সুদীপ্ত-র চতুর্থ একক ব্লগ সংকলন
👀বাতাসের চোখ👀
♥প্রচ্ছদ ছবি- ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।
♦লেখা- সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)।
----------------------------------------------
উৎসর্গ,
আমি আমার দাদু স্বর্গীয় শ্রী রাজ কুমার সাহু'কে সংকলন-টি উৎসর্গ করলাম।
**************************************
♥প্রনাম♥
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
♦ | সূচীপত্র | ♦
১.) আঁকা বাতাস
২.)রঙ তামাসা
৩.)রক্ত মেলানো শক্ত
৪.)ছুটির-তালা
৫.)খুঁজে নেবো ঠিকই
৬.)শৈশব রেখে এখন
৭.)বাক-শেষ
**********************
আমি শুধু শব্দ বসাই তোমরা ভালোবেসে
কবিতা বলো!
----------------------------
১.)(হঠাৎ এটা লিখেছিলাম দুপুরে ৩০.৩.১৮)
♦বিখ্যাত পেইন্টার henry matiz-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রকাশ♦
লেখা, তারিখ:- ৩০.৩.১৮ (দুপুর ২ টো)
| আঁকা বাতাস |
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
আমি লম্বা একটা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে ধূলিকণা আসবে, রাখবে নি:শ্বাস;
ঝরা পাতারা ঘূর্নির পাক খাবে।
পরজীবী জীবদের কথা বলতে পারছিনা,
পাতলা ডানার আচ্ছাদন পরে থাকবে পতঙ্গের
আমি লম্বা একটা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে কান্নারা ভিড় করবে
সবাই সাদা পোশাকে জলবিন্দু বিসর্জন করে যাবে,
বাকিরা করবে হাপিত্যেস,কেওবা সান্ত্বনা দেবে
আমি একটা লম্বা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে আগুন পোড়া শরীরে মিশে কেমন
একটা গন্ধ রাখবে!
২.)
( ৩১.৩.১৮ -র সকাল ৯:৩৭ এটা লিখছিলাম)
| রঙ তামাসা |
::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন(পাইকর,বীরভূম)
একটা সবুজ কথা দিয়ে ছিলো খুব
একটা সবুজ রোজ বাসে ট্রামে যেতে দেখি
একটা সবুজ তাকিয়ে থাকত চোখে
একটা সবুজ ইচ্ছে করেই রাখি।
আগেও একটা হলুদ দেখা দিয়েছিল
হালকা মত হলুদ খুব একটা গাঢ় নয়
কিন্তু অনেক দিন তার দেখা পায়নি আর
হলুদটা যেন কোথায় হারিয়ে গেল গোলাপ নেওয়ার পর।
এখন একটা বেগুনি নিয়েছি
বেশ গাঢ় একটা বেগুনি
বিছিয়ে দিয়েছি স্বপ্ন,স্বাদ আর দু-বেলা চা
সুগার বেড়েছে, তাই ক্রিম ক্রেকারও দেয় বেগুনিটা রোজ দু-বেলা।
৩.)(এটা লিখি ৩১.৩১৮ রাত্রি ৮:৪৮ মিনিটে)
! রক্ত মেলানো শক্ত !
::::::::::::::::::::::::-সুদীপ্ত সেন (পাইকর,বীরভূম)
আচমকায় জল চুঁইয়ে পড়ে ঘন বর্ষার পর রেলিং-র গা বেয়ে, ভেজা ছাতা শুকোতে দিই বারান্দায়,
কেউ বর্ষাতি গুলো খুলে রেখে দেয় তারে, শুকনো তেজপাতার ঝাঁজে খিচুড়ি রান্না হয়,
রাত্রি তখন অন্ধকারে মগ্ন প্রায় হয়ে গেছে, ভেজা রাস্তারা ঠিকানা সাজায়,
আমার বাড়ীর সামনে খানে খাঁচায় পরে থাকা "বসুয়া" সিঁদুর ধুয়ে নেওয়ার চেষ্টায় মর্মাহত!
রক্তের মতো লাল সেই রঙ দেখে আঁতকে উঠেছে ক্ষত!!
তার চেষ্টা অবিরাম ক্ষত মুছে দাও বৃষ্টি ফোটা'রা আজ।
আসলে ভয় পেয়ে গেছে দ্বন্দ্বের কারা রাম-রহিমের ভক্ত! আজ রক্তের কাঁটাতারে রক্ত মেলানো শক্ত!!
