Skip to main content

দশম সংখ্যা

🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿

🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿



 ৷ ---------------------------------- ৷
 লেখা ঃ- সুদীপ্ত সেন [🎿ডট.পেন ]
লেখায় ব্যবহৃত সব ছবি কালেকশন  দিয়েছে রিয়া বড়াল (ধন্যবাদ রিয়া)।
 ৷ ---------------------------------- ৷
   
           

                   নমঃ
          ________________
 
        ৷ কী কী আছে |

১.আমি বৃষ্টি দেখছিলাম
২.নীচু হবো
৩.প্রতিবিম্ব ছুঁলে পরেই
৪.প্রেমিক ঘুমতো
৫.নতুবা এসোনা
৬.পড়ে শেষ করতে পারবেনা
৭.ভালোবেসে ফেলেও মুখ লুকাও
৮.আমাকে ক্ষমা করো

৷  ------------------------------------  ৷
আমি কিন্তু গিয়েছিলাম সেদিন,
 যেখানে আমাদের আসার কথা ছিল।
অনেক পরে যে ছেলেটা তোমার একখানা কানের দিয়ে গিয়েছিল, বিশ্বাস করো আমি কিন্তু বিশ্বাস করিনি।
      হুম আমি বিশ্বাস করিনা আজও.....!
   

=============================

১.)
আমি বৃষ্টি দেখছিলাম
----------------------
তুমি কী দারুণ হেসেছিলে সেদিন
মিষ্টি একটা ঠোঁটের আলসেমি।

শহর ভেজা ট্রামও ভিজছিল
আমি দেখছিলাম বৃষ্টিকে,

তুমি বলেছিলে কী এতো দেখছ?

আমি বলেছিলাম, বৃষ্টি কতখানি ভেজাতে পারে সঠিক
সবাই অবাক হয়েছিল আর তুমি বলেছিলে ঢং!
=============================

২.)
  নীচু হবো
------------
চলো পার্কের গায়ে যায় আর ঘাসের শরীরে বসি
চলো আলো গুলো নিভে গেলে চুম্বনে ঠোঁট চুষি।

না'তো চলো কোনো জঙ্গল বেছে নিই
নতুবা শরীর খুলব কী করে, যদিও সেকথা ভাবিনি।

তার চেয়ে চলোনা আড়াল না করে রাস্তায় হেঁটে চলি
হাত ধরে হাত রেখে নীলভ'র কথা বলি।

যে নীলে তোমার চোখ,আর কত কথা বলা বলা, সবকিছু
ছুঁয়ে দিলে পরে হঠাৎ হবো তোমাদের কাছে নীচু।
=============================

৩.)
প্রতিবিম্ব ছুঁলে পরেই
--------------------

আলগা মতো হাওয়ার কাছে আছি
উতাল করে, যেটুকু যা পেরেছিল
সবুজ রং খসেছিল তারাদের গায়ে
দু-কলম লিখব ভাবি এরপর, তারপর আর হয়নি।

কত ভিড়ে খুঁজেছি গলিপথ তোমাদের,  তবুও দেখা পায়নি
সেই চোখ, সেই পায়ের পাতা আর নাভি।

জলবিন্দুর গায়ে প্রতিবিম্ব হয়ে তুমি দেখা দাও
কিন্তু ছুঁয়ে দিলেই প্রতিবিম্ব ধ্বংস হবে!

=============================

৪.)
 প্রেমিক ঘুমতো
----------------

যে পাড়ায় তুমি আসতে গভীরতা রেখে
সে পাড়ায় তোমার প্রেমিকের বাড়ি ছিল।
তুমি সেই বাড়ীর সবকে চিনতে
কত গান গাইতে তানপুরা ঘেঁটে--
প্রেমিক ঘুমতো!

নূপুরের শব্দ ফেলে যেতে,
গরম কাপে চুমুক রাখতে চায়ের--
প্রেমিক ঘুমতো!

