Skip to main content

একাদশ সংখ্যা


1.)
আগলাও
========
খাচ্ছে বাংলা ওরা আর বলছে বাংলা যদি
আয়নাতে গিয়ে ভাই-বোন বলে সাজতে চাইছে মোদি।
আর দেওয়াল দেখলে মুতছে, চাইছে বাংলা চলো
খিদের পেটেও তোলপার হয়ে পিছুটান ঝেড়ে বলো।
বাংলা বলছে ফুটবল আর বাঙালী বলছে বিয়ার
ট্যাক্সি চালকও হুইস্কি চায় সেটা হরদম নয় রেয়ার।
গাড়ি থামিয়ে চাউমিন আর পাউরুটি মাখা বাটার
অনেক রাতেও বোতল গলছে বন্ধ যদিও সাঁটার।
চলছে বাংলা এইভাবেই আর বলছে বাংলা বদলাও
ওই নে পাগলা মুখ দিয়ে দিল পারলে বাংলা আগলাও।
২.)
কি নাম দেব?
=========
মন যে তোমায় কোথায় নিয়ে যাবে
হিসেব কি সেই রাস্তা দিয়ে গেল?
সহস্র বার খুঁজতে গিয়ে পাবে
দেখার কারণ হতেই পারে আলো।
শীত সীমানায় স্বপ্ননীলের বাড়ি
আর কুয়াশা ভেজা একলা থাকা যুবক
নিতেই পারে অহেতুকের আড়ি
ক্লিভেজ ভেবে ধরতে পারে ধ্রুবক।
গঙ্গা কেমন একাই পড়ে থাকে
পাড়ার মোড়ে যেমন থাকে কুকুর
প্রেমকে ও'যে এক্স ধরে রাখে
চাঁদের আলোয় দেখতে থাকা পুকুর।
রাস্তা ভেবে ভুল করেছ গলি
সেই গলিতে শাড়ির ভাঁজে তুমি
আলোর কথা বলতে গিয়ে বলি
অনেক দামী চুমুর থেকেও হামি।
৩.)
বিরহ জানলা
==========
বাইরে আমার আকাশ ভর্তি তারা
বাইরে আমার পুকুরঘাটের পানা
রাতের আকাশ, মুক্ত জোনাকি পোকা
পাগলা ছিঁড়ছে বরাদ্দ রুটিখানা।
জানলা পেরিয়ে হাওয়াদের যাতায়াত
জানলা পেরল ঘরের হাওয়ার ঝাঁক
এপার থেকে ওপারের সংযোগ
বরং এবার প্রেমহীন হয়ে থাক।
শীতের কুয়াশা নিমন্ত্রণের আগেই
শহর পেরিয়ে আমাদের গ্রামে গ্রামে
নতুন সড়ক হচ্ছিলো তোর জানি
আটকে পড়েছে প্রেম বিরহের খামে।
কথা ভেঙে গেছে চুরমুর ভাবে হঠাৎ
মনখারাপের ঠিকানা জানেনা সে'তো
বহুদিন ওই বিচ্ছিরি হাসি-খানি
শুনতে পাইনি যেরকম আগে পেতো।
বিরহ কতটা কঠিন, যে কঠিনও সহজ হতে শেখে
বিরহ আমার দেখা হয়ে গেছে প্রিয়, চলে যেতে চাই প্রেম বন্ধক রেখে।
৪.)
ফেসবুকের দিদিরাও কখনও কখনও নিজের হয়ে ওঠে
মনে হয় রক্ত তৈরী হয়ে গেল তাদের সাথে ফেসবুকিয় শিরায় শিরায়
ফেসবুকের দিদিরাও ভালোবাসতে জানে
বলতে জানে আজ তোর জ্বর ভাই, ঔষুধ খেয়েছিস?
