চেয়েও শক্তিশালী


বন্ধুঃ- এই নে আইসক্রীম খা।

ক্যাম্পাসের ছাদে ফুরফুরে হাওয়ায় আইসক্রীম চলে যাক পেটের ভেতর। আহা ঠান্ডা....

উম উম এই নে খা, নইলে গলে যাবে।


বান্ধবীঃ- না'রে আমি আইসক্রীম খাই না। 


বন্ধুীঃ- কী হলো, ও ওহ্ আচ্ছা।  এই প্রথম কোনো মেয়েকে দেখলাম যে বলে কিনা আইসক্রীম খায় না।


বান্ধবীঃ- ও আচ্ছা তাই?  তা এর আগে কতগুলো মেয়েকে আইসক্রীম খাইয়েছিস রে?


বন্ধুঃ- আরে না..মানে। উফ বাবা তোর সাথে না কথায় পেরে ওঠা মুশকিল।


বান্ধবীঃ- তুই আমার সাথে কিছুতেই পেরে উঠবি না, বুঝেছো নটোবর লাল।


বন্ধুঃ- এই একদম ওই আলতুফালতু নামে ডাকবি না আমায়।


বান্ধবীঃ- কেনো রে? ফেসবুকে কবিতা লিখে, কেত মেরে সিগারেট হাতে ছবি তুলো বং ক্রাশ  ব্যমকেশ হয়ে গেছো নাকি?


বন্ধুঃ- মোটেও নয়।  আর তুমিও কনসা রাইমা সেন হয়েছো হে? Instagram-এ ছবি ছেড়ে নিজেকে রাইম সেন না ভেবে, লোককে উল্টোপাল্টা নামে না ডেকে সঠিক নামে ডাকতে শেখ।


বান্ধবীঃ- একদম উল্টোপাল্টা বলবি না। বেশ করব বলব। 

আমার তুই...boy....।( থতমত খেয়ে থামিয়ে দেবে কথা)


বন্ধুঃ- হুম কী বললি? আমার তুই....boy..মানে?


বান্ধবীঃ- ও..ও কিছু না, দে আইসক্রীম টা দে।


বন্ধুঃ- না'না তুই আইসক্রীম নে No prb but. What are you say? সেটা Complete কর আগে।


বান্ধবীঃ- ও জ্বালাতন করছ এবার তাই না?  দেব তাহলে রাখিটা পরিয়ে?


বন্ধুঃ- হ্যাঁ, হে..হে রাখি...পরব তো, পরা না.. এই নে হাত


বান্ধবীঃ- ও...আচ্ছা, তবে দেখি তোরে হাত টা। 


তারপর পালানোর আওয়াজ, হাসি হা হা হা


হ্যাঁ সবার কাছ থেকে রাখিটা পরা যায় না, বিশেষ করে প্রায় সবার জীবনেই থাকে এমন একজন বান্ধবী  থাকে যার থেকে  তো যায়ই না। 


মনে রেখো,  ডট.পেন একদিন বলেছিলো "বান্ধবী'রা প্রেমিকার চেয়েও শক্তিশালী"। 


Comments

Popular posts from this blog

১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...