রোজ যেতে, রোজই একইরকম,
নীচের তলায় কত গল্প হতো,
প্রেমিকের মা তোমার চুলে হাত বুলিয়ে বলত, আর কত দিন---
তুমি তখন কাঁদতে না, কাঁদার মতো হতে
তানপুরা নাড়নি সেদিন
প্রেমিক তোমার তখনও ঘুমতো!

কি হয়েছে তোমার প্রেমিকের!
বলব অন্যদিন,শুনবে তো?
=============================

৫.)
 নতুবা এসোনা
----------------
প্রচুর কথা ছিল তোমার সাথে
যে কথা হাউসফুল সিনেমা হলে বলিনি।
একদিন ফের এসো তুমি,বাদাম ভাজা খাবো
না, তুমি ফুচকাও খেতে পারো।
আমার এখন স্যালারি মিনিমাম পনেরো হাজার মতো,
নিশ্চয় অসুবিধে খুব একটা হবেনা?

যাই হোক, এসো তবে।

স্বামীকে বলে এসো নতুবা অপবিত্র ভাবতে পারে,
দয়া করে ভনিতা দেখিয়ে বন্ধু বলোনা।

যদি বলতে পারো পুরনো প্রেমিক,
তবেই এসো, নতুবা এসোনা!

=============================

৬.)
পড়ে শেষ করতে পারবেনা
---------------------------

কত কথা তোমার গায়ে লিখে যাবো
তুমি পড়ে শেষ করতে পারবেনা।
পাতার পর পাতা কত....কথা
কখনও নদী বয়তে পারে বা কখনও জঙ্গল।
দেখা গেল সে জঙ্গলে তুমি হারিয়েছ।
কিংবা, ধরো কখনও জলের পর জল লিখলাম....
তুমি ভিজে গেলে।
কিংবা, অনেক অনেক পরে
বীর্যের গন্ধ লিখলাম বা ফ্লোয়িং
তুমি তখন গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছ।
ইস্ট্রোজেনের পর ইস্ট্রোজেনের পশলা....
তাই বলছি, তুমি পড়ে শেষ করতে পারবেনা।

=============================

৭.)
ভালোবেসে ফেলেও মুখ লুকাও
--------------------------------

সুগভীর একটা রাতের মতো আমি
যে রাতে প্রজাপতি আসবেনা।
শুধু তারা আর তারা খসা
তবু কোনো ধূমকেতু নামবেনা।

শুধু কাগজ আর কাগজের মতোই
লোকে আসে কিন্তু থাকেনা,
আসলে,তারা আসার জন্যে আসে না।

ফুল? সে কাগজের ফুল এখানে
হা ' হা ( হাসি), কত গন্ধ ওপর থেকে ছড়ানো
তবু কোনো প্রজাপতি আসবেনা।

আমি যে সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখিনা
আমি শুধু পিপাসা মেটাতে পারি!

=============================

৮.)
আমাকে ক্ষমা করো
---------------------

হুম সে এসেছিল আবার
কথা ভেঙে হয়েছিল জমা
অ্যাস্ট্রের শরীরে জড়ো হয়েছিল নিকোটিন।

সে আবরণ খুলতে চায়, বারণ করেছিলাম।
কারণ, আবরণে অনুপাত বসাবনা আর,
পরিরর্তে রঙ করে দেব জ্যামিতি,
আমাকে ক্ষমা করো...।
টাটকা ইস্ট্রোজেন দিতে পারলাম না!

============================
📊ধন্যবাদ, যদি লেখা গুলো ভালো লাগে তাহলে ব্লগে'র নীচে মন্তব্য option এ গিয়ে মন্তব্য করবেন ,আর খারাপ লাগলেও করবেন প্লিস।📊
এই টুকুই প্রাপ্তি হবে আমার তাই আরকি
     
=============================

Comments

  1. লেখা ভাল হয়েছে।
    তবে তোর য়/ই নিয়ে একটু পড়াশোনা প্রয়োজন।

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...