Skip to main content

ঝুম এবং বাবাই দা

|ঝুম এবং বাবাই দা |

যেখানটাতে  রোদ পরে রোজ, পাড়ার মোড়ের একটা দোকান
সেখানটাতেই হঠাৎ দেখা... তোমার-আমার।

তারপরে রোজ-রোজই যেতাম। যাওয়ার সময় একটা শালিক
বুঝতে পারি এটা নিছক খামখেয়ালি। আর কিছু নয়...।

তোমার সাথে প্রথম আলাপ ফেসবুক পেজ, 'কালপুরুষে'
দেখা বোধহয় সেদিনই ছিল, তাই ওটাই  এখন হঠাৎ দেখা
আর বাকি সময় চাকার মতো পেরিয়ে গেছে... দু-গাল দিয়ে।

মধ্যেখানের ঝড়ঝাপটা নিছক যেন প্রথম ম্যাথের ক্লাসের মতো
মধ্যেখানের খুনসুটি মন নিছক যেন টিফিন পিরিয়ড
মধ্যেখানের মেলামেশা নিছক যেন রূপকথারই এভিডেভিড।

এখন সবই অতীত বেজায়, পাঁচ তলা মল সবই ব্লক
তোমার ফোনের ম্যাসেজ থেকে ফোন কলস্ আর সেসব ছবি।

সেদিনের ওই বাবাই দা এখন একটা দোকান চালায়...
ঝুম এখন নাম করেছে, বইমেলাতে বেস্ট সেলারের প্রথম কবি।

এই যে, হঠাৎ দেখার গল্প এখন শুনছে সবাই, এটা তাদেরই সেই গল্পকথা
আমি একটা নিছক প্রাণী যে কলম হয়ে লিখতে এলাম
ওদের এখন ব্রেকআপ বোধহয় তাই তো তাদের আর দেখি না।

যে পাশ দিয়ে ঝুমের বাড়ি, ব্রেকআপ হওয়ার পরের দিনই বাবাই দা'কে আর দেখি না। অথচ রোজ... যেতো রোজ....

এখন সে এক দোকান চালায়...
হঠাৎ দেখার ভিড়ের মাঝেই ঝুমের এখন দারুণ সু-ডাক
কিন্তু ভেবে ভালোই লাগে তাদের ওসব কাব্যিকথা।

ব্রেকআপ হলেও থাকব পাশে ঝুমের এমন জবাব ছিল
আসলে তা হয় না এমন, জানতো বোধহয় বাবাই দা ঠিক
তাই দুজনেই দু-পাশ দিয়ে নিজের মতো বদলে গেছে

খাটের ওপর "ফের দেখা হোক" ছড়িয়ে আছে একটা মলাট
এক গোছা ওই ফুলের তোড়া, ধূপকাঠিদের ধূপধূপানি
হাওয়ার মতোই মিলিয়ে গেছে হঠাৎ দেখার স্পষ্ট তারিখ।


🚲ডট.পেন (সুদীপ্ত সেন)





Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...