1.)
আগলাও
========
খাচ্ছে বাংলা ওরা আর বলছে বাংলা যদি
আয়নাতে গিয়ে ভাই-বোন বলে সাজতে চাইছে মোদি।
আগলাও
========
খাচ্ছে বাংলা ওরা আর বলছে বাংলা যদি
আয়নাতে গিয়ে ভাই-বোন বলে সাজতে চাইছে মোদি।
আর দেওয়াল দেখলে মুতছে, চাইছে বাংলা চলো
খিদের পেটেও তোলপার হয়ে পিছুটান ঝেড়ে বলো।
খিদের পেটেও তোলপার হয়ে পিছুটান ঝেড়ে বলো।
বাংলা বলছে ফুটবল আর বাঙালী বলছে বিয়ার
ট্যাক্সি চালকও হুইস্কি চায় সেটা হরদম নয় রেয়ার।
ট্যাক্সি চালকও হুইস্কি চায় সেটা হরদম নয় রেয়ার।
গাড়ি থামিয়ে চাউমিন আর পাউরুটি মাখা বাটার
অনেক রাতেও বোতল গলছে বন্ধ যদিও সাঁটার।
অনেক রাতেও বোতল গলছে বন্ধ যদিও সাঁটার।
চলছে বাংলা এইভাবেই আর বলছে বাংলা বদলাও
ওই নে পাগলা মুখ দিয়ে দিল পারলে বাংলা আগলাও।
ওই নে পাগলা মুখ দিয়ে দিল পারলে বাংলা আগলাও।
২.)
কি নাম দেব?
=========
মন যে তোমায় কোথায় নিয়ে যাবে
হিসেব কি সেই রাস্তা দিয়ে গেল?
সহস্র বার খুঁজতে গিয়ে পাবে
দেখার কারণ হতেই পারে আলো।
কি নাম দেব?
=========
মন যে তোমায় কোথায় নিয়ে যাবে
হিসেব কি সেই রাস্তা দিয়ে গেল?
সহস্র বার খুঁজতে গিয়ে পাবে
দেখার কারণ হতেই পারে আলো।
শীত সীমানায় স্বপ্ননীলের বাড়ি
আর কুয়াশা ভেজা একলা থাকা যুবক
নিতেই পারে অহেতুকের আড়ি
ক্লিভেজ ভেবে ধরতে পারে ধ্রুবক।
আর কুয়াশা ভেজা একলা থাকা যুবক
নিতেই পারে অহেতুকের আড়ি
ক্লিভেজ ভেবে ধরতে পারে ধ্রুবক।
গঙ্গা কেমন একাই পড়ে থাকে
পাড়ার মোড়ে যেমন থাকে কুকুর
প্রেমকে ও'যে এক্স ধরে রাখে
চাঁদের আলোয় দেখতে থাকা পুকুর।
পাড়ার মোড়ে যেমন থাকে কুকুর
প্রেমকে ও'যে এক্স ধরে রাখে
চাঁদের আলোয় দেখতে থাকা পুকুর।
রাস্তা ভেবে ভুল করেছ গলি
সেই গলিতে শাড়ির ভাঁজে তুমি
আলোর কথা বলতে গিয়ে বলি
অনেক দামী চুমুর থেকেও হামি।
সেই গলিতে শাড়ির ভাঁজে তুমি
আলোর কথা বলতে গিয়ে বলি
অনেক দামী চুমুর থেকেও হামি।
৩.)
