সুদীপ্ত-র ষষ্ঠ একক ব্লগ সংকলন
"বর্ষাকালিন প্রেম"
প্রচ্ছদ শিল্পী:- কৌস্তভ মন্ডল ( পাইকর,বীরভূম)
লেখক :- সুদীপ্ত সেন (পাইকর,বীরভূম)
--------♦---------
{লেখার কাছে অশ্লীলতা এলে চোখ বুজে যায় দেখবনা কক্ষনো
লেখার কাছে প্রেম দিতে হলে সন্ন্যাসিকেই সাজিয়ে দেব তৃণ!}
------ডট.পেন
উৎসর্গ :-
এই সংকলন টি দিলাম বর্ষাতে ভিজে যাওয়া নতুন গজানো ব্যাঙের ছাতাদের।
-------
~♥ প্রনাম ♥~
[ সূচীপত্র ]
১.)বৃষ্টি হবে বোধহয়
২.)সেদিন যদি
৩.)শঙ্খচিলের হাতে
৪.)দামি মেরুনের নীল চোখ
৫.)বৃষ্টি হয়ে বর্ষা এসো
৬.)দীপাকে বলছি
৭.)সে আর তার সন্ন্যাসি
♦*-*♦
১.)
| বৃষ্টি হবে বোধহয় |
--------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
আজ বৃষ্টি আসতে পারে
আসবে আরও কিছু...
আর ভিজতে পারে পাতা
নামবে হাওয়ার পিছু পিছু,
তুমি আসবে কিনা বলো?
তাহলে নামিয়ে আনি ঘুড়ি
আর মাউথঅর্গান বাজাই
পারলে সুর করব চুরি।
আজ বৃষ্টি এসে গেলে
নীড়ে ফিরতে পাখির দেরি
আর বৃষ্টি এসে গেলে
মাঝি গুটিয়ে নেবে ফেরি।
২.)
| সেদিন যদি |
-------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
সেদিন যদি বৃষ্টি নামে আবার নীচের নীচু রাস্তা ভিজে যায়
দীপার নামে লিখব লেখা হাজার লিখব লেখা নিজের ঘরানায়
সেদিন যদি রোদ করে য়ায় রঙিন তোমার পাড়ায় রামধনুটা উঠে
দীপার কাছে কার্ড পাঠাব সেদিন সঙ্গে চুমু রাখব তার ঠোঁটে
সেদিন যদি আকাশ কেঁপে গিয়ে বৃষ্টি গুলো অঝোরে বর্ষায়
দীপার চোখে কাজল এঁকে দিয়ে ফিরব আমি চরম সস্তায়
সেদিন যদি বাতাস হয় সবুজ স্নিগ্ধ গলায় আদর করে ডাকে
বাস যদি নাইবা চলে সেদিন দীপার শহর পৌঁছে যাব ট্রাকে।
৩.)
| শঙ্খচিলের হাতে |
-----------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
শঙ্খচিল অনেক দূরে উড়ে
শঙ্খচিল কৃষ্ণনগর যায়?
শঙ্খচিল তোমার ছাদের ওপরে
হালকা ডেকে তোমায় টাটা দেয়?
শঙ্খচিল যদি যাস আমায় জানাস
দু-একটা চিঠি পাঠাব ওকে
যাবার পথে ওদের ছাদে বসিস
চিঠি দুটো দিস নিজের মতো ডেকে।
শঙ্খচিল আবার পরে আসিস
ওই পরশু কিংবা তরশু চিঠি দুটো দেব
সময় পেলে ফেরত পথে যেতে
মনে করে সন্ন্যাসিকে দিস।
৪.)
| দামি মেরুনের নীল চোখ |
--------------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
আমি ভিজতে দেখেছি রাস্তা আর ভিজতে দেখেছি গাড়ি
আর ভিজতে দেখেছি সময় আর মেরুন রঙের শাড়ি
ওই ব্যালকুনিতে ছিল, গাড়ি থামিয়ে দিয়েছে ড্রাইভার
অনেক জোড় বৃষ্টি, পুরো ভিজে গেল নীল চোখ তার
আমি জানলার কাচে দেখি, ওপারে কাচ আবছা
তবু মেরুন রঙের শাড়িই আর দূরত্ব টা ঝাপসা।
বৃষ্টি থামল হালকা, গাড়ি স্টার্ট নিয়েছে
আমিও দেখছি, নীল চোখও দেখছে...
শুধু দেখাটা আলাদা....
আমি দেখছি শাড়ি আর ও দেখছে রাস্তা,
ওই মেরুণ রঙের শাড়ি মনে হয়না সস্তা!