৪.) (এটা ব্রেক ডাউনের কবিতা)
| ছুটির-তালা |
::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
কমিটি ভাঙলো,
অফিসে তালা ঝুলছে,
ল্যান্ড লাইন টা কেটে দিয়ে যাবে খবর দিয়েছি,
পাশের ওই বটগাছটা থেকে পাতা গুলো পরে থাকবে
ভোলা কাকেও ছুটি দিয়েছি বলেছি আর ঝাঁট দিতে আসতে হবে না, ভোলাকাকার চোখে জল দেখলাম।
আসার সময় জানলাটা আটকে দিয়েছি, চেয়ার টেবিল ওগুলো এখনও থাকলো, ঘুন ধরতে পারে এই আশায়!
কাগজ পত্র গুলোও আছে পরে, এঁটো চায়ের কাপ গুলোতে পিঁপড়ে ধরলো।
খবরেরে কাগজওয়ালাকেও বলে দিয়েছি কালিদা আর দিওনা,ও বললো আচ্ছা।
আমি সাইকেলটা ঘুরিয়ে আর হ্যাঁ অফিসে ওই রবী ঠাকুর,সুকান্ত,নজরুল,সুনীল বাবুর ছবিতে কৃত্রিম মালা গুলো খুলিনি জানি ধুলো পড়বে আর একটা ধূপকাঠি জ্বলছে।
আমি চললাম তালা লাগিয়ে সাইকেল নিয়ে বাজারটা ক্রস করলাম পথে আসিফ দার সাথে দেখা এই শোন এই সংখ্যাটা ভালো হয়েছে আমি আমার পরীক্ষার পর আবার জয়েন্ট করবো কী স্যার নেবেন তো আমাকে আবার; আমি কিছু বলতে পারিনি বললাম আসি স্যার পরে কথা হবে, দাদা বোধহয় একটু অবাক হলো!!
ক্রিং ক্রিং একজন খুব চেনা মুখ অফিস থেকে ফিরছে থামলো হুমম দাদা তালা দিয়েছি, ঝুলছে!!
৫.) ( সন্তান যখন মা কে বলে চলে যাও এই ভাবনা থেকেই লেখা তবে কনসেপ্ট টা আমার সিনিয়ার অভিকদার থেকে সঞ্চিত)
(খুঁজে নেবো ঠিকই)
-------------সুদীপ্ত সেন
শুরু টা সুখের ছিল
কতনা হাসিখুশি,
বেশ চলছিল..
মাঝে ভালোবাসা অনেক বেশি।
কি যে হলো সব, বুঝিনা!
কাছে থাকা গুলো ফ্যাকাসে হলো
রঙ উঠলো লাল আর সাদাটা হিসেবের খাতায়!
ভারী বোঝা নয় বোঝাটাই ভারী এখানে!
তাতে কী? ওরা সুখে থাক
বেঁচে করে খাক।
আরও কত আছে আমি সাথে পাবো পথে পরে থাকা হাওয়া !!
৬.)
লেখাটি লিখেছিলাম ২.৪.১৮ তে সন্ধে ৭:২৮ মিনিটে শেষ শুরু টা মনে নেই।।
| শৈশব রেখে এখন |
:::::::::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
হরলিক্সের কার্টুন দিয়ে বাক্স তৈরী করেছিলাম একটা
তাতে যত্ন সহকারে রাখা ছিল আমার ছোটোবেলা
শক্তিমানের ছবি,কাগজের ফুল,ধূপকাঠির খাপ,রঙিন চক,আর কতগুলো চিরকুট
চিরকুটে লেখা ছিলো কখন কোথায়
খেলতে যাবো, বল কুরবো,প্রজাপতি ধরব,গিরগিটির রঙ বদলানো দেখব আরও কত....
ছাদে ফুটবে শীতের ফুল গাঁদা, ভরের কুয়াশা গায়ে মাখব, ছুটে যাব পাগলা পারের দিকে
সুইচের স্থিতি আনব মধ্যেখানে তাহলে ফ্যানটা চলবে?
গাড়ী গুলো সাজানো আছে এখনও কোনো এক বাক্সে,
কোনোটা ভেঙে গেছে,যেমন ভেঙেছে শৈশব
এখন একটা লোহার রঙের বাক্স করেছি
তাতে আছে এলিডি,ব্যাটারি,স্ক্রু, রোধ,একগুচ্ছ তারের জটিলতা আরও আছে...!
