Skip to main content

 

সব থাক একসাথে

১.)
ভঙ্গুর
--------সুদীপ্ত সেন

আর কিছুদিন দাঁড়িয়ে যেতে
দাঁড়িয়ে যেতে আর কিছুদিন,
থামতে তোমার বারণ ছিলো
কারণ ছিলো হাজার রকম

সন্ধ্যে হতো, রাত নামতো রাতের ওপর।

তোমার চোখের মধ্যে থেকে
মধ্যে থেকে তোমার চোখের
বুঝতে পারি ঠিক কতটা
বিপর্যয়কে জয় করেছি

সন্ধ্যে হতো,রাত নামতো রাতের ওপর।

আর কিছুদিন থাকলে বোধহয়
থাকলে বোধহয় আর কিছুদিন
সরকারি নয় এমনি অফিস, তবুও....
মুঠোয় দুইবেলা রোজ চলেই যেতো।

এখন  বুকের ওপর বুক থাকতো আর
সন্ধ্যে হতো, রাত নামতো রাতের ওপর।

২.)
কবিতার নামঃ- তোমার-আমার
-----------------সুদীপ্ত সেন

তোমার সাথে ছিন্ন হওয়া, ভিন্ন হওয়া এক নিমেষে
তোমার সাথে ঝগড়াঝাঁটি, কপালভাতি এক ঘরে রোজ।
তোমার সাথেই গল্প গুজব, বই পড়া রাত, দুপাশ ফিরে
তোমার সাথেই অনেক রাতে মেঘের ভেতর হচ্ছি নিখোঁজ।

তোমার সাথে থাকতে এলাম, তুমিও এলে আমার সাথেই
তোমার সাথে তখন ছিলো সাহস হাজার দেখার মতো।
তোমার সাথেই থাকবো বলে আমার সাথেই তোমার আসা
তোমার সাথেই তোমার বাবার আমায় নিয়ে ঝগড়া হতো।

তারপর ঠিক আগষ্ট থেকে তমুল ভাবে ভাঙলে তুমি
পাল্টে গেলো একটু করে একখানা ঘর, রান্নাবাটি।
আজকে তোমার চাকরি শুনে তোমার বাবা ফোন করেছে, ব্যস....
পরেরদিনই বদলে গেলো বিষয় গুলো ঝগড়া ঝাঁটির।

নিঁখুত এখন দিন চলে যায়, আমার এখন একলা থাকা
তোমার সাথেই তোমার ওয়ার্ডের যে ডাক্তার, ভীষণ জলি...
সেদিন বাসেই আলাপ হলো তাই জানলাম তোমার কথা
তোমার আমার খবর জানে আমার পাড়া এবং জানে শহরতলি।

-----------------------------------------------
নামঃ- সুদীপ্ত সেন
ফোনঃ- ৭৩৮৪৩২৪১৮০
ই-মেইলঃ- sudiptasenofpaikar@gmail.Com

৩.)
কবিতার নামঃ- তবুও অপেক্ষা
------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
থিমঃ-তোমার অপেক্ষায়

আর বেশি দিন নেই, হাতে গোনা গোনা দিনগুলো
ফুরিয়ে যাবো যাবো করছে
আর বেশি দিন নেই।

এই যে আজকে দেখা হবে তারপর আর নয়,

তোমার কলেজ শেষ আর আমি একা কলকাতায়
তারপর থেকে ওই মেডিকেল কলেজের সামনে আমি আর দাঁড়াবো না
বিশ্বাস করো বাবা মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল আমার একদম ভালো লাগে না
তাও তোমার জন্যে যেতে হতো, যেতাম।

মেডিকেলের ৬ নং গেট দিয়ে বেরিয়ে মেট্রো ধরে রবীন্দ্র সদন আর যাবো না বলেই ঠিক করেছি,
দ্বিতীয় পুরুষ দেখে এসে দ্বিতীয় পুরুষ হয়ে যাবো জানলে.....,
আর হ্যাঁ বিশ্বাস করো কলেজ ফুরিয়ে গেলে  প্রেমিক যে প্রাক্তন হয়ে যায় একথা জানলে--
সেদিন অন্ততঃ একবার তোমায় বলতাম, আজ টিপ পড়ে আসবে প্লিস
চান্স মিস করতাম না!