বিরহ জানলা
==========
বিরহ জানলা
==========
বাইরে আমার আকাশ ভর্তি তারা
বাইরে আমার পুকুরঘাটের পানা
রাতের আকাশ, মুক্ত জোনাকি পোকা
পাগলা ছিঁড়ছে বরাদ্দ রুটিখানা।
বাইরে আমার পুকুরঘাটের পানা
রাতের আকাশ, মুক্ত জোনাকি পোকা
পাগলা ছিঁড়ছে বরাদ্দ রুটিখানা।
জানলা পেরিয়ে হাওয়াদের যাতায়াত
জানলা পেরল ঘরের হাওয়ার ঝাঁক
এপার থেকে ওপারের সংযোগ
বরং এবার প্রেমহীন হয়ে থাক।
জানলা পেরল ঘরের হাওয়ার ঝাঁক
এপার থেকে ওপারের সংযোগ
বরং এবার প্রেমহীন হয়ে থাক।
শীতের কুয়াশা নিমন্ত্রণের আগেই
শহর পেরিয়ে আমাদের গ্রামে গ্রামে
নতুন সড়ক হচ্ছিলো তোর জানি
আটকে পড়েছে প্রেম বিরহের খামে।
শহর পেরিয়ে আমাদের গ্রামে গ্রামে
নতুন সড়ক হচ্ছিলো তোর জানি
আটকে পড়েছে প্রেম বিরহের খামে।
কথা ভেঙে গেছে চুরমুর ভাবে হঠাৎ
মনখারাপের ঠিকানা জানেনা সে'তো
বহুদিন ওই বিচ্ছিরি হাসি-খানি
শুনতে পাইনি যেরকম আগে পেতো।
মনখারাপের ঠিকানা জানেনা সে'তো
বহুদিন ওই বিচ্ছিরি হাসি-খানি
শুনতে পাইনি যেরকম আগে পেতো।
বিরহ কতটা কঠিন, যে কঠিনও সহজ হতে শেখে
বিরহ আমার দেখা হয়ে গেছে প্রিয়, চলে যেতে চাই প্রেম বন্ধক রেখে।
বিরহ আমার দেখা হয়ে গেছে প্রিয়, চলে যেতে চাই প্রেম বন্ধক রেখে।
৪.)
ফেসবুকের দিদিরাও কখনও কখনও নিজের হয়ে ওঠে
মনে হয় রক্ত তৈরী হয়ে গেল তাদের সাথে ফেসবুকিয় শিরায় শিরায়
ফেসবুকের দিদিরাও ভালোবাসতে জানে
বলতে জানে আজ তোর জ্বর ভাই, ঔষুধ খেয়েছিস?
ফেসবুকের দিদিরাও কখনও কখনও নিজের হয়ে ওঠে
মনে হয় রক্ত তৈরী হয়ে গেল তাদের সাথে ফেসবুকিয় শিরায় শিরায়
ফেসবুকের দিদিরাও ভালোবাসতে জানে
বলতে জানে আজ তোর জ্বর ভাই, ঔষুধ খেয়েছিস?
ফেসবুকের দিদিরাও কেমন যেন নিজের ওঠে
বলতে শেখায়, ভালোবাসতে শেখায়, আদর করতে জানে এমনকি ভাইফোঁটাও দিতে পারে তারা দূর.. থেকে।
বলতে শেখায়, ভালোবাসতে শেখায়, আদর করতে জানে এমনকি ভাইফোঁটাও দিতে পারে তারা দূর.. থেকে।
ফেসবুকের দিদিরাও কাঁদতে পারে ভাই-র কাছে এমনকি কান্নাও ধুয়ে দিতে পারে ভায়ের চোখের
দীর্ঘদিন বাড়ি ছেড়ে থাকা মহালয়াতে না আসতে পাড়া হোস্টেলবাসী ভাইটাকে
মহালয়াও শোনাতে পারে সেইসব দিদিরা
হ্যাঁ ফেসবুকের দিদিরাও বলতে পারে ভাই পড়তে বস।
মহালয়াও শোনাতে পারে সেইসব দিদিরা
হ্যাঁ ফেসবুকের দিদিরাও বলতে পারে ভাই পড়তে বস।
ফেসবুকের দিদিরাও কখনও কখনও ভাতৃি হারা হয়
তারাও কিন্তু নতুন ভাইকে নিজের মতো ভাবতে পারে
সেইসব দিদিরাও নিজের কষ্ট পাওয়া ব্যথা গুলো আদান -প্রদান করে ভাইয়ের কাছে
শান্তি পায়
তারাও কিন্তু নতুন ভাইকে নিজের মতো ভাবতে পারে
সেইসব দিদিরাও নিজের কষ্ট পাওয়া ব্যথা গুলো আদান -প্রদান করে ভাইয়ের কাছে
শান্তি পায়
ফেসবুকের দিদিরাও দিদি হয়ে ওঠে একদম নিজের মতো একদম নিজের
যতটা নিজের তোমার সাথে তোমাদের রক্ত!
