১.)
আকাশ তুমি দুমুঠো দাও রোদ
আমার মায়ের শাড়ির গায়ে জল
সেই যেখানে রেলিং গুলো শুকোয়
ওখানে সব পথের কোলাহল।
মিটুক বৃথা কোয়ারেন্টাইন দশা
যার যেখানে যাবার আছে যাক
অফিস ফেরত মা'ও মেলুক শাড়ি
সব শিশুরায় জলের ফোটা পাক।
জলের ফোটা আমিও যেমন কুড়োই
রেলিং-এ বসা গাছের টবও পায়
চুঁই-এ পড়ে রেলিং থেকে জল
অচল হওয়া বাক্স- চিঠিটায়।
পাড়ার কুড়ো কুকুর ছুটে চলে
খিদের পেটে লোকডাউনের রেশ
পাড়ার মোড়ের রিক্সাওয়ালা ছোটে
ছুটছে চাকায় খিদের পরিবেশ।
মিটুক বৃথা কোয়ারেন্টাইন দশা
সব বিপদের আশঙ্কা হোক শেষ
ম্যাজিক ঘটুক নতুন কোনো ভোরের
হঠাৎ ভ্যানিস করোনা পরিবেশ।
🚲সুদীপ্ত সেন
২.)
করোনার ওষুধ
এমন পরিণতির পরে আবার যদি জাগি
তখন নাহয় বলব আবার নার্সদেরকে মাগী।
আমরা যারা করোনা রুগী। বাঁধতে হবে জোট
ডাক্তারদের মারতে হবে তাই আবার জেগে ওঠ।
চুন থেকে পান খসলে পরে যাদের ধরে মারি
তারাই এখন বলছে দেখি, বাঁচিয়ে দিতে পারি।
আবার নাহয় মেরোই তবে। এখন নাহয় জাগো
ঈশ্বর নেই, আল্লাহ্ নেই, কোথায় গেল মা-গো?
হাসপাতালই মন্দির আজ, মসজিদও আজ ওটাই
তাই বাঁচলে সিওর আবার ঠিকই দেবে খোঁটা।
আজ রুগীর চোখের ক্লান্ত পাতা খুললে পরে একি..?
সেই রক্ত মাখা ডাক্তারকেই আল্লাহ্ ভেবে দেখি।
কালকে নাহয় গালটা দেব। আজকে নাহয় উঠি
পরিবারও তো কাছে আসে না তবু দেবীর রূপে নার্সটা এসে খাইয়ে গেল রুটি।
কীবে..., বোকাচোদার দল। ফের মারবি বল....?
আবে..., আগে তো ওঠ। তবেই তো কাল বাঁধবি তোরা দল।
🚲ডট.পেন
৩.)
আমরা ছোটোবেলায় maximum সবাই কমবেশি astronaut হওয়ার স্বপ্ন দেখাতাম।
তারপর একটু বড়ো হতেই এমন উড়তে শিখলাম যেমন ধরুন
নতুন নতুন শালা বলতে শিখছি,
হাসতে হাসতে ভিডিও দেখছি,
মামনি দেখলে বলতে শিখছি উফ...,
ধোঁয়া খেতে গিয়ে কেসে ফেললাম,
তারপর আরও কতকিছু, ব্যস্
তারপর একদিন আসল উড়ে যাওয়াটাই আর হলো না।
এইভাবেই কত astronauts আজ
চায়ের দোকান চালায়,ওলা চালাচ্ছে, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে,ডাক্তার হচ্ছে, গান লিখছে,হকারি করছে, কবিতা লিখছে
আবার কেউ একজন বাংলা কবিতার পেজ চালাচ্ছে।
🚲ডট.পেন
৪.)
দোলের শাড়ির রঙ হলুদ
আবিরের পাঞ্জাবীটা সাদা ছিল।
বসন্তের প্রতিটি কোণায় কোণায় দোলের দিন আবির ঘুরে বেড়িয়েছে এটা ভেবে যে আজ কিভাবে দোলের হলুদ শাড়ির সাথে তার সাদা রঙ কে মিশিয়ে দিয়ে একটা অদ্ভূত রঙ তৈরী করবে। তাতে থাকবে ছিটেফোটা সবুজ,লাল, প্রার্থনার গান আর মাঠিতে পড়ে থাকা রঙ।
আর সবশেষে আবির যখন ফিরে যাবে বাড়ি আর ফুরিয়ে যাবে ইউনিভার্সিটি তার একবছর পর সেই দূরে বসবাস করা দোল একখানা কার্ড ফাটিয়ে বলে যাবে.... সামনের ৮ ই মার্চ আমার বিয়ে।
এটা শুনে আবির একবার আয়নায় দাঁড়িয়ে এটাই সিওর হবে যে সিদুঁর আর আবির এক নয়৷
তখন ইউপিএসসির বইটা খাটের এক পাশে খোলা....!
Comments
Post a Comment