৭.) (সন্ধ্যে ৮:৩৬ মিনিটে ২.৪.১৮ তারিখে লিখেছিলাম।)
| বাক-শেষ |
::::::::::::::::::::::::::::::::-সুদীপ্ত সেন
আমি একটা অন্ধকারে একা বসে থাকতে খুব একটা পারিনা,কেন? সেটা বলা মুশকিল
আমার ভয় করে হয়তো!
আমি শহরের মেলার ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলাম একবার খুব মনে পরে তাই তারপর থেকে আর যাইনা!
আমার ভয় করে হয়তো!
আমি একবার ক্লাসে ইতিহাসে চতুর্থ অধ্যায়টা পড়ে যাইনি, ইচ্ছে করে নই
তাও মাস্টারমশাই আমাকে অনেক মেরেছিল,আর যাইনি,
আমার ভয় পেয়েছিল হয়তো!
আমি একটা অন্ধকারে একদিন একটা কেমন যেন কী দেখেছিলাম রাস্তায় টিউশন থেকে ফিরছিলাম তখন
কী দেখেছিলাম? বলছি
চারটে লোক কাপড় ঢাকা মুখ, একটা কে ওদের থেকে আলাদা, চিৎকার রক্তের বন্যা
আমাকে বলে গেল কাউকে বলবি না নইলে প্রান নিয়ে নেব,
আমার ভয় করেছিল খুব সেদিন খুব বৃষ্টি হয়েছিল রাতে, আমার আর কিচ্ছু মনে নেই আমি আর কথা বলিনা!
আমার ভয় করে হয়তো!!
তবে একবার চেষ্টা করেছিলাম আর পারিনি!!!
--------_---------_----------_----------
♥যাই হোক লেখা গুলো আচমকায় লিখেছিলাম। প্রচ্ছদ ছবি ফেসবুকে থেকেই সংগৃহীত কার থেকে পেয়েছিলাম মনে নেই যদি চিনতে পারেন/পারো আর মনে হয় এটা আপনার/তোমার ছবি তাহলে ধন্যবাদ বলা থাকল নেবেন প্লিস♥
👀বাতাসের চোখ👀
♥প্রচ্ছদ ছবি- ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।
♦লেখা- সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)।
----------------------------------------------
উৎসর্গ,
আমি আমার দাদু স্বর্গীয় শ্রী রাজ কুমার সাহু'কে সংকলন-টি উৎসর্গ করলাম।
**************************************
♥প্রনাম♥
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
♦ | সূচীপত্র | ♦
১.) আঁকা বাতাস
২.)রঙ তামাসা
৩.)রক্ত মেলানো শক্ত
৪.)ছুটির-তালা
৫.)খুঁজে নেবো ঠিকই
৬.)শৈশব রেখে এখন
৭.)বাক-শেষ
**********************
আমি শুধু শব্দ বসাই তোমরা ভালোবেসে
কবিতা বলো!
----------------------------
১.)(হঠাৎ এটা লিখেছিলাম দুপুরে ৩০.৩.১৮)
♦বিখ্যাত পেইন্টার henry matiz-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রকাশ♦
লেখা, তারিখ:- ৩০.৩.১৮ (দুপুর ২ টো)
| আঁকা বাতাস |
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
আমি লম্বা একটা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে ধূলিকণা আসবে, রাখবে নি:শ্বাস;
ঝরা পাতারা ঘূর্নির পাক খাবে।
পরজীবী জীবদের কথা বলতে পারছিনা,
পাতলা ডানার আচ্ছাদন পরে থাকবে পতঙ্গের
আমি লম্বা একটা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে কান্নারা ভিড় করবে
সবাই সাদা পোশাকে জলবিন্দু বিসর্জন করে যাবে,
বাকিরা করবে হাপিত্যেস,কেওবা সান্ত্বনা দেবে
আমি একটা লম্বা বাতাস এঁকে যাব শরীরের ওপর
সেখানে আগুন পোড়া শরীরে মিশে কেমন
একটা গন্ধ রাখবে!
২.)