৫.)
| বৃষ্টি হয়ে বর্ষা এসো |
------------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
সামনে যদি বৃষ্টি পড়ে আবার ঘুম শুকিয়ে সন্ধ্যে বেলার মতো
নদীর কাছে প্রশ্ন হবে যাবার, পথ পেরুবে ফেরির মাঝি যত।
কিংবা যদি বর্ষা এসে গেল, ব্যাঙের ডাকে বাড়ির পাশের ডোবা
চিল গুলো সব ডাক দিয়েছে চলো চিলের ডাকেও আকাশ পাবে শোভা।
বর্ষা তুমি আসতে পারো জানো, ফোটাতে পারো বলফুলের সারি
বর্ষা তুমি নতুন কিছু আনো, বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতা নাড়ি।
৬.)
| দীপাকে বলছি |
---------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
আমি শরীর ভেজা ঘামে তোমার গন্ধ নিতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
আমি তোমার প্রেমে পড়ে কোনো স্পর্শ নিতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
তুমি নদীর কাছে গেলে আমি দূরে.. বসেছিলাম
তবু তোমার পাশে বসে কোনো স্পর্ধা নিতে যাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
নীল শাড়ি পড়ে এলে তার গন্ধ পেতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
আজ জন্মদিনের দিনে তোমার একখানা ফোন পাইনি
যেদিন চক্রান্ত তোমার বিশ্বাস ভেঙেছিল
আমি কিন্তু সেদিন তোর হাত ছেড়ে চলে যাইনি।
৭.)
[সে আর তার সন্ন্যাসি]
----------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
সে আর তার সন্ন্যাসি বাদাম খাবে আজ
পার্কে যাবে শাড়ি আর পাঞ্জাবী
হাত ধরবেনা তা না হয় না ধরুক তাতে কী
তবে পুরনো ছাড়া নতুন কিছু বলবে না।
অনেক দিন পেরিয়ে গেছে বলো, কেমন আছো
ভালোই আছি নিজের মতো করে
অনেক দিন ফোন করোনি তুমি ব্যস্ত ছিলে?
না'তো
তাহলে, কেন?
এমনি
অনেক দিন ম্যাসেজও করোনি, কেন শরীর খারাপ?
না'তো
হ্যাঁ শরীর তো ঠিকই ছিলো তোমার ফেসবুকেতো রোজই পোস্ট দিতে
কিন্তু কেন কমেন্ট দিলে পরে না বলে কিছু চুপ করে থাকতে?
এমনি
ও
এবার তারা বেশ কিছুক্ষণ চললো চুপচাপ পার্ক যাবে না বললো সন্ন্যাসি
তাহলে কোথায় চায়ের দোকান নাকি হালকা কফি
না বিরিয়ানি
বেশ তো চলো তবে, ভাগাড় যদি হয়? (চরম হাসি)
হলে হবে ক্ষতি কী?
চলো তবে।
নিয়ম মেনেই বিরিয়ানির অর্ডার
চুপচাপ শব্দ শুধু প্লেট-চামচের হচ্ছে
এমন সময় সে বললো আচ্ছা সন্ন্যাসি ভবিষ্যৎ হয়নি এখনো?
কঠিন হলো প্রশ্ন এটা খুব
কোনো না'তো কোনো এমনি করলনা শুধু চুপ করে থাকা থাকি।
একটু পরে বিল পেমেন্ট হয়ে গেছে
উঠতে গিয়ে সরলো সিঁথির সিদুর
লুকনো ছিলো বর্তমানের কাছে ভবিষ্যৎ বড্ড বেশি দূর !
