Skip to main content


১.)
আমি ততক্ষণ প্রেমিক
যতক্ষণ অবধি তুমি প্রেমিকা।
আর তুমি ততক্ষণে প্রেমিকা নও
যতক্ষণে আমি তোমার স্তন ছুঁয়েছি....!!

তাহলে তখন কি?

তখন আমি তোমার মনের চেয়ে দেহকে ভালোবাসছি বেশি
আর মন কে বোঝাচ্ছি খুব করে, প্রেমিকার স্তন ছুঁলে সেটাকে ধর্ষণ বলে না!!
আর যতক্ষণ এটা বোঝাচ্ছি ততক্ষণ তুমিও আমায় জড়িয়ে ধরেছ, আঁচড় কেটেছ পিঠে, কামড়ে দিয়েছ কান

তাই তোমার কাছেও প্রশ্ন
তাহলে তখন কি?

🚲ডট.পেন




২.)
[ দায়িত্ব আছে বৈকি ]

ছেলেটার স্বপ্ন চোখে, দেখছে বাতি
ইচ্ছে ভীষন জেদের প্রতীক, গল্প পাতি

নিরুপায় শুকনো হাতে, কোন সুবাদে
এই পৃথিবী শাসন হবে কোন আঘাতে

তবু ঠিক দুধের দামে করল বড়ো মায়ের স্নেহ
বাবা'টার ঘুম আসেনা, রিক্সা টানে ব্যাথার দেহ

শ্যামলের পুলিশ বাবা ভীষন টাকা সায়েন্স পড়ায়
যে পিতা মজুর খাটে সেও তার ইচ্ছে নিয়েই
স্বপ্ন দেখে পয়সা ছাড়ায়

দিনমান কষ্ট করে, রোদ-জল-বর্ষা মাথায় অনার্স টেকায়
সে ছেলের সুখের আগে বাবার জন্য নিজের লড়াই

বিধবা মায়ের চোখে স্বপ্ন আঁকা জল-পারদে
টুকটাক মটরশুঁটি খুলছে খোসা, এইচ.এস পড়ছে খোকা শীতের রোদে

যে ছেলে,মেয়ের কেবল শখের দামে স্বপ্ন কেনা
সে ছেলে,মেয়ের উচিত দায়িত্বতেই জীবন বোনা

যারা চোখে ফুটিয়ে ছিল এই পৃথিবীর রোদের ছিটে
দায়িত্ব বাড়তে থাকে, বড়ো হওয়া ভরসা প্রদান চওড়া পিঠে

যাকে তুমি স্বপ্ন দেখাও, নন্দনে সিনেমা দেখে ফুচকা খেলে
তোমাদের উচিত তাকেই..., জীবনে জড়িয়ে নেওয়া, মেয়ে বা ছেলে।

বাবা-মা এমন কোনো ম্যাজিক জানে বলেই পারে
না'তো কি এমন ভাবে আগলে রেখে মানুষ করে, যতই হারে।।

🚲ডট.পেন (সুদীপ্ত সেন)


৩.)
নতুন বছরে কিছুর বেশি মৃতু হবে
জন্ম হবে তারও বেশি
বিবাহিত হবে বহুজন
ধর্ষিত হবে চম্পা এবং চম্পার মতো আরও
বল্টু কাকু ধর্ষক হবে, আরওজন হবে শুধু উনি কেনো?
চাকরি পাবে কিছুজনের চেয়ে বেশি
প্রেম গড়ল, প্রেম ভাঙল আরও কত কি হলো
সব খবর  আসবে না
সিনেমা হবে, মিছিল হবে, অবরোধ অনিবার্য
পতাকা উড়বে, পত্রিকা হবে,
কান্না হবে, হাসি হবে, আরও কত কি হবে।

নাভির নীচ অব্ধি খবর যাবে

আবার একটার বেশি ব্রীজ ভাঙবে, সেখানে বসবাস কারি সবাই মরবে শুধু বেঁচে গেল সদ্য জন্ম হওয়া শিশুটা। সেও মরবে পরে
কিংবা কুড়িয়ে নিয়ে যাবে কেউ!