আসলে অপর পক্ষে উপেক্ষা থাকে বলে, অপেক্ষা থেকে যায়।

ও তুমি বুঝবে না, ছাড়ো....

৪.)
কলকাতা

তোমার প্রতিটি অলিগলি, ট্রেনের যানজট,
তোমার রাস্তার ভিড়, হকারের চিৎকার
তোমার ট্রামগাড়ি, অচেনা তবু বান্ধবীর মতো মেয়ে
তোমার মানুষ টানা রিক্সা, তোমার কালো হলুদ ট্যাক্সি যদিও আজকে ওর সবটা হলুদ হয়ে গেছে তবুও ক্ষতি নেই....

তোমার টলি পাড়া, তোমার যাদবপুরের রাস্তা
তোমার কলেজস্ট্রীট, বই-এর গন্ধ
তোমার কলেজ স্কোয়ার, আমার প্রেমিকার চোখ
তোমার নরম স্নেহের ফুটপাত, খিদিরপুরের আজান

তোমার প্রেমিকের পাঞ্জাবী, একচাপাল দাড়ি,
প্রথম চুমু হয়ে যাওয়া মোহরকুঞ্জ
প্রথম নন্দন, ফাঁকা পার্কস্ট্রীটের চার্চ
সাদা ভিক্টোরিয়া, রাস্তায় হেঁটে বেড়ানো তরুণ যুগল
ব্যাপক উত্তেজনায় ব্রা-এর স্ট্রাপ খুলে ফেলা ভিক্টোরিয়ার গার্ডেন
রবীন্দ্র সরবরের রোদ, চিরিয়াখানার শীত
কিংবা বাগবাজারের  ঘাট
তোমার জোড়াসাঁকো, প্রিন্সেপঘাটের সন্ধ্যে লেগে আসা তোমার ঠোঁট

পুজোতে ঘুরে বেড়ানোর উত্তাল ফূর্তি
কিংবা ভীমনাগের অথবা পুটিরামের সন্দেশ
বা প্রথম প্রেমিকার কাছে আবদার করে লস্যি খাওয়ার দিন

এসব আমার সবই ভালো লাগে কলকাতা অথচ এটা আমি জেনে গেছি আর আজ তুমিও জেনে রাখো তিলোত্তমা

কলকাতা ভালোথাকার শহর নয়, কলকাতা ভালোবেসে হেঁটে বেড়ানোর শহর।

@ডট.পেন

৫.)
ঠাকুরের বিবাহবার্ষিকী

ফুটছে আলো। জ্বলছে তারা, আকাশ থেকে ঠিকরে এলো আভা
এমন কেনো জ্বলছে আলো আকাশ জুড়ে, এটাই এখন আজ সারাদিন ভাবায়।

আমার পাড়ায় সন্ধ্যে নামে। ফুচকা ফুরোয় তেঁতুল গোলা জ্বলে
এমন সময় শাঁখ বাজল। প্রার্থনা আয়....,ঠাকুর ঘরের ওইখানে মা বলে

গেলাম চলে। মায়ের শাঁখে প্রনাম করে প্রার্থনাটা শুরু
আকাশ বাতাস, বয়ছে হাওয়া, ফিরছে পাখি, বৃষ্টি এলো কাঁপছে কিছু তরু।

এমন কোনো শ্রাবণ দিনে। এমন কোনো বৃষ্টিপাতে
জোনাকি জ্বলে করছে ঝিকিমিকি
প্রণাম নিও পরম পিতা, পরম মাতা জানাই তোমায় বিবাহ বার্ষিকী।

৬.)
প্রথম চুমুর বালক
কলমেঃ- সুদীপ্ত সেন

আয় তো দেখি সহজ করে এবার
আয় তো এখন চুপটি করে কাছে
দেখছে দেখুক লোকের ওটাই কাজ
আমার কাজ তো, ঠোঁটের ওপর আছে।

ভিজছে ভিজুক কোলেজ স্কোয়ার তখন
ছাড় তো, হ্যাঁ দেখছে দেখুক, ও'তো  শালিক
শোন লজ্জা থাকুক ভয় করিস না আজ
আর আমরা এখন নিজেই নিজের মালিক।