সন্ধ্যে হলো সূর্য ডুবে গেছে ট্রাম ধরবে দু-জন দু-দিক গামী
অনেক টা যেতে হবে.. সন্ন্যাসি যাবে গড়িয়া হাটার মোড় সে যাবে ধর্মতলার কাছে।
------------------
এখানে সমস্ত লেখাই একটু অন্যরকম আর সবক্ষেত্রেই সন্ন্যাসির কথা বলা আছে বলা বাহুল্য নই তবুও বলছি সন্ন্যাসি বা দীপা কেওই বাস্তব চরিত্র নই কল্পনা মাত্র আর সমস্ত লেখাই কল্পনা মাফিক।
আর শেষের লেখাটি আমার নতুনত্ব আসলে লেখার পাশাপাশি কখন কি হচ্ছে তা বলে দেওয়া আছে।
♣_^ সমাপ্ত ^_♣
"বর্ষাকালিন প্রেম"
প্রচ্ছদ শিল্পী:- কৌস্তভ মন্ডল ( পাইকর,বীরভূম)
লেখক :- সুদীপ্ত সেন (পাইকর,বীরভূম)
--------♦---------
{লেখার কাছে অশ্লীলতা এলে চোখ বুজে যায় দেখবনা কক্ষনো
লেখার কাছে প্রেম দিতে হলে সন্ন্যাসিকেই সাজিয়ে দেব তৃণ!}
------ডট.পেন
উৎসর্গ :-
এই সংকলন টি দিলাম বর্ষাতে ভিজে যাওয়া নতুন গজানো ব্যাঙের ছাতাদের।
-------
~♥ প্রনাম ♥~
[ সূচীপত্র ]
১.)বৃষ্টি হবে বোধহয়
২.)সেদিন যদি
৩.)শঙ্খচিলের হাতে
৪.)দামি মেরুনের নীল চোখ
৫.)বৃষ্টি হয়ে বর্ষা এসো
৬.)দীপাকে বলছি
৭.)সে আর তার সন্ন্যাসি
♦*-*♦
১.)
| বৃষ্টি হবে বোধহয় |
--------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
আজ বৃষ্টি আসতে পারে
আসবে আরও কিছু...
আর ভিজতে পারে পাতা
নামবে হাওয়ার পিছু পিছু,
তুমি আসবে কিনা বলো?
তাহলে নামিয়ে আনি ঘুড়ি
আর মাউথঅর্গান বাজাই
পারলে সুর করব চুরি।
আজ বৃষ্টি এসে গেলে
নীড়ে ফিরতে পাখির দেরি
আর বৃষ্টি এসে গেলে
মাঝি গুটিয়ে নেবে ফেরি।
২.)
| সেদিন যদি |
-------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
সেদিন যদি বৃষ্টি নামে আবার নীচের নীচু রাস্তা ভিজে যায়
দীপার নামে লিখব লেখা হাজার লিখব লেখা নিজের ঘরানায়
সেদিন যদি রোদ করে য়ায় রঙিন তোমার পাড়ায় রামধনুটা উঠে
দীপার কাছে কার্ড পাঠাব সেদিন সঙ্গে চুমু রাখব তার ঠোঁটে
সেদিন যদি আকাশ কেঁপে গিয়ে বৃষ্টি গুলো অঝোরে বর্ষায়
দীপার চোখে কাজল এঁকে দিয়ে ফিরব আমি চরম সস্তায়
সেদিন যদি বাতাস হয় সবুজ স্নিগ্ধ গলায় আদর করে ডাকে
বাস যদি নাইবা চলে সেদিন দীপার শহর পৌঁছে যাব ট্রাকে।
৩.)
| শঙ্খচিলের হাতে |
-----------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
শঙ্খচিল অনেক দূরে উড়ে
শঙ্খচিল কৃষ্ণনগর যায়?
শঙ্খচিল তোমার ছাদের ওপরে
হালকা ডেকে তোমায় টাটা দেয়?
শঙ্খচিল যদি যাস আমায় জানাস
দু-একটা চিঠি পাঠাব ওকে
যাবার পথে ওদের ছাদে বসিস
চিঠি দুটো দিস নিজের মতো ডেকে।
শঙ্খচিল আবার পরে আসিস
ওই পরশু কিংবা তরশু চিঠি দুটো দেব
সময় পেলে ফেরত পথে যেতে
মনে করে সন্ন্যাসিকে দিস।
৪.)
| দামি মেরুনের নীল চোখ |
--------------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
আমি ভিজতে দেখেছি রাস্তা আর ভিজতে দেখেছি গাড়ি
আর ভিজতে দেখেছি সময় আর মেরুন রঙের শাড়ি
ওই ব্যালকুনিতে ছিল, গাড়ি থামিয়ে দিয়েছে ড্রাইভার
অনেক জোড় বৃষ্টি, পুরো ভিজে গেল নীল চোখ তার
আমি জানলার কাচে দেখি, ওপারে কাচ আবছা
তবু মেরুন রঙের শাড়িই আর দূরত্ব টা ঝাপসা।
বৃষ্টি থামল হালকা, গাড়ি স্টার্ট নিয়েছে
আমিও দেখছি, নীল চোখও দেখছে...
শুধু দেখাটা আলাদা....
আমি দেখছি শাড়ি আর ও দেখছে রাস্তা,
ওই মেরুণ রঙের শাড়ি মনে হয়না সস্তা!
