Skip to main content

      |   যাপন বেলা   |
------------------------------সুদীপ্ত সেন
শহর ভেজা একলা নরম হিসেব নিকেশ
তার চেয়ে বেশি শাড়িই পড়ো ঝোলানো
সু-কেশ।
নাড়িয়ে দেওয়া গাছের পাতার বিন্দু জলের
রঙ মেলেনা সাহসিকতার দারুণ ছলের।
শব্দ ফুরোয় আলগা মতো যখন বসো
নাখছাবিতে জল জমে যায়, তুমিও খসো।
অনেক পড়ে বন্ধু হবার ভাল্লাগেনা প্রতিশ্রুতি
আসলে তাদের নতুন মোড়ের বাঁধছে  গুটি।
বেশ বছরের অপেক্ষা রাত দিনেরও রেখো
আমায় ছেড়ে এবার তুমি থাকতে শেখো।
------------------------------------------
২.)
    |  সবটা সঠিক  |
-------------------সুদীপ্ত সেন
আঙুল গুনে রাখতে পারে হিসেব গুলো
শহর ফেরত আলগা ভিজে তারাও এলো
কিন্তু কোথাও অ্যালকোহলের বার্তা নেই
ফ্যাকাসে হতে সময় নেবে সাত দিনে।
গলির মোড়েই চিরুর কাকার শব্দ হয়
এখন অনেক রাত হয়েছে তাই বোধহয়
লাল ষাঁড়টার যোদ্ধা সাজে ভু্ঁসির ঠোঁট
আজ পেরলেই কালকে আবার সূর্য ওঠ।
যদিও একা, হোয়াটস্ অ্যাপে নেই তেমন কেউ
যে ধরো ওই  উতাল করে বানিয়ে দেবে চুমুর ঢেউ
আজ বেশিদিন একলা আমি রাত্রি ঠিক
হুম ঠিকই তো, স্তব্ধ হয়ে বেশ করেছ সবটা সঠিক।
৩.)
৷৷  সব ইচ্ছের পূর্ণতা নেই ৷৷
---------------------সুদীপ্ত সেন
আগে যেকটা রোজ যেতাম তোমার পাড়ায়
আর তুমি প্রত্যেকবার ফিরিয়ে দিতে আমায়-
হালকা হেসে।
আগে যখন কয়েকবারই ফোন করতাম
তোমার ঠোঁটে শব্দ নেওয়ার বাহানা
নিতাম-
পারতাম না।
যখন আমি ওই দু-এক চুমু বারংবারি
তখন তুমি প্রথম দু-এক, শেষমেশ আইন জারি-
করেইছিলে
যা হোক এখন বান্ধবী নও সঠিক জানি
এখন তোমায় প্রেমিকা বলেই নিছক
মানি-
হুম সঠিক ভাবেই
আর কিছুদিন অপেক্ষা থাক ফিরতে হবে
তাড়াহুড়ো কি দরকার এখন তবে, হতেও পারে-
হঠাৎ করে ছাড়তে হবে!
৪.)
রক্ত মেলেনি তাই হয়তো
-------------------------সুদীপ্ত সেন
কত মানুষ একাত্ম হতে পারে
কতজন দেখি আপন সেজে যায়
কত মানুষ মেয়াদ ফুরোলে পরে
নিজেই আবার পর হতে চায়।
এখানে মেয়াদের কিছু নেই
যেটুকু আছে দরকার-দরকারি
ফেসবুক আর হোয়াটস্ অ্যাপ গুলো আজ,
আত্মীয় দেয় নিতান্ত সরকারি।
ভুল বোঝাবুঝি হতেও পারে হঠাৎ
কেন ভুল বোঝাবুঝি আত্মীয়দের হয়না?
তুমিতো আমায় ভালোও বেসেছিলে,
ক্ষমা করে দিও আমি লোক দেখানো চাইনা।
সব বানান ঠিক হয়না আমার, তুমি বানান ভুলেও বসিয়ে ছিলে কাছে
অনেক পুরনো পরকেও দেখেছি, অনেক নতুন আপনও বহুত আছে!!
৫.)
এখন এরকমই চলছে
------------------------সুদীপ্ত সেন
নেমে যাব তারে তারে
গলিহীন পথ ধরে
তোমার শহরে, একপশলা রোদ্দুর চাই আমার।
কারণ এখন পুজোর দিন,
তাই ভিজতে চাইব কেন?
অযথায় পুজো মরসুমে বৃষ্টি চাইনা জেনো।
তুমি বরং রোদ্দুর মেখে এসো
শাড়ির গায়ে চুমকি বসানো থাকুক
রোদ্দুর এসে ঝিকমিক করে যাক।
বৃষ্টি, রোদ্দুর মেখে তুমি একান্তই না আসতে পারলে
এসোনা
কারণ, পুজোতে বৃষ্টি ভেজা নিষেধ করেছে "মা"!
================================
৬.)