ফেসবুকের দিদিরাও কেমন যেন নিজের ওঠে
বলতে শেখায়, ভালোবাসতে শেখায়, আদর করতে জানে এমনকি ভাইফোঁটাও দিতে পারে তারা দূর.. থেকে।
ফেসবুকের দিদিরাও কাঁদতে পারে ভাই-র  কাছে এমনকি  কান্নাও ধুয়ে দিতে পারে ভায়ের চোখের
দীর্ঘদিন বাড়ি ছেড়ে থাকা মহালয়াতে না আসতে পাড়া হোস্টেলবাসী ভাইটাকে
মহালয়াও শোনাতে পারে সেইসব দিদিরা
হ্যাঁ ফেসবুকের দিদিরাও বলতে পারে ভাই পড়তে বস।
ফেসবুকের দিদিরাও কখনও কখনও ভাতৃি হারা হয়
তারাও কিন্তু নতুন ভাইকে নিজের মতো ভাবতে পারে
সেইসব দিদিরাও নিজের কষ্ট পাওয়া ব্যথা গুলো আদান -প্রদান করে ভাইয়ের কাছে
শান্তি পায়
ফেসবুকের দিদিরাও দিদি হয়ে ওঠে একদম নিজের মতো একদম নিজের
যতটা নিজের তোমার সাথে তোমাদের রক্ত!
৫.)
আমরা দুজন আর একটা কফি শপ
=====================সুদীপ্ত সেন
পেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কিচ্ছু বলবনা
বরং তারচেয়ে চলোনা দুকাপ কফি খায়
যা কিছু পেরল পেরিয়ে যেতে দাও
হ্যাঁ ভালো, আমি যে আজকে ভীষণ নিরুপায়।
তোমার ব্যস্ততা আজকে ছুটি না?
আমার সেরকম কিচ্ছু করার নেই
ওই চলছে আগের মতো করেই
প্রতিটি রবিবার থাকছি বাড়িতেই।
তোমার ছোটোকাকু গড়িয়া এসেছিলেন
চিনি টা ঘেঁটে দিই, নানা ঠিক আছে
হ্যাঁ কি যেন বলছিলাম তোমার ছোটোকাকু
বলল নেমে যাবো এইতো খুব কাছেই।
তারপর, কেমন চলছে তোমার লেখালেখি
আমার কথাটা ছাড়লে হতো না?
তোমার ব্যস্ততা, রুগীর কাছে যাওয়া
সেদিন কথা দিলে, আমার মাকে আর বাঁচানো যেতনা।
প্রেমটা ভেঙেছি, বিয়েতো করেছো?
একটু চুপ করো,তুমি না বললে
পেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কিচ্ছু বলবনা
দুজনে থামলো ওয়েটার এলে।
তোমার কথা গুলো শুনছে কফি শপ
আমার কথাগুলো, না'না আমি দাম দেব
একটু দাঁড়াও আরও কিছুটা থাকিনা
এখন তাড়া আছে আমি ওয়ার্ডে যাবো।
৬.)
| বান্ধবীসুখ |
---------------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
বয়স তখন উনিশ-কুড়ি
তখন আমরা নতুন কলেজ
তখন আমরা একটু আধটু
ফুরসত পায় মধ্যে নলেজ।
তখন আমার কবিতা লেখা
বলব ভাবি আজকে তোমায়
তখন আমরা আড্ডা মারি
বটগাছটার গায়েই ঘুমোই।
তখন তোমার প্রথম শাড়ি
একলা কাটি এদিক ওদিক
ইচ্ছে হতো এবার ছোঁবো
পারমিশনটা পেতাম যদি।
তখন তোমার প্রথম বলা
কলেজ শেষ, রাস্তা দুটো
প্রথম আমার থামতে শেখা
কারণ তোমায় ফিরতে হতোই।
এমন করেই দু-দশ বছর
ফেরার পথে কবিতা ছাপা
বলতে পারি সত্যি করে
বান্ধবীসুখ যায়না মাপা।
৭.)| মাতৃত্বের দাবী |
ঘাস পাতা নেড়ে যদি নেমে আসে জলীয় বাষ্পটা
জিওলিন রঙে আঁকা গল্পের গায়ে দেব চিৎকার,
আর দূর থেকে এনে দেব রজনীর মেরে ফেলা নীরবতা!
মাঝে মাঝে পাখি হবো ভাবলেও হাসি পাই সংকটে
ঝেড়ে ফেলা সালফারও ক্ষমা বুঝে অজুহাত চেয়ে নেয়,
আর বেনামীর ফেরিওয়ালা বই বেচে টুকটাক রোজ হাটে!