৫.)
| বৃষ্টি হয়ে বর্ষা এসো |
------------------সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)
সামনে যদি বৃষ্টি পড়ে আবার ঘুম শুকিয়ে সন্ধ্যে বেলার মতো
নদীর কাছে প্রশ্ন হবে যাবার, পথ পেরুবে ফেরির মাঝি যত।
কিংবা যদি বর্ষা এসে গেল, ব্যাঙের ডাকে বাড়ির পাশের ডোবা
চিল গুলো সব ডাক দিয়েছে চলো চিলের ডাকেও আকাশ পাবে শোভা।
বর্ষা তুমি আসতে পারো জানো, ফোটাতে পারো বলফুলের সারি
বর্ষা তুমি নতুন কিছু আনো, বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতা নাড়ি।
৬.)
| দীপাকে বলছি |
---------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
আমি শরীর ভেজা ঘামে তোমার গন্ধ নিতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
আমি তোমার প্রেমে পড়ে কোনো স্পর্শ নিতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
তুমি নদীর কাছে গেলে আমি দূরে.. বসেছিলাম
তবু তোমার পাশে বসে কোনো স্পর্ধা নিতে যাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
নীল শাড়ি পড়ে এলে তার গন্ধ পেতে চাইনি
তবু তুমি ছেড়ে আমায় কোথায় চলে গেলে?
আজ জন্মদিনের দিনে তোমার একখানা ফোন পাইনি
যেদিন চক্রান্ত তোমার বিশ্বাস ভেঙেছিল
আমি কিন্তু সেদিন তোর হাত ছেড়ে চলে যাইনি।
৭.)
[সে আর তার সন্ন্যাসি]
----------------সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)
সে আর তার সন্ন্যাসি বাদাম খাবে আজ
পার্কে যাবে শাড়ি আর পাঞ্জাবী
হাত ধরবেনা তা না হয় না ধরুক তাতে কী
তবে পুরনো ছাড়া নতুন কিছু বলবে না।
অনেক দিন পেরিয়ে গেছে বলো, কেমন আছো
ভালোই আছি নিজের মতো করে
অনেক দিন ফোন করোনি তুমি ব্যস্ত ছিলে?
না'তো
তাহলে, কেন?
এমনি
অনেক দিন ম্যাসেজও করোনি, কেন শরীর খারাপ?
না'তো
হ্যাঁ শরীর তো ঠিকই ছিলো তোমার ফেসবুকেতো রোজই পোস্ট দিতে
কিন্তু কেন কমেন্ট দিলে পরে না বলে কিছু চুপ করে থাকতে?
এমনি
ও
এবার তারা বেশ কিছুক্ষণ চললো চুপচাপ পার্ক যাবে না বললো সন্ন্যাসি
তাহলে কোথায় চায়ের দোকান নাকি হালকা কফি
না বিরিয়ানি
বেশ তো চলো তবে, ভাগাড় যদি হয়? (চরম হাসি)
হলে হবে ক্ষতি কী?
চলো তবে।
নিয়ম মেনেই বিরিয়ানির অর্ডার
চুপচাপ শব্দ শুধু প্লেট-চামচের হচ্ছে
এমন সময় সে বললো আচ্ছা সন্ন্যাসি ভবিষ্যৎ হয়নি এখনো?
কঠিন হলো প্রশ্ন এটা খুব
কোনো না'তো কোনো এমনি করলনা শুধু চুপ করে থাকা থাকি।
একটু পরে বিল পেমেন্ট হয়ে গেছে
উঠতে গিয়ে সরলো সিঁথির সিদুর
লুকনো ছিলো বর্তমানের কাছে ভবিষ্যৎ বড্ড বেশি দূর !
সন্ধ্যে হলো সূর্য ডুবে গেছে ট্রাম ধরবে দু-জন দু-দিক গামী
অনেক টা যেতে হবে.. সন্ন্যাসি যাবে গড়িয়া হাটার মোড় সে যাবে ধর্মতলার কাছে।
------------------
এখানে সমস্ত লেখাই একটু অন্যরকম আর সবক্ষেত্রেই সন্ন্যাসির কথা বলা আছে বলা বাহুল্য নই তবুও বলছি সন্ন্যাসি বা দীপা কেওই বাস্তব চরিত্র নই কল্পনা মাত্র আর সমস্ত লেখাই কল্পনা মাফিক।
আর শেষের লেখাটি আমার নতুনত্ব আসলে লেখার পাশাপাশি কখন কি হচ্ছে তা বলে দেওয়া আছে।
♣_^ সমাপ্ত ^_♣


অসাধারন.......
ReplyDelete