Skip to main content
     
     
       ★  তিনটে বিস্ফোরক ★

১.)  
        :::::::::::::::::::::::::::    
                নিশ
        ::::::::::::::::::::::::::::

খেলা থাক আজ গুলির ওই চোখে বাঁধা
খেলা থাক আজ পদ্য লেখার ঘরে
খেলা থাক আজ গোনাগনতির হিসেব
খেলা গুলো সব কেমন না জানি করে।

খেলা ছিল ওই দিন এনে দিন টাতে
খেলা ছিল খুব দুবেলা ছুটির পরে
খেলা ছিল সেই চিনে রাখা ওই 'গুলি'
খেলা ছিল সেই চেনা গর্তের ঘরে।

খেলা গুলো সব ফিকে হয়ে গেছে কেমন
খেলা গুলো সব ছেড়ে দিয়ে শুধু পড়ো
খেলা গুলো সব বড়ো হতে বলে গেল
খেলা গুলো সব বড়ো হতে হলে ছাড়ো।

খেলা তবে হবে বড়ো হয়ে যাওয়া হলে
খেলা তবে হবে বন্ধুরা সব এসো
খেলা তবে হবে ইচ্ছেরা যদি থাকে
খেলা হবে ফের রাখা নিশ লেগে গেলে।

     

২.)

     ♦| হায়'রে |♦

জীবন্ত সব,জীবন্ত মোমীটাও
জীবন্ত সব,তোর ফেলে দেওয়া বমিটাও

জীবন্ত থুতু তোর,জীবন্ত গ্লাস
জীবন্ত হয়ে যাক ফেলে দেওয়া লাশ।

জীবন্ত সব হোক, সীমানাটা ঢেকে যাক
জীবন্ত সূর্যটা পাশ ফিরে শুয়ে থাক।

জীবন্ত ডাস্টবিন, জীবন্ত সবরে
জীবন্ত মরাটাও ক্যামেরার ফ্ল্যাসেরে।

জীবন্ত ছুঁয়েছে বটগাছের দুশোটা
জীবন্ত ছঁয়নি পাঁচের ওই শিশুটা।

জীবন্ত, জীবনও ভালো করে পায়না
জীবন্ত, মরাটাও রেখে গেছে বায়না।

জীবন্ত সব কিছু, জীবন্ত আমি,জীবন্ত তুমি
জীবন্ত পাথরটাও বলে নাকি অন্তরযামী!


   
৩.)
      | স্পষ্ট পার্থক্য |

শহরের নীচে ক্লান্ততা পড়ে আছে
যুদ্ধ বোমায় আহত পুরুষ, নারী,
অস্ত্রের নামে মিছিল এগিয়ে চলে
বীর্যের চাপে ধর্ষন খুলে শাড়ি।

গোদির আরামে বিস্কুট লেনা-দেনা
ফুটপাতে থাকে অনিশ্চিয়তা পড়ে,
একমুঠো কেও শান্তি যে আনবেনা
কিন্তু তোমার পকেট মারবে চোরে।

অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ বাড়লে পরে
নিয়ম মেনেই আকাশ ছুঁয়েছে স্বভাব,
কেউ শুয়ে থাকে অভুক্তের ঘরে
কেউ চায়লেই পাতে জুটে যায় কাবাব!




Comments

Popular posts from this blog

১.) অক্ষরেখা ------------সুদীপ্ত সেন  ধরো কাঁচের কাছাকাছি, আমি নিজের মতো বাঁচি আর সুযোগ পেলে লিরিক্স লিখি নির্বিকার। তুমি সাজাও উপত্যকা আর যত্নে থাকো একা। শুধু জড়িয়ে ধরার জন্যে ছিলো দিব্যি কার? এতো হোঁচট, তবু ভালো। কোনো প্রথম চুমুর বালক শুধু কপাল ছোঁয়া, ঠোঁট পায়নি মগডালের যেমন পথিক মরুভূমির, শুয়ে রোদ পোহানো কুমির সে জল ভেবেছে রোদের গায়ে মরীচিকা চমকালে। গলি-পথের পাশাপাশি। দেখা হতেই পারে, আসি? তুমি চাওনি বলেই বরফ জমে দুই মেরুর এখন কলেজ সে'তো অতীত। আমি তোমার কাছে ক্ষতি সিঁথি  সিঁদুর মেখে নিয়েই ছিলো অন্যরূপ। তবু হঠাৎ করে দেখা। তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে একা ছিলো নন্দন আর ব্যস্ত ছিলো কানের দুল। তবে নরম কোনো খামে আর যেকটা ডাকনামে আমি ডাকতে যাবো, এমন সময় উড়লো চুল... ব্যস, তফাৎ দুটি মেরুর, আজ আঁচড় দিয়ে চিরুক চিরে অক্ষরেখা টান দিয়েছে সিঁদুর দাগ। তুমি আজও যে খুব পিওর, ধরে বয়েস রাখো সিওর আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক হুম, আমি চিরকালই চেয়েছি তুই এমনই থাক। ২.) |গ্রীণ বিলডিং | তোমার জানার কারণ খুবই সোজা, তার চেয়ে সোজা চৈত্র মাসের বাজার আমার স্বভাব নিতান্ত ...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...