Skip to main content

বছর শেষে....

 বছর শেষে...



কি হল না হল জানি না যেটা হল সত্যি কি? সেটাও তো জানি না.....  


পার্থটা জেলে গেল, বাঘ গেল তিহারে

একা খেত নাকি দিত কাউকে শেয়ারে?

 পুর দমে নিয়োগে সিবিআই নামিলো

 কেউ কেউ আনকোরা, কেউ দেখি নামী লোক।

আদালতে স্ক্রিনজুড়ে চোখ গেল মারিয়ে

পাকা ধানে বান্ধবী দিল মই বাড়িয়ে। 


স্পেনে গেল সভা হয়ে কথা হল কজনের

তাঁর সাথে ছোটাছুটি  সংবাদ স্বজনে

তাই দেখে ফেসবুকে হাসিদের ইমোজি

ওইভাবে মহুয়াকে চুপ করা বেনজির।

জানি তাঁর ভুল ছিল প্রেম ছিল হয়তো!

ছুড়ির আঘাত ছিল বিশ্বাসে নয়তো!!


এরপর দেশ জুড়ে গোলমাল তুঙ্গে

শেষমেশ কত থাকে জোটেদের সঙ্গে? 

মাঝ খানে নামী কথা বলে যেতে ভুলে যায়

গরীবের খিদে মেরে বালু বুঝি একা খায়?

বামেদের ছেলেটা গাড়ি না কি কিনল?

জল ঘোলা কম হল মুখপাত্রকে চিনল।


এরপর মারপ্যাঁচ এইখানে জমাব

সুজয় কৃষ্ণ জানে কোনখানে কামাবো?

নাকি সেও চুনপুটি কাঁটা বেছে খায় না 

কন্ঠে লুকালো কি সেটাও তো জানি না! 

এরপর চুপচাপ পুরসভা তল্লাট

ধুর ছাই কিছু নেই ইডি শুধু হল্লা।


ওরে ওটা বাণী ছিল নরেনের কি'বা দোষ?

সাংসদ রেগে ছিল মনে ছিল বিবাদও। 

তাই পথে ফুটবল মমতা লাইটের ( pro/lite)

বড় গলা খুব বেশি বোঝা যায় বাইটে। 

সাদা শাড়ি পরলেই পিসি হওয়া যায় না 

পিছনে লড়াই আছে তা ছাড়া হয় না। 


পুজো হল, বিয়ে হল, মন ভেঙে চুরমার 

মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাম সেলিমের মন ভার

অধীর চেঁচিয়ে মরে চোখ মারে বিশ্বাস

দলনেতা বাড়ি ফিরে ফেলে হাই নি:শ্বাস

যতই ব্রিগেড  হোক ভেতরে তো ঝাঁঝরা 

বিভীষণ হতে গিয়ে পদ গেল হাজরার। 


হলুদ বোমাতে ঢেকে চুপচাপ প্রধানে

কি করে এড়াবে যা লেখা ছিল বিধানে?

কোন ঘাতে পড়ে আজ জন্ম ললিতের? 

চাকরি ফাঁসিতে ঝোলা নোট লেখা গলিতে। 

কতটা কি সত্যি নাকি রাজনীতি-হিংসা? 

চিৎকার করে মরে ধরণার ইনসাফ। 


কে কাকে করছে বোকা? কে ফুটেজ খাচ্ছে?

সত্যি বিচারপতি আদৌ কি ভাবছেন?
















Comments

Popular posts from this blog

১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...