চুপটি করে সাজিয়ে তোকে ধরে
বলব তোকে ঠোঁটের চাবি কোথায়
তোমার ঠোঁটের তালা ভাঙার নামে
কলেজ স্কোয়ার ডুবলো অসভ্যতায়।

এই টুকু থাক। বাদবাকিটা লিখে পাঠাবো তোর ঠিকানায়
ঠিক শুনেছো, প্রথম চুমুর জন্মটা হয় ভীষণ রকম উত্তেজনায়।

৮.)
ব্রিজের নীচে ঘর
-------------------

ওদের পাড়া ঘর। নীচুর রাস্তা
ওদের ঘরদোর ছড়ানো ছিটানো
ওদের জামা গুলো রোদেলা দুপুরে
কোথায় বাজে আজ শান্ত পিয়ানো?

ওদের ভাত নেই। দিনের উপোসে
ওদের হাঁটুজল। অল্প দাবী আর...
ওদের পোয়াতি মেয়েটা ব্যথাতুর
একটু একপাশে মাটিতে শোয়ানো।

ওদের বৃষ্টির ওপরে চিৎকার
ওদের পুজো নেই। নেই তো হুল্লোড়
ওরাও মাল খায়, অল্প টাকা দাম
ওদের শীত কাটে একটা চাদরে।

ওদের প্রেম হয়। কাউকে ভাল্লাগে
ওদের ক্রাশ আছে সিনেমা নায়কে
ওদেরও মন আছে, ফুলকে ভালোবাসে
ওরাও সেক্স বোঝে শরীরে শরীরে।

🚲ডট.পেন

৯.)
        বিরিয়ানি
-----------------সুদীপ্ত সেন

আলাপ বোধহয় ফেসবুকে হয়
ডেট ফিকস্ডটা হোয়াটস অ্যাপে
ছেলেই প্রথম পসন্দ্ শুধায়
মনের দলিল মন মাপে।

মাপতে গিয়েই ক্যাবলা হলো
দু-চোখ কাজল, মেঘ করুক
বিরিয়ানি পসন্দ্ ছিলো
ছেলের ছিলো মেয়ের ভ্রু।

আলাপ হলো অনেকটাই
এখন তারা অভ্যেসে
সদ্য প্রেমের স্বভাব তাই...
এখন সে সব বদলেছে।

একটা ঘরেই এখন তারা
বিরিয়ানির ভাগ বসে
ভাঁপেই তাদের গন্ধ ছড়ায়
আদর মেজাজ মজলুসে।

আস্তে আস্তে রাত গাঢ় হয়, ফুটছে বিরিয়ানির চাল
মাংসের স্বাদ চালের ভেতর। ঢাকলো ব্যথা লাল রুমাল।

১০.)
জিঠুর ফুচকা
কলমেঃ- সুদীপ্ত সেন

তিনটি চাকার একটা গাড়ি, একটা হাড়ি, একটা ছাতা
পাড়ায় পাড়ায় তেঁতুল গুলে, ফুচকা বেচে ঘর মে যাতা।

বর্ষা, গরম, শীত বা পুজো। স্বাদের কাছে স্পেশাল জিঠু
কি দেয় এমন? তাতেই কেমন ঘায়েল হয়ে বাচ্চা কিংবা বয়স পেটুক।

চৌরাস্তায় ঘন্টা বাজে, দাঁড়িয়ে দুজন ফুচকা লিয়া
ফুচকা নেওয়া বাহনা ছিলো। আসল ছিলো খবর দেওয়া।

খবর ছিলো কালকে থেকে ছুটি ডেকেছে ওমুক স্যারে
চাইলে  দেখা কালকে থেকে ফুচকা খাবো পাড়ার মোড়ে৷

এমন করেই বাড়ছে বয়স, ফুচকা এবং জিঠুর চুলের
ফুচকা খেতে গিয়েই ছেলে ক্রাশ খেয়েছে কানের দুলের।

মেহেনাথটা 'ক-দশ কয়ে' জেঠুই কেবল সংজ্ঞা জানে
আমরা কেবল ১০ টাকাতে ফুচকা খেলাম আপন মনে।

বছর বছর এমন করেই,  জিঠুর কাছেই ভরসা সবার
জিঠুই জানে, তেঁতুল কেমন গুললে পরে তবেই হবে প্রেমটা কাভার।






































Comments

Popular posts from this blog

১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...