Skip to main content
১.)
| শহরে পড়তে আসা ছেলের শহুরে বান্ধবী |
-------------------------------------------------------------

ঘুম ভাঙিয়ে পেরিয়ে গেল ট্রেন
ভোর তখন সকাল হবার মতো
এই শহরে প্রথম পথে নামা
যদিও ট্রাফিক বুঝিয়ে দেওয়া হতো

তবুও তুমি এসেইছিলে।

আসল ছুতো দেখা করার হেতু
প্রথম তোমার জড়িয়ে ধরে আমি
পেরিয়ে গেলাম ওভার ব্রীজের সেতু।

চিনিয়ে দিলে কোথায় আমার মেস
চিনিয়ে দিলে কলেজ তোমার কোথায়
ভিখারিটাকে পয়সা দিলাম আমি
এমন করুণ হলাম তোমার কথায়।

এবার বিকেল,মেঘ করেছে আকাশ
গরম শহর, ঠান্ডা শুধু গ্রামে
আবার দেখা তোমার সাথে হবেই
ওড়না নিলে বুকে আমার নামে।

পেরিয়ে যেতাম শহর থেকে দূরে
ইচ্ছে ছিল প্রচুর কাছে থাকি
ওড়না তোমায় হোঁচট দিল পথে
হাতের কাছে হাতের মুঠো রাখি।

পেরিয়ে গেল দিনের গায়ে দিন
সেফটিপিনের লাগাম ছিল কোথায়
প্রথম ছুঁলাম কাঁধের কাছে হাত
পেরিয়ে গেলে তোমার কলেজ যেথায়।

ঠিক কালকেই ফুরিয়ে যাবে সময়
বোতাম হবে সুতোর কাছে ঋণী
আসার পথে হয়নি দেখা আমার
তবুও তোমায় নিজের বলে জানি।

🚲সুদীপ্ত

২.)

২.)
[চুরমুর থেকে চুরমার অবধি]

কিছু মাস আগে শীত চলে গেলে বসন্ত এসেছিল, সেও চৈত্র সেলে ফুরিয়ে গেছে আর এখন বৈশাখ
আজ পেরবে, কাল পেরবে পরশু দিন।

তোমার সাথে কথাও ফুরিয়ে গেছে, তবুও এতো কথা জমানো থাকে রোজ। যেমন পারফিউমের কৌটোয় জমানো থেকে যায় গন্ধ ঋণ।

প্রতি বিকেলে ঝড় উঠে,বৃষ্টি হয় বা শুধু এ ঝড়। আমার মুঠোফোনে লোডশেডিং।

আমার মন তবু স্যাঁতসেঁতে, যেমন প্রতিদিন ঝড় বিকেল। শাড়ি উড়ে গেল অন্য ছাদ। ঝগড়া নিশ্চুপ তর্কহীন।

🚲সুদীপ্ত

৩.)
যেভাবে ফুরিয়ে যাবে অঙ্ক কষা
যেভাবে ফুরিয়ে যাবে ফুচকা গাড়ি
সেভাবেই ফুরিয়ে যাবে দিনের মতো
রাত্রি এসে, তিন বছরের কার্ফো জারি।

ফুরবে চারতলা ঘর, ক্যান্টিন জল
ফুরবে ক্লাসের জটিল সব কোলাহল
ফুরবে স্যার-ম্যাডামের ক্লাসের হিসেব
ফুরবে ক্রাশ খিয়েছি এক নিমিষে।

ফুরিয়ে যাচ্ছে দেখ, এগোচ্ছে দিন
ফুরিয়ে ফুরত হয়ে মেসিন বিকল
ফুরিয়ে যাচ্ছে দেখ মাঠ-ফোয়ারা
ফুরিয়ে বাঁধন খোলা হচ্ছে শিকল।

যেভাবে ফুরিয়ে গেল 1st ইয়ারের
সেভাবেই SECOND ইয়ার চুপ সাইক্লোন
জানে মন 3RD ইয়ারের 5TH সেম CUT
এভাবেই ঘুম ভাঙা চোখ, কাল প্রাক্তন।


🚲সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)

৪.)
সেই ছেলেটা, যে প্রথম আধফোটা প্রেমিকার হাত নেড়ে বলেছিল
বৃষ্টি, তুই শুধু আমার জন্য ভাব

মিনতির মা তার স্বামীকে বলেছিল, কাল থেকে মদটা ছেড়ে দাও

মন্টু, বিকাশ,সৌরভ এরা তাদের বাবাকে বলেছিল
এবার উচ্চমাধ্যমিকটা দিয়েই তারা REDMI NOTE 5 PRO কিনবে
অথচ তাদের বাবার ক্ষমতা ছিলো না।

বিধবা মা তার ছেলেকে বলেছিল
এবার একটা চাকরি জোটাও, নইলে আর পাচ্ছি না.........
ছেলেটি কিচ্ছু বলেনি।

পুরোহিত বলেছিল মা'গো আজ প্রচুর প্রচুর ভক্ত আসুক তোমার কাছে,

১০ বছর প্রেম করতে থাকা ২৯ বছরের মহিলাটি তার ৩৬ বছরের বেকার প্রেমিককে বলেছিল এবছর PSC টা লাগাতে হবেই......নইলে............,
আর বলেনি।
বাকিটা নিজে থেকেই বুঝতে হলো যুবককে।

সবাই একটা করে চাহিদা হতে চায়
অথচ চাহিদা পূরণ করার মতো কেউ হয়নি
নইলে এতো দুঃখ হতো কেন?

🚲সুদীপ্ত



Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...