৷  পুজোর রুটিন সার্বজনীন ৷
====================
প্যান্ডেলে তার আসর জমে মেঝেতে মেটায় আলপনা
অষ্টমীও মিলিয়ে যাবে, জানে সেও থাকবেনা।
এরই মাঝে পটকা ফাটে, বন্দুক চায় টোটার রিল
ভয় পেয়েছে সেই ছেলেটা লুকোতে আড়াল খুঁজছে গ্রীল।
নতুন পোশাক, পড়ছে জুতো আরও কত আঁচল সাজ
অনেকে আবার কিটোই কেনে পাঞ্জাবিতে লেখার কাজ।
ঘুরতে যাবে বন্ধুরা সব এদিক-ওদিক ঘুরবে বেশ
পুজোর যখন গন্ধ ফুরোয় বন্ধুত্বও হচ্ছে শেষ--
শেষ মানে ওই মিলিয়ে যাওয়া, নিভিয়ে যাওয়ার মতন নয়
পুজো যখন ফুরিয়ে যাবে দিনতো সেমিষ্টারের হয়।
তাতে কী? এই কটা দিন কম্প্রোমাইজ একদমই নয় আপোষহীন
পুরনো যেসব বন্ধু ছিল বান্ধবীরাও তাদের সাথেই চারটে দিন।
৭.)
আদিবাসী যাযাবর
---------------------------সুদীপ্ত সেন
এরা এপারের লোক , বাকি হেঁটে চলে যাবে দূরে
কেউ কেউ সহানুভূতি শিখেছে ঠিকই, কেউ প্রণামও করতে পারে।
ওরা বালিশ নেয়নি মাথায়, ওরা খুড়কুটো কিনে আনে
ওরা মার্গো  চিনেছে ইদানিং তাই ব্যবহার করে স্নানে।
ওরা শহর চেনেনি জানি,তবু রাস্তা সব চেনে
ওরা হাত পেতে গাছ থেকে নানা ফুল-ফল পেড়ে আনে।
ওরা নারীও প্রচুর আছে, ওরা হাত পেতে দিয়ে চায়
ওদের নোংরা ন্যাকড়া ঝোলে, মোছা পিরিয়ড রক্তায়।
ওরা বাজার বলতে জানে দুটো সাপ আর বনবিড়াল
ওদের যেটুকু কাপড় থাকে তাতে শরীর করেছে আড়াল।
ওরা আদিবাসী নাম পায়, ওরা পাখমারা, যাবাবর
ওরা জানে সমাজের কাছে তারা বহু বছরের পর।
৮.)
ক্ষতি কী?
========সুদীপ্ত সেন
ও মোল্লা সাহেব কী হে কেমন আছো ভাইজান?
শুভ বিজয়া
হ্যাঁ ভাই শুভ বিজয়া
এসো কোলাকুলিটা সেরে নিই
দু'জনে করল কোলাকুলি ওই মোল্লা, পুরোহিত
মিষ্টি মুখও করল তারা
আর বলল কাল আমার মন্দিরে এসো ভাইজান
কাল লক্ষ্মীপুজো, আতব চালের খিচুড়ি আর আলুর দম এই সামান্য আয়োজন--
আসবে কিন্তু। আসবে তো?
ইকবাল,এভাবেই তোমার মসজিদ আর আমার মন্দিরের দেওয়ালটা যদি এক হয়ে যেত
আর যদি আমরা এইভাবেই হাত পেতে প্রসাদ আর সিন্নি খেতাম--
তাহলে সমাজের কিছু ক্ষতি হতো কিনা জানিনা
তবে গতি হয়ে যেত।
৯.)
লক্ষ্মী স্পেশাল
==============সুদীপ্ত সেন
প্রাইভেট ফেরত যে মেয়েটা একলা পেরয় রাত্রিবেলা
যে মেয়েটা তোমার কাজের মাসির সাথে আসে
যে মেয়েটা তোমার দোকান মোছে সকালবেলা
যে মেয়েটা রোজ সকালে বাজারে যায়....
তুমি তাকিয়ে থাকো কেমন চোখে
যে মেয়েটা গরীব মতো,তবে দেখতে ভালো
আরে যাকে তুমি সেক্সি বলো
আর সেই মেয়েটা পাখমারাদের, হাত পেতে চায় পয়সা দু'টো
ধরো তারাও যদি লক্ষ্মী হতো!
কেমন হতো লক্ষ্মীপুজো, কেমন হতো তাকিয়ে থাকা ---
কেমন হতো নজর তোমার,লাগত কেমন সেক্সি বলে---
কেমন হতো, তোমার পাড়ার লক্ষ্মীও ঠিক একইরকম লক্ষ্মী হলে?
১০.)
[আঞ্চলিকি]
°°°°°°°°°°°°°°°
একটো কথা বুলো, এই যি আমার মানুষ গুল্যান
কেমন লাফিং লাফিং বদলিং যেছি লয়?
কি...না খেছি,
হেগি দিছি
না পারলে পেদিও দিছি
কথা না শুনলে বুলছি শালো, শালি আরও কতরকম গালি।
এই যি আমরা মানুষ গুল্যান নামিং রুচি খেং লিছি ক্যান্ডি
আর অধিক চাপে পাদার আগে ঢুকুস করি গিলি লিছি প্যান্ডি!