যতটা নিজের তোমার সাথে তোমাদের রক্ত!
৫.)
আমরা দুজন আর একটা কফি শপ
=====================সুদীপ্ত সেন
আমরা দুজন আর একটা কফি শপ
=====================সুদীপ্ত সেন
পেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কিচ্ছু বলবনা
বরং তারচেয়ে চলোনা দুকাপ কফি খায়
যা কিছু পেরল পেরিয়ে যেতে দাও
হ্যাঁ ভালো, আমি যে আজকে ভীষণ নিরুপায়।
বরং তারচেয়ে চলোনা দুকাপ কফি খায়
যা কিছু পেরল পেরিয়ে যেতে দাও
হ্যাঁ ভালো, আমি যে আজকে ভীষণ নিরুপায়।
তোমার ব্যস্ততা আজকে ছুটি না?
আমার সেরকম কিচ্ছু করার নেই
ওই চলছে আগের মতো করেই
প্রতিটি রবিবার থাকছি বাড়িতেই।
আমার সেরকম কিচ্ছু করার নেই
ওই চলছে আগের মতো করেই
প্রতিটি রবিবার থাকছি বাড়িতেই।
তোমার ছোটোকাকু গড়িয়া এসেছিলেন
চিনি টা ঘেঁটে দিই, নানা ঠিক আছে
হ্যাঁ কি যেন বলছিলাম তোমার ছোটোকাকু
বলল নেমে যাবো এইতো খুব কাছেই।
চিনি টা ঘেঁটে দিই, নানা ঠিক আছে
হ্যাঁ কি যেন বলছিলাম তোমার ছোটোকাকু
বলল নেমে যাবো এইতো খুব কাছেই।
তারপর, কেমন চলছে তোমার লেখালেখি
আমার কথাটা ছাড়লে হতো না?
তোমার ব্যস্ততা, রুগীর কাছে যাওয়া
সেদিন কথা দিলে, আমার মাকে আর বাঁচানো যেতনা।
আমার কথাটা ছাড়লে হতো না?
তোমার ব্যস্ততা, রুগীর কাছে যাওয়া
সেদিন কথা দিলে, আমার মাকে আর বাঁচানো যেতনা।
প্রেমটা ভেঙেছি, বিয়েতো করেছো?
একটু চুপ করো,তুমি না বললে
পেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কিচ্ছু বলবনা
দুজনে থামলো ওয়েটার এলে।
একটু চুপ করো,তুমি না বললে
পেরিয়ে যাওয়া নিয়ে কিচ্ছু বলবনা
দুজনে থামলো ওয়েটার এলে।
তোমার কথা গুলো শুনছে কফি শপ
আমার কথাগুলো, না'না আমি দাম দেব
একটু দাঁড়াও আরও কিছুটা থাকিনা
এখন তাড়া আছে আমি ওয়ার্ডে যাবো।
আমার কথাগুলো, না'না আমি দাম দেব
একটু দাঁড়াও আরও কিছুটা থাকিনা
এখন তাড়া আছে আমি ওয়ার্ডে যাবো।
বয়স তখন উনিশ-কুড়ি
তখন আমরা নতুন কলেজ
তখন আমরা একটু আধটু
ফুরসত পায় মধ্যে নলেজ।
তখন আমরা নতুন কলেজ
তখন আমরা একটু আধটু
ফুরসত পায় মধ্যে নলেজ।
তখন আমার কবিতা লেখা
বলব ভাবি আজকে তোমায়
তখন আমরা আড্ডা মারি
বটগাছটার গায়েই ঘুমোই।
বলব ভাবি আজকে তোমায়
তখন আমরা আড্ডা মারি
বটগাছটার গায়েই ঘুমোই।
তখন তোমার প্রথম শাড়ি
একলা কাটি এদিক ওদিক
ইচ্ছে হতো এবার ছোঁবো
পারমিশনটা পেতাম যদি।
একলা কাটি এদিক ওদিক
ইচ্ছে হতো এবার ছোঁবো
পারমিশনটা পেতাম যদি।
তখন তোমার প্রথম বলা
কলেজ শেষ, রাস্তা দুটো
প্রথম আমার থামতে শেখা
কারণ তোমায় ফিরতে হতোই।
কলেজ শেষ, রাস্তা দুটো
প্রথম আমার থামতে শেখা
কারণ তোমায় ফিরতে হতোই।
এমন করেই দু-দশ বছর
ফেরার পথে কবিতা ছাপা
বলতে পারি সত্যি করে
বান্ধবীসুখ যায়না মাপা।
ফেরার পথে কবিতা ছাপা
বলতে পারি সত্যি করে
বান্ধবীসুখ যায়না মাপা।
৭.)| মাতৃত্বের দাবী |
ঘাস পাতা নেড়ে যদি নেমে আসে জলীয় বাষ্পটা
জিওলিন রঙে আঁকা গল্পের গায়ে দেব চিৎকার,
আর দূর থেকে এনে দেব রজনীর মেরে ফেলা নীরবতা!
