Skip to main content

শীতের সফরনামা

শীতের সফরনামা

গায়ে থাক সোয়েটার, সোয়েটার গায়ে থাক
গায়ে থাক, পায়ে থাক মোজা জোড়া মোড়া থাক
তার শুধু দাগ থাক স্পষ্ট

লোক থাক রাস্তায়, যারা থাকে সস্তায় তারা থাক।
বাকি থাক যা'কিছু চোখে পরা অভাবের কষ্ট

মিশে থাক কুয়াশা, মিশে থাক হাওয়াতে
মিশে থাক, থাক মিশে, মিশে মিশে যাওয়াতে

মিশে যাক দুটি মন, মিশে যাক জড়িয়ে
মিশে যাক ঢাকুরিয়া লজ্জাকে সরিয়ে।

বেড়ে যাক তোলপাড়, ভেঙে যাক ব্যারিকেড
ভেঙে যাক যুদ্ধ, 'রাম' পাক 'ম্যারি'কে
উঠে যাক সব বিল, উঠে যাক চিৎকার
বেড়ে যাক ঠান্ডা, বেড়ে যাক ধর্ষন
বেড়ে যাক চুপিচুপি শরীরের ঘর্ষণ
বেড়ে যাক জবাবের, জবাবের নেই লোক
বেড়ে চোখ ছলছল পেঁয়াজের দামে হোক।

টোপাটোপ গুড়ে হোক নলেনের সন্দেশ
জিভে হোক, স্বাদে হোক, পিঠে হোক বাড়িতে
যারা খেতে পেলো পাক, বাকি যারা পেলো না
যেন হয় এমনই, এমনটা যেন হয়। দেখলে না  তুমি তাকে.....
বাড়ির ওই ছোটো মেয়ে চুপি চুপি রাস্তায় তাকে এসে দিলো না?
তাকে মানে নিরুপায়। যে, পথে হাত পেতে খায়
তাকে মানে ফুটপাতে, ঘুম পেলে শুতে চায়।

এইভাবেই স্বপ্নে শীতেদের বাড়ি হোক
বাড়ি ফিরে এলে পরে পাটিসাপ্টা'টা হোক
খেতেখেতে ধোঁয়া হোক, খেতেখেতে চুপিচুপি
ফোন করে প্রেমিকাকে সে খবরও দেওয়া হোক।

মিশে যেতে যেতে যাক....দূরে যাক যে যাবার
কেউ কাছে এসে থাক, জুড়ে যাক ফের আবার

শুধু থাক শীত রোজ, রোজ রোজ শীত থাক
আর প্রেমিকার শরীরের স্নান করা তোলা থাক
যে প্রেমিক বলেছিল গন্ধটা চিনি তোর
সে প্রেমিক বেঁচে থাক, গন্ধটা নাখে থাক
বাকি যত ন্যাকামু, ব্রেকআপের গোষ্ঠী
এই শীতে তারা শুধু আগুনের কাছে থাক
খেতে মদ বাহানায় ফিস্ট হয়ে বেঁচে থাক।

আর থাক রাত জাগা, পার্কস্ট্রীট জেগে থাক
জেগে থাক হওয়া আর রাস্তারা জেগে থাক
জেগে থাক ঝগড়ার সুরবাৎ জেগে থাক
জেগে থাক মিছিমিছি, একা একা জেগে থাক
যে রোজ ছেড়ে যাওয়া কথা গুলো গাইতো
সে  নিজে দূরে গেছে, সেও আজ জেগে থাক
আর রাতে হিম শীতে, কানে গুঁজে হেডফোন এটুকুই স্রেফ শুধু জেনে থাক
যাকে তুমি ছেড়ে গেলে সে, না বলা কথার খোপে তোমাকেই চাইতো

হ্যাঁ, যাকে তুমি ছেড়ে গেলে সে, না বলা কথার খোপে তোমাকেই চাইতো।

🚲ডট.পেন










Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...