যে কুকুর আসতো বিটেনারি মেরি খেতে, আসেনা
হুংকার ফেলে গেছে সকালের মাছ বিক্রেতাটাও
আজ চুরমুর ভাবে ভেঙে অভাবেও ঠিকঠাক হাসে না!
সত্যের ভাবনাটা না ভেবেই কিছুজন হেসে যায় ফিকফিক,
তুমি জানো আর গুটি কয়েক জানে বলে মনে হয়
হাসি ফেলে রজঃস্রাব মাতৃত্বের দাবী বুঝে নিক!!
৮.)
| বাড়ন্ত রোদ |
-------------------- ডট.পেন
তোমার ছাদে একটা ফিঙে,ফিঙের গায়ে রোদ পড়েছে
আমার ছাদে উল্লাসতা,গীটার হাতে গান ধরেছে।
তোমার ছাদে একলা মেলা একটা টপ আর অন্যকিছু
আমার ছাদে পাথরকুচি, লজ্জাবতীর পাতারা নীচু।
তোমার ছাদে ফিজিক্স পাতা, দু-চার লাইন আবার লেখা
আমার ছাদে সেমিষ্টারের কলম হাতে খুঁজতে শেখা।
তোমার ছাদে বলতে শেখায়, আড়-চোখে হয় প্রেমের বোধ
আমার ছাদে সেই ফিঙেটাই, ফিঙের গায়ে বাড়ন্ত রোদ।
৯.)| যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয় |
মা আমি ইকবাল, কোথায় যাচ্ছো জলে?
যাও তবে ফিরে এসো খুব তাড়াতাড়ি
আমি তোমাকে ভেবেও আজান রাখি শুক্রবারে।
আমি আর বিষ্ণু এ পুজোয় নিদারুণ মজা করেছি একরাশ
প্রতিটি মন্ডপ ঘুরে দেখেছি, গলির ঠাকুরও বাদ যাইনি দেখা
সবেতে দেখেছি তুমি ত্রিশূল হাতে অশুর করেছ নিধন
কিন্তু মাগো সব মেয়েরাই দুগ্গার রূপ হলে
সেদিন গলিতে ঝিনুক দিদির শরীর খন্ডে খন্ডে
রক্তের দাগে রঙিন , আর দেখেনি!
"মা" পরের বছর এসো যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয়----
তাহলেই তুমি পরের বছর এসো মাগো,
আমি ঝিনুক দিদির অশুর দেখব তোমার ত্রিশূলে
আর আমাদের ঝিনুক দিদিকে চাই দুগ্গা রূপে!
১০.)
আমার একপাশে নদী বয়ে যায় আর একপাশে গাছের টবে ফুল ফোটা চন্দ্রমল্লিকা
তোমার একপাশে তিলপাড়া ব্যারেজ আর ওই পাশে চন্দ্রমল্লিকা দেখা চোখ
তোমার থইথই জল আমার নদীর গা ভিজিয়ে দিয়ে গেল
আর চোখ গুলো দেখে গেল পুষ্ট হওয়া ফুল যা থেকে গন্ধ শোঁকা সহজ
আজ রাতে আমার ফুলের শরীরে শিশির পড়েছে খুব
কিছু শান্ত কুঁড়িরা ছিল, ওদের ব্যাপক লেগেছে
শিশির ভেজাটা
আমি তখন নদীর জলের দিকে তাকিয়ে দেখছি
কত কি বয়ে গেল, কত এলো, কারোর খোঁজ হলোনা
কত নির্বাসিত চামড়া কত আগন্তুক ডালপালা
আরও অনেক...
যেগুলো না বললেও চলবে এখানে।
তোমার থইথই জল আর রাতের শিশিরের কাছে আজকের কুঁড়িটা কালকের ফুল হয়ে ফোটার জন্য ঋণী থাকে!
তুমি জানো তো?

👉[সারসংক্ষেপঃ- উঠতি মেয়েটার সাথে তার বয়ঃসন্ধির প্রথম আলাপীয় কথাবার্তা]













Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...