( ৩১.৩.১৮ -র সকাল ৯:৩৭ এটা লিখছিলাম)
| রঙ তামাসা |
::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন(পাইকর,বীরভূম)
একটা সবুজ কথা দিয়ে ছিলো খুব
একটা সবুজ রোজ বাসে ট্রামে যেতে দেখি
একটা সবুজ তাকিয়ে থাকত চোখে
একটা সবুজ ইচ্ছে করেই রাখি।
আগেও একটা হলুদ দেখা দিয়েছিল
হালকা মত হলুদ খুব একটা গাঢ় নয়
কিন্তু অনেক দিন তার দেখা পায়নি আর
হলুদটা যেন কোথায় হারিয়ে গেল গোলাপ নেওয়ার পর।
এখন একটা বেগুনি নিয়েছি
বেশ গাঢ় একটা বেগুনি
বিছিয়ে দিয়েছি স্বপ্ন,স্বাদ আর দু-বেলা চা
সুগার বেড়েছে, তাই ক্রিম ক্রেকারও দেয় বেগুনিটা রোজ দু-বেলা।
৩.)(এটা লিখি ৩১.৩১৮ রাত্রি ৮:৪৮ মিনিটে)
! রক্ত মেলানো শক্ত !
::::::::::::::::::::::::-সুদীপ্ত সেন (পাইকর,বীরভূম)
আচমকায় জল চুঁইয়ে পড়ে ঘন বর্ষার পর রেলিং-র গা বেয়ে, ভেজা ছাতা শুকোতে দিই বারান্দায়,
কেউ বর্ষাতি গুলো খুলে রেখে দেয় তারে, শুকনো তেজপাতার ঝাঁজে খিচুড়ি রান্না হয়,
রাত্রি তখন অন্ধকারে মগ্ন প্রায় হয়ে গেছে, ভেজা রাস্তারা ঠিকানা সাজায়,
আমার বাড়ীর সামনে খানে খাঁচায় পরে থাকা "বসুয়া" সিঁদুর ধুয়ে নেওয়ার চেষ্টায় মর্মাহত!
রক্তের মতো লাল সেই রঙ দেখে আঁতকে উঠেছে ক্ষত!!
তার চেষ্টা অবিরাম ক্ষত মুছে দাও বৃষ্টি ফোটা'রা আজ।
আসলে ভয় পেয়ে গেছে দ্বন্দ্বের কারা রাম-রহিমের ভক্ত! আজ রক্তের কাঁটাতারে রক্ত মেলানো শক্ত!!
৪.) (এটা ব্রেক ডাউনের কবিতা)
| ছুটির-তালা |
::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
কমিটি ভাঙলো,
অফিসে তালা ঝুলছে,
ল্যান্ড লাইন টা কেটে দিয়ে যাবে খবর দিয়েছি,
পাশের ওই বটগাছটা থেকে পাতা গুলো পরে থাকবে
ভোলা কাকেও ছুটি দিয়েছি বলেছি আর ঝাঁট দিতে আসতে হবে না, ভোলাকাকার চোখে জল দেখলাম।
আসার সময় জানলাটা আটকে দিয়েছি, চেয়ার টেবিল ওগুলো এখনও থাকলো, ঘুন ধরতে পারে এই আশায়!
কাগজ পত্র গুলোও আছে পরে, এঁটো চায়ের কাপ গুলোতে পিঁপড়ে ধরলো।
খবরেরে কাগজওয়ালাকেও বলে দিয়েছি কালিদা আর দিওনা,ও বললো আচ্ছা।
আমি সাইকেলটা ঘুরিয়ে আর হ্যাঁ অফিসে ওই রবী ঠাকুর,সুকান্ত,নজরুল,সুনীল বাবুর ছবিতে কৃত্রিম মালা গুলো খুলিনি জানি ধুলো পড়বে আর একটা ধূপকাঠি জ্বলছে।
আমি চললাম তালা লাগিয়ে সাইকেল নিয়ে বাজারটা ক্রস করলাম পথে আসিফ দার সাথে দেখা এই শোন এই সংখ্যাটা ভালো হয়েছে আমি আমার পরীক্ষার পর আবার জয়েন্ট করবো কী স্যার নেবেন তো আমাকে আবার; আমি কিছু বলতে পারিনি বললাম আসি স্যার পরে কথা হবে, দাদা বোধহয় একটু অবাক হলো!!
ক্রিং ক্রিং একজন খুব চেনা মুখ অফিস থেকে ফিরছে থামলো হুমম দাদা তালা দিয়েছি, ঝুলছে!!
