Skip to main content

মজার নাটক


এক মজার ও শিক্ষার নাটক

ছেলেটাঃ-
এনেছি যে মাস্ক কুড়ি টাকা করে
ঝুলিয়ে লাঠিতে এনেছি
বাঁচাতে তোমার জীবন আজকে
লোকডাউনেও এসেছি।

নিজেও নিয়েছি একখানা মুখে
বাড়ি গিয়ে ধবো হাত-পা
এগিয়ে এসো বাবুরা এদিকে
এসো বাবু নিয়ে যাও মাস্ক টা।

বাবুঃ- কত করে?

ছেলেঃ- বেশি নয় কুড়ি টাকা
বিশে বিষে বিষক্ষয়।
পৃথিবীর যত বিষ সব যাবে বিশে ধুয়ে।
নিয়ে যাও এক দাম।


বাবুঃ- তাই দাও, তাই দাও নিয়ে যায়।

মেয়েঃ- কত করে বাবু? 

ছেলেঃ- এই যে মাসিমা মাত্র কুড়ি

মেয়েঃ- বড়ো আছে একটু?

ছেলেঃ- নানা, মাসিমা। একই সাইজ ছুঁড়ি থেকে বুড়ি।

দাদুঃ- কই রে একটা দে দেখি নাতি?

ছেলেঃ- নাও নিয়ে যাও দাদু।

বড়োছেলেঃ- এই যে ভাই তুমি যে এসময় বাইরে এসেছো তোমার কিছু হবে না।

ছেলেঃ- আগেই বলেছি বাড়ি গিয়ে ধবো হাত পা। আর এখন তো বাজারে মাস্ক নেই তাই সবাইকে দিতে এলাম।
আমার মা বানিয়েছে।মাস্ক বেচে বাজার করে নিয়ে যাবো।

আড্ডা মারা লোকঃ- ওহে বাচ্চা কই দেখি একখান মাস্ক দাও দেখি।

ছেলেঃ- নাও না কাকু। মাত্র কুড়ি।


লোকঃ- কুড়ি তা আমার কাছে তো টাকা নেই।

ছেলেঃ- তাতে কি হয়েছে মা বলেছে পৃথিবীর অসুক। মানুষ খুব কষ্টে আছে। এই নাও তুমি ফ্রীতেই নাও।

লোকঃ-
 বাহ বাহ, বড়ো তুমি ভালো ছেলে
কত ভালো কত ভালো
ভালো মায়ের ভালো ছেলে।
দিলে পরে কমে নাতো
বরং ওটা বেড়ে যায় বেড়ে যায়....।
বলো তুমি কি চাও..
কী বর দিতে পারি তোমাকে....।

ছেলেঃ- এমা তুমি ভূতের রাজা।

ভূতের রাজাঃ- হ্যাঁ আমি ভূতের রাজা
বলো তুমি কি নেবে,
যা নেবে তাই দেব...তাই হবে।

ছেলেঃ- ভূতের রাজা তাহলে তুমি বরং  পৃথিবীটাকে আগের মতো করে দাও।
সবার আব্বু যেন কাজে যেতে পারে।আমি ও আমার বন্ধুরা সবাই যেন স্কুলে যেতে পারি।
সবার আম্মু যেন কাজ করতে পারে।

ভূতের রাজাঃ-
বেশ বেশ তাই হবে
তুমি যেটা চাও হবে।
কালকে যে ভোর হবে
সেই ভোরে করোনাটা হুস করে উড়ে যাবে, উড়ে যাবে।
আর কি চাও বলো..?

ছেলেঃ-
 মানুষে মানুষে যেন মিল থাকে।
আর অর্থনৈতিক সমস্ত কিছু যেন ঠিক হয়ে যায়।
একইভাবে মিলিত ভাবে মমতা দিদা আর মোদী দাদু মিলে কাজ করতে পারে।
সাংবাদিকরা যেন তাদের উসকে ঝগড়া লাগাতে না পারে।

ভূতের রাজাঃ-
বেশ বেশ তাই হবে
দুজনেরই ভালো হবে
বেশ হবে, ভালো হবে, তাই হবে...।






Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...