জিওলিন রঙে আঁকা গল্পের গায়ে দেব চিৎকার,
আর দূর থেকে এনে দেব রজনীর মেরে ফেলা নীরবতা!
মাঝে মাঝে পাখি হবো ভাবলেও হাসি পাই সংকটে
ঝেড়ে ফেলা সালফারও ক্ষমা বুঝে অজুহাত চেয়ে নেয়,
আর বেনামীর ফেরিওয়ালা বই বেচে টুকটাক রোজ হাটে!
ঝেড়ে ফেলা সালফারও ক্ষমা বুঝে অজুহাত চেয়ে নেয়,
আর বেনামীর ফেরিওয়ালা বই বেচে টুকটাক রোজ হাটে!
যে কুকুর আসতো বিটেনারি মেরি খেতে, আসেনা
হুংকার ফেলে গেছে সকালের মাছ বিক্রেতাটাও
আজ চুরমুর ভাবে ভেঙে অভাবেও ঠিকঠাক হাসে না!
হুংকার ফেলে গেছে সকালের মাছ বিক্রেতাটাও
আজ চুরমুর ভাবে ভেঙে অভাবেও ঠিকঠাক হাসে না!
সত্যের ভাবনাটা না ভেবেই কিছুজন হেসে যায় ফিকফিক,
তুমি জানো আর গুটি কয়েক জানে বলে মনে হয়
হাসি ফেলে রজঃস্রাব মাতৃত্বের দাবী বুঝে নিক!!
তুমি জানো আর গুটি কয়েক জানে বলে মনে হয়
হাসি ফেলে রজঃস্রাব মাতৃত্বের দাবী বুঝে নিক!!
তোমার ছাদে একটা ফিঙে,ফিঙের গায়ে রোদ পড়েছে
আমার ছাদে উল্লাসতা,গীটার হাতে গান ধরেছে।
আমার ছাদে উল্লাসতা,গীটার হাতে গান ধরেছে।
তোমার ছাদে একলা মেলা একটা টপ আর অন্যকিছু
আমার ছাদে পাথরকুচি, লজ্জাবতীর পাতারা নীচু।
আমার ছাদে পাথরকুচি, লজ্জাবতীর পাতারা নীচু।
তোমার ছাদে ফিজিক্স পাতা, দু-চার লাইন আবার লেখা
আমার ছাদে সেমিষ্টারের কলম হাতে খুঁজতে শেখা।
আমার ছাদে সেমিষ্টারের কলম হাতে খুঁজতে শেখা।
তোমার ছাদে বলতে শেখায়, আড়-চোখে হয় প্রেমের বোধ
আমার ছাদে সেই ফিঙেটাই, ফিঙের গায়ে বাড়ন্ত রোদ।
আমার ছাদে সেই ফিঙেটাই, ফিঙের গায়ে বাড়ন্ত রোদ।
৯.)| যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয় |
মা আমি ইকবাল, কোথায় যাচ্ছো জলে?