৫.) ( সন্তান যখন মা কে বলে চলে যাও এই ভাবনা থেকেই লেখা তবে কনসেপ্ট টা আমার সিনিয়ার অভিকদার থেকে সঞ্চিত)
(খুঁজে নেবো ঠিকই)
-------------সুদীপ্ত সেন
শুরু টা সুখের ছিল
কতনা হাসিখুশি,
বেশ চলছিল..
মাঝে ভালোবাসা অনেক বেশি।
কি যে হলো সব, বুঝিনা!
কাছে থাকা গুলো ফ্যাকাসে হলো
রঙ উঠলো লাল আর সাদাটা হিসেবের খাতায়!
ভারী বোঝা নয় বোঝাটাই ভারী এখানে!
তাতে কী? ওরা সুখে থাক
বেঁচে করে খাক।
আরও কত আছে আমি সাথে পাবো পথে পরে থাকা হাওয়া !!
৬.)
লেখাটি লিখেছিলাম ২.৪.১৮ তে সন্ধে ৭:২৮ মিনিটে শেষ শুরু টা মনে নেই।।
| শৈশব রেখে এখন |
:::::::::::::::::::::::::::::::::::- সুদীপ্ত সেন
হরলিক্সের কার্টুন দিয়ে বাক্স তৈরী করেছিলাম একটা
তাতে যত্ন সহকারে রাখা ছিল আমার ছোটোবেলা
শক্তিমানের ছবি,কাগজের ফুল,ধূপকাঠির খাপ,রঙিন চক,আর কতগুলো চিরকুট
চিরকুটে লেখা ছিলো কখন কোথায়
খেলতে যাবো, বল কুরবো,প্রজাপতি ধরব,গিরগিটির রঙ বদলানো দেখব আরও কত....
ছাদে ফুটবে শীতের ফুল গাঁদা, ভরের কুয়াশা গায়ে মাখব, ছুটে যাব পাগলা পারের দিকে
সুইচের স্থিতি আনব মধ্যেখানে তাহলে ফ্যানটা চলবে?
গাড়ী গুলো সাজানো আছে এখনও কোনো এক বাক্সে,
কোনোটা ভেঙে গেছে,যেমন ভেঙেছে শৈশব
এখন একটা লোহার রঙের বাক্স করেছি
তাতে আছে এলিডি,ব্যাটারি,স্ক্রু, রোধ,একগুচ্ছ তারের জটিলতা আরও আছে...!
৭.) (সন্ধ্যে ৮:৩৬ মিনিটে ২.৪.১৮ তারিখে লিখেছিলাম।)
| বাক-শেষ |
::::::::::::::::::::::::::::::::-সুদীপ্ত সেন
আমি একটা অন্ধকারে একা বসে থাকতে খুব একটা পারিনা,কেন? সেটা বলা মুশকিল
আমার ভয় করে হয়তো!
আমি শহরের মেলার ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিলাম একবার খুব মনে পরে তাই তারপর থেকে আর যাইনা!
আমার ভয় করে হয়তো!
আমি একবার ক্লাসে ইতিহাসে চতুর্থ অধ্যায়টা পড়ে যাইনি, ইচ্ছে করে নই
তাও মাস্টারমশাই আমাকে অনেক মেরেছিল,আর যাইনি,
আমার ভয় পেয়েছিল হয়তো!
আমি একটা অন্ধকারে একদিন একটা কেমন যেন কী দেখেছিলাম রাস্তায় টিউশন থেকে ফিরছিলাম তখন
কী দেখেছিলাম? বলছি
চারটে লোক কাপড় ঢাকা মুখ, একটা কে ওদের থেকে আলাদা, চিৎকার রক্তের বন্যা
আমাকে বলে গেল কাউকে বলবি না নইলে প্রান নিয়ে নেব,
আমার ভয় করেছিল খুব সেদিন খুব বৃষ্টি হয়েছিল রাতে, আমার আর কিচ্ছু মনে নেই আমি আর কথা বলিনা!
আমার ভয় করে হয়তো!!
তবে একবার চেষ্টা করেছিলাম আর পারিনি!!!
--------_---------_----------_----------
♥যাই হোক লেখা গুলো আচমকায় লিখেছিলাম। প্রচ্ছদ ছবি ফেসবুকে থেকেই সংগৃহীত কার থেকে পেয়েছিলাম মনে নেই যদি চিনতে পারেন/পারো আর মনে হয় এটা আপনার/তোমার ছবি তাহলে ধন্যবাদ বলা থাকল নেবেন প্লিস♥






Comments
Post a Comment