Skip to main content

Dear ex

 Xকে দোষ দেওয়া ছাড়ুন


নমস্কার 

চলুন আজকে ধোলায় হবে 

কার? এক্স এর এক্স কে।


ফোন রিং 


হ্যালো


হুম hlo 


কে বলছেন? 


আমি তোমার এক্স, গোলাটা ভুলে গেছো এটাতে আশ্চর্য্য হয়নি একটুকুও 


তুমি ফোন করেছো কেনো? 


না না কথা বলব বলে ফোন করিনি

কিছু বলব বলে ফোন করেছি আজ, মন দিয়ে শুনে যাও শুধু...


শুনলাম আমাদের ব্রেকআপের পর তুমি লোকজনকে বলছো তুমি নাকি এখন   সিঙ্গেল খুব ভালো আছো 

আর আগে নাকি সকাল থেকে রাত অবধি আমাকে good morning, good afternoon, good evening, good night লিখতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়তে?


তা, তোমায় কি বলতাম নাকি যে লিখতেই হবে এগুলো..?


শুনলাম তুমি নাকি এখন বলছো, এখন নাকি

তুমি নামিয়ে শাড়ি পরতে পারো নিজের ইচ্ছে মতো।

তা আমি তোমায় নামিয়ে শাড়ি পরতে বারণ করতাম না, বারণ করতাম ক্লিভেজ না দেখানোর জন্য। তোমার যদি সেটাই ভালো লাগতো তাহলে দেখাতে...অসুবিধে কি ছিলো?


তুমি নাকি এখন বলো ওই যে ওই ছেলেটা কি যেন নাম আরে ও যে,যে গান করে ফেসবুকে 

ওকে নাকি তুমি লাভ রিয়্যাক্ট দিতে পারো এখন 

তাতে কেউ এখন রেগে যায় না। 


আমি যখন ঐন্দ্রিলার নাচের ভিডিওতে লাভ রিয়্যাক্ট করতাম তুমিও কিন্তু রাগ করতে,  বলো করতে না?


শোনো ওগুলো প্রেমের নিয়ম, এখন দোষ দিলে তো চলবে না 


শুনলাম ইদানিং সিগারেট ধরালে তোমাকে বারণ করার কেউ নেই বলে খুব আনন্দ পাও তুমি


শোনো, আমি আমার জন্য বারণ করতাম না। 


এটা বললাম কিনা, সেটা বললাম কিনা এসব ভেবে তোমার নাকি রাতে ঘুম ভেঙে যেতো 

তারপর তোমাকে আবার ম্যাসেজ খুলে দেখতে হতো।  তা তোমায় কি জোড় করতাম নাকি?


তুমি তো এটাও বলছো আমি নাকি  যখন তখন তোমায় ছুঁয়ে ফেলতাম। তোমার ভালো লাগতো না তাও৷ 


এটা যদি সত্যিই হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা করে দিও, তবে personal কথা তো লোককে বলো না এতে তোমার সম্মান বাড়ছে না..


সত্যি কথা বলো, ছাড়ো, ধরে নিলাম সত্যি কথা সবাই বলতে পারে না তাই বলে দোষ দেবে কেনো?

একার দোষে একটা ব্রেকআপ হয় কি?


শোনো সম্পর্ক ভাঙারই জিনিস না ভাঙলেই অবাক হতাম 


ভালো থেকো.... 




Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...