যাও তবে ফিরে এসো খুব তাড়াতাড়ি
আমি তোমাকে ভেবেও আজান রাখি শুক্রবারে।
আমি আর বিষ্ণু এ পুজোয় নিদারুণ মজা করেছি একরাশ
প্রতিটি মন্ডপ ঘুরে দেখেছি, গলির ঠাকুরও বাদ যাইনি দেখা
সবেতে দেখেছি তুমি ত্রিশূল হাতে অশুর করেছ নিধন
কিন্তু মাগো সব মেয়েরাই দুগ্গার রূপ হলে
সেদিন গলিতে ঝিনুক দিদির শরীর খন্ডে খন্ডে
রক্তের দাগে রঙিন , আর দেখেনি!
যাও তবে ফিরে এসো খুব তাড়াতাড়ি
আমি তোমাকে ভেবেও আজান রাখি শুক্রবারে।
আমি আর বিষ্ণু এ পুজোয় নিদারুণ মজা করেছি একরাশ
প্রতিটি মন্ডপ ঘুরে দেখেছি, গলির ঠাকুরও বাদ যাইনি দেখা
সবেতে দেখেছি তুমি ত্রিশূল হাতে অশুর করেছ নিধন
কিন্তু মাগো সব মেয়েরাই দুগ্গার রূপ হলে
সেদিন গলিতে ঝিনুক দিদির শরীর খন্ডে খন্ডে
রক্তের দাগে রঙিন , আর দেখেনি!
"মা" পরের বছর এসো যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয়----
তাহলেই তুমি পরের বছর এসো মাগো,
আমি ঝিনুক দিদির অশুর দেখব তোমার ত্রিশূলে
আর আমাদের ঝিনুক দিদিকে চাই দুগ্গা রূপে!
তাহলেই তুমি পরের বছর এসো মাগো,
আমি ঝিনুক দিদির অশুর দেখব তোমার ত্রিশূলে
আর আমাদের ঝিনুক দিদিকে চাই দুগ্গা রূপে!
🎿 ডট.পেন
১০.)
আমার একপাশে নদী বয়ে যায় আর একপাশে গাছের টবে ফুল ফোটা চন্দ্রমল্লিকা
আমার একপাশে নদী বয়ে যায় আর একপাশে গাছের টবে ফুল ফোটা চন্দ্রমল্লিকা
তোমার একপাশে তিলপাড়া ব্যারেজ আর ওই পাশে চন্দ্রমল্লিকা দেখা চোখ
তোমার থইথই জল আমার নদীর গা ভিজিয়ে দিয়ে গেল
আর চোখ গুলো দেখে গেল পুষ্ট হওয়া ফুল যা থেকে গন্ধ শোঁকা সহজ
আর চোখ গুলো দেখে গেল পুষ্ট হওয়া ফুল যা থেকে গন্ধ শোঁকা সহজ
আজ রাতে আমার ফুলের শরীরে শিশির পড়েছে খুব
কিছু শান্ত কুঁড়িরা ছিল, ওদের ব্যাপক লেগেছে
শিশির ভেজাটা
কিছু শান্ত কুঁড়িরা ছিল, ওদের ব্যাপক লেগেছে
শিশির ভেজাটা
আমি তখন নদীর জলের দিকে তাকিয়ে দেখছি
কত কি বয়ে গেল, কত এলো, কারোর খোঁজ হলোনা
কত নির্বাসিত চামড়া কত আগন্তুক ডালপালা
আরও অনেক...
যেগুলো না বললেও চলবে এখানে।
কত কি বয়ে গেল, কত এলো, কারোর খোঁজ হলোনা
কত নির্বাসিত চামড়া কত আগন্তুক ডালপালা
আরও অনেক...
যেগুলো না বললেও চলবে এখানে।
তোমার থইথই জল আর রাতের শিশিরের কাছে আজকের কুঁড়িটা কালকের ফুল হয়ে ফোটার জন্য ঋণী থাকে!
তুমি জানো তো?
👉[সারসংক্ষেপঃ- উঠতি মেয়েটার সাথে তার বয়ঃসন্ধির প্রথম আলাপীয় কথাবার্তা]
Comments
Post a Comment