১১.)
যে দিকে রাস্তা গিয়েছিলো রাতে
সেদিকে মেয়েটা যায়নি
একটু আধটু দাঁড়ানোর পর
খুঁজে তাকে আমি পাইনি।
ও গিয়েছিল গলিপথ দিয়ে
কিছু তাড়া ছিল বলল
ও গিয়েছিল বাই বাই বলে
প্রেমিক ওদিকে চললো।
কিছু তাড়াছিল মনে হলো যেন
ট্রাম চলে গেল হুড়মুড়
তাড়া ছিল ওরও দেখে মনে হলো
তাড়া ছিল তারও, চুরমুর।
১২.)
কালকে থেকে সব রাত্রিবেলা হবে
আমার নামে কিছু সন্ধ্যেবেলা হবে
তুমি তৈরী থেকো তবে।
কালকে কিছুটা বৃষ্টি নেমে এলে
এবং তাতে কিছু শীতের বরফ পেলে
রেখে দিও সেগুলো না ফেলে।
এখনই ভোরে কিছু কুয়াশা এসে যায়
নতুবা হেমন্তি শীতকে কিভাবে পায়
যেভাবে পাও আমায়।
কালকে ফ্লাইট আছে এখন ডেকোনা
কলম ঘুমোচ্ছে কাছেও যেওনা
ফিরে যাও শব্দ করোনা।
আগের শীতে খুব কুয়াশা কুড়িয়েছি
কলম দিয়ে কিছু শব্দ গুছিয়েছি
এবার ছেড়ে দাও।
কালকে ফ্লাইট আছে নানা যাচ্ছিনা অ্যান্টার্কটিকা
এবার শীতে আমি আমার কলমকে পাঠিয়ে দিচ্ছিতো সাউথ আফ্রিকা!
১৩.)
তুমি দূর থেকে দেখে যেতে পারো
এমনকি আমার গোলাপি ঠোঁটে চুমুও খেতে পারো তবে আমি আবার বলে রেখেছি চুমু খেতে হলে শব্দ না করে চুমু খেও।
আমি একটু চুরুট খাই আর ধোঁয়া উড়ে যায় আকাশের সাদায়
পারলে মেঘেদের বারণ কোরো, ওরা সব শুষে খাই জানো'তো?
ধোঁয়া খেলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে
যাবার আগে মেঘকে বলে যেও।
আর হ্যাঁ  বলে রাখি প্রেম নিবেদন নিষিদ্ধ কারণ বাড়িতে বারণ আছে!
১৪.)
অন্তত
------
ব্ল্যাকবোর্ডে যেসমস্ত সার্কিট আঁকা হয়েছিল
তা কিছুজন মন দিয়ে খুব বুঝল
কেউ কেউ বাড়ি থেকে আগে আগে পড়ে এলো
মেশিনের দুটো চ্যাপ্টার
আর স্যার যখন সেই চ্যাপ্টার গুলো পড়াছিলেন সেগুলি তারা আওড়াল বেশ আগে আগে
আর পিছন বেঞ্চে বসে থাকা সেই ছেলেটি চুপচাপ শুনে গেল আর দেখে গেল সার্কিট আর সার্কিট...
প্রশ্ন জাগলো গুচ্ছের কিন্তু মুখ ফুটে কোনো প্রশ্ন করতে পারেনি স্যারকে।
না,আমি স্কুলের কথা বলছিনা আমি কলেজের কথা বলছি
অন্তত কলেজের স্যার গুলো আপনি থেকে তুমি হয়ে গেলে
আমার মনে হয়-----
একদিন ওই পিছন বেঞ্চে বসে থাকা ছিপছিপে ছেলেটি হঠাৎ নির্ভয়ে ওঠে এসে বলতেই পারে
স্যার, তুমি সেদিন রোধের একক ওহম্ বলেছিলে তাই না?
১৫.)
| যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয় |
মা আমি ইকবাল, কোথায় যাচ্ছো জলে?
যাও তবে ফিরে এসো খুব তাড়াতাড়ি
আমি তোমাকে ভেবেও আজান রাখি শুক্রবারে।
আমি আর বিষ্ণু এ পুজোয় নিদারুণ মজা করেছি একরাশ
প্রতিটি মন্ডপ ঘুরে দেখেছি, গলির ঠাকুরও বাদ যাইনি দেখা
সবেতে দেখেছি তুমি ত্রিশূল হাতে অশুর করেছ নিধন
কিন্তু মাগো সব মেয়েরাই দুগ্গার রূপ হলে
সেদিন গলিতে ঝিনুক দিদির শরীর খন্ডে খন্ডে
রক্তের দাগে রঙিন , আর দেখেনি!
"মা" পরের বছর এসো যদি সব নারীই দুগ্গার রূপ হয়----
তাহলেই তুমি পরের বছর এসো মাগো,
আমি ঝিনুক দিদির অশুর দেখব তোমার ত্রিশূলে
আর আমাদের ঝিনুক দিদিকে চাই দুগ্গা রূপে!

Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...