ডাক্তার, পুলিশ,শিক্ষক মার খাবে

আপনি পিকনিক করুন,
এসব ঘটলে আপনাকে স্ট্যাটাস দিতে হবে
আপনাকে মোমবাতি মিছিল করতে হবে
আর হ্যাঁ এনকাউন্টার হবে বুঝলেন, আপনাকে না তার প্রমাণ চায়তে হবে

না'না আজ মদ খান,আজ ৩১ শে ডিসেম্বর
আজ মদ খাওয়ার দিন

সবাইকে জানান happy new year
আর হ্যাঁ কবিতা লিখুন ফেসবুকে, কবিতা মাস্ট
আর বই করবেন না? করুন, করুন
বন্ধুদের বলবেন ভাই পাশে থাকিস, হ্যাঁ কিনিস বলবেন না, বলবেন পাশে থাকিস
ও বুঝে যাবে নিজেই..,খুব বুদ্ধিমান মানুষ।

@সুদীপ্ত সেন

৪.)
যারা রেখে যায় হাত, ছেড়ে গেলে করে নালিশ
আমিও ভেতর ভেতর ভাঙতে থাকা ক্ষতর পালিশ।

যারা যায়, ফেরবেন না আর বলেই পালায়
পালানো'তো পা এর খেলা।
পারলে পালিয়ে দেখো চুমু দাগ মোছার বেলায়।

কোনো এক অতীত চুমু থেকে যায় চুলের দাগে
না ফিরলে চুমুও মোছো, ভেঙে ঘর পালার আগে

5.)
| তফাৎ বুঝি |

ভিড় জমাটি রাস্তাঘাট
অল্প চেনা দমদমে
সন্ধ্যে হলেই ফুটপাতিয়া
উষ্ণ চায়ের গন্ধ নে।

বন্ধু চেনা শৈশবের
সন্ধ্যে ছিল চনমনে
খাই না পেঁয়াজ শুক্রবার
বললে বেছে দিচ্ছি নে।

তোমার থেকে প্রথমবার
পেঁয়াজ বাছার কারবারে
আমিও কেমন স্তব্ধ হয়
তোমার এমন আবদারে।

আর কিছুক্ষণ হাঁটলে হতো
এখনই অটো কি দরকার?
তফাৎ বুঝি এখন আমি
প্রেমিক এবং বন্ধুতার।


6.)
লেখার নামঃ- নাম দিলাম ভালো থেকো

একটা সুস্থভাবে ব্রেকআপ হতে পারতো
একটা সুস্থভাবে ব্রেকআপ

প্রেমটা হটকারিতায় হয়েছিল ঠিকই....।
ব্রেকআপ না'হয় সুস্থ ভাবেই হতে পারতো

না'না সুস্থভাবে মানে অফিসিয়াল বলছি না
তবে এই যে নিজে নিজে ভেবে ভেবে, কষ্ট পেয়ে, কথা শুনিয়ে ব্রেকআপ করলি
এই যে দোষ দিলি, সারা শহর....শুনল
 এত্তো'টা রেগে গেলি,বাড়ি ফিরে জ্বর হলো তোর।

ব্রেকআপটা'না সুস্থভাবে হতে পারতো

হয়তো একটা গান গাইতাম..."কিছু চাই না আমি আজীবন ভালোবাসা ছাড়া"....

হা হা হা.. বা হয়তো আগের মতো দুজনে একটা চুমু খেয়ে বলতাম আজ থেকে আমাদের  ব্রেকআপ কিন্তু, মনে থাকবে?

কিংবা একসাথেই না'হয় 'স্পর্ধা' দেখতাম

তা না করেই হুট করে ব্রেকআপটা করে নিলি।

বুঝি না ভেবেছ? কিরকম বানিয়ে বানিয়ে কথা বলছিলে সেদিন, রাগটাও যেন বানানো...
মনে হচ্ছিলো রাগটা যেন সোনাঝুরি গাছের ছাল
খসে খসে পড়ছে যেন।


ওসব তোমায় মানায় না, তার চেয়ে কয়েলটা পুড়ে যাবে ফ্যানটা বন্ধ করে দাও
দিদা কখন থেকে বলছে

দিদার তো বয়স হয়েছে নাকি, আমার মতো কী অতবার বলতে পারবে?

