Skip to main content
১.)

ধ্বংস

এতো হিংসা, এতো যুদ্ধ
তবু কবিতা লেখে বৃদ্ধ।

চাই ঘন্টা, থাকি কোরানে
সব সত্যি লেখা পুরাণে?

এতো বুলেট, নীচে রক্ত
তাও শত্রুর কত ভক্ত।

ওরে ধর্ষক, ওরে গীর্জা
তবু বন্ধু শুভ-মির্জা।

পাতা খসে যায়, মরে শিশু
ক্রুশ বিদ্ধ হয় যিশু।

তবু ইশ্বর, তবু আল্লাহ্
সব চুপচাপ দুই পাল্লা।

🚲সুদীপ্ত

২.)
[ রূপম ও সোমা ]

পথের সাথে সাইকেলে রোজ তোমার-আমার স্কুলের পড়া
এক সময়ে চলব তবেই ঠিক সময়ে যাওয়া হবে
তোমার জন্য নষ্ট করে ভাত দিয়েছি খাক ওই চড়াই
একটু দেরি হলেই তুমি দলছুট আজ হতই তবে।

সাইকেলে রোজ যাওয়ার সময় তাকাও যখন প্রেসার বাড়ে
শাল বন পথ বুঝতে পারে এদের বুঝি প্রেমেরবিলাস
ভয় পেয়েছি তবুও তোমার তাকানোতেই নজর কাড়ে
একটু তোমায় ছুটির পথেই ছোঁয়ার জন্য চাই অছিলা।

ছুটির পথে তাই চেয়েছি। শান্ত দুপুর একটু তাকাক
শান্ত সবই শালের পথে নির্বাক সব এদিক-ওদিক
শুকনো দুপুর তবুও শুধু সুযোগ গুলো হাতড়ে না পাক
এটাই বোধহয় লক্ষ ছিল, বজায় তোমার আজ অবধি।

বলেই দেবো আজকে সোমা, সঙ্গে যাবি আজকে কোথাও
ওই নদীর ধারে বসব নাহয়, বিকেল বেলার শান্ত বালি
বললে তুমি বসব শুধু আর কিছু না,অসভ্যতাও
আমিও হাসি নরম করে, রাজি হয়ে তাতেই চলি।

বৃষ্টি হলো দেদার পথে শান্ত বালি আরও নরম
সোমা তোমার চুলের খোপা দাও খুলে দাও সমস্তটা
ইচ্ছে তুমি খোপার সাথেই নিজের থেকেই উজাড় করো
রূপম তুমি ভয় পেও না এটা স্পার্ম নয় ঠিক, ঘামের ফোঁটা।

৩.)
#ভোটের_পেগ

উড়ছে ধুলো, মাইক গুলো
বেজায় খুশি শ্যামল
কোন দলটা এগিয়ে যাবে
ঘাসফুল না নাঙল।

লিখছে তুলি দেওয়াল গায়ে
বলছে বাণী নেতা
খুব রোদ তাই সানগ্লাসটা
ভাবছে লোকে কেতা।

ডুবছে চায়ে, গুনছে পটা
চায়ের দোকান ভীড়ে
খুব গরমে মিছিল এলে
বাতাসা আর চিড়ে।

সন্ধ্যেবেলা তর্ক জমে
তর্ক জমে পাহাড়
বন্ধু তুমি বিরোধী দলের
তর্কে তবু বাহার।

ভোটের দিন, পটলা'টাকে ডাকতে গেলে-------

বলল দাদা দাঁড়াও তুমি
মনে করি তাদের
কাল রাতে পেগ খাইয়েছিল
কোন দলটা আগে!!

🚲সুদীপ্ত


৪.)
#BOOK_দিন
-------------

কাকা বলে বই পড়
কাক বলে যা
জলে মোষ ডুবে গিয়ে
ভিজিয়েছে গা।

সেই দেখে ছুটে যাবো
আনন্দ নিতে
বই ফেলে প্রকৃতির
শেখো কোলে-পিঠে।

বই পড়ে কত জন
গুরুজন ফেলে দেয়
মনীষিটা হতে গিয়ে
অমানুষ হয়ে যায়।

তার চেয়ে বই থাক
আগে প্রকৃতিকে জানো
ভয় নয় ভালোবেসে
গুরুজন মানো।

তাই কোনো জোর নয়
যেটা করে করুক
ছোটো থেকে ভালোবেসে
প্রকৃতিতে বাড়ুক।

🚲 সুদীপ্ত সেন

৫.)
#ব্রেকআপ

একটা বাচ্চা মেয়ে, কোথা থেকে এসে বলে। এই নাও একখানা ফুল
আমি তো ড্যাম শিওর, মিটিয়ে পয়সা দিয়ে। ফুলের গায়েও থাকে ভুল।

তবু তো নিতেই হলো। গন্ধ ছড়িয়ে গেছে। বলেছে বাচ্চা মেয়ে তাই
আমি তো দাঁড়িয়ে ছিলাম। মেয়ে তো মিলিয়ে গেল ঠিক তার বাড়ি যেথায়।

এতো তো দেখছি সবই, তবুও স্নিগ্ধ হয়ে গন্ধ ফুলের কাছে ঋণী
এতো বছর গেলো। পথের ভাঁজেই কত ফুলের দোকান ছিল, তবু তো কখনো কিনিনি!

দু-দিন পরেই ফুলে ঝরবে গন্ধ সবই, শূন্য প্রেমের মতো হয়ে
এরমই হওয়ার ছিল। দু-দিন বেসেছি ভালো। কিনেছি কারণ ছিল মেয়ে!

🚲সুদীপ্ত















Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...