প্লিস, একবার শোন অন্তত, একবার ফোন কর!!

🚲সুদীপ্ত (ডট.পেন)

7.)

পোষা রাগ
---------------সুদীপ্ত সেন

ধরো এমন হলো কোনো, রাস্তা জুড়ে রোদ
তুমি ভেবেছ কখনও, আমরা রাস্তা থেকে ফেরত।

ধরো রাগ করেছ তুমি, আমি বোঝাতে আইসক্রিম, তুমি ঠান্ডা হবে কিনি?
দূরে গঙ্গা পারে এসে, দুজন চুপচাপে বেশ বসি
তোমার চোখ দুটিতে তখন এক আদতে রাগ পুষি।

আমি বসিয়ে দিলাম তাতে, দূরে রোদের থেকে কিনে
এক নরম কোনো আভায় ঠোঁট ঠোঁটের কথা চেনে।

তুমি ফিরছ বাড়ি এবার, একা ব্যালকনিতে হাঁটো
একা আমরা দুজন ফোনে, ছাদে চুপটি করে রাতও

তোমার রাগ গিয়েছে গলে, কাল ঠাকুর দেখে আসি?
আমি ভাবছি অন্যকথা, তোমার চোখে মুখে হাসি
রাগ ভাঙালে কি হবে, সে রাগ চালায় বারো মাসই।।


8.)
তোমার ফিগারটা না হেব্বি
উফফ, তোমাকে এই স্কার্টটাই দারুণ লাগে
যারা তার প্রমিকাকে এসব বলে, তারা জানে না

তবে

প্রেমিকার টিপ কপালের খুব ওপরে হয়ে গেলে
সেটাকে আবার ঠিকঠাক জায়গা করে বসিয়ে দেওয়া ছেলেটা জানে

প্রেম করার জন্যে আঘাত লাগে না
ভালোবাসতে গেলে আঘাত লাগে।

🚲 ডট.পেন




9.)
প্রশ্নঃ- আচ্ছা এমন কিছু আছে যা তুমি করতে পারোনি?

উত্তরঃ--হুম আছে তো, আমি  ওদের মতো কখনও বলতে পারিনি জানেন, যে আমার লেখাতে কমেন্ট করো কিংবা ধরুন বলতে পারিনি আমার ইউ টিউব চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করে দাও।

প্রশ্নঃ- আচ্ছা তুমি সব চেয়ে ভালো কি পারো?

উত্তরঃ- উম, বলব কেনো?

প্রশ্নঃ- না'না বলো বলো?

উত্তরঃ-🙈, আমি সবচেয়ে ভালো পারি প্রেমিকার টিপ টা কপালের সঠিক জায়গায় বসাতে।

প্রশ্নঃ- আর এমন কিছু আছে যেটা তুমি হতে চেয়েছ কিন্তু পারোনি?

উত্তরঃ- হুম, আমি ভালো প্রেমিক হতে পারিনি আর কোনো দিন ক্লাসে ১ম হতে পারিনি।

১০.)
| ভাগশেষের ভাগ |

ওর যেরকম রঙ লাগে না গায়ে
সন্ধ্যে হলে আলোতে এসে বসে

তারও তেমন নিয়ম বাঁধা পায়ে
মজুর খেটে ক্লান্ত হয়ে খসে

ওর যেরকম ইচ্ছে হওয়া শরীর
ভাল্লাগে না স্তব্ধ হতে তখন

তারও তখন চোখের নীচে গভীর
ওরম সময় ভাল্লাগে না যখম

হাতের কাছে বুক পেতে সে ভাবে
আজ কিদারুণ চাহিদাঘন পীড়া

হাত ছুঁয়ে যায় তবুও ভাবে কবে?
ক্লান্তি আরও ছুঁয়েছে তার শিরা

এরম ভাবে দিন যাপনের তাগিদ
হাজার'ভাবে ইচ্ছে যায় চোটে...

প্রত্যেকদিন শুকনো থাকে নদী
চোখ ভিজিয়ে স্বপ্নে কুঁড়ি ফোটে।

🚲ডট.পেন( সুদীপ্ত সেন)







Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...