Skip to main content

তৃতীয়

         সুদীপ্ত-র তৃতীয় একক সংকলন
                     ★জোনাকির কান্না★

 

♥প্রচ্ছদ ছবি- ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

♦লেখা- সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)।
      (সবটাই কল্পনা থেকে লেখা)


♦কবিতায় ব্যবহৃত ছবি গুলি  ফেসবুক থেকে গৃহীত।
----------------------------------------------

উৎসর্গ,
           আমি আমার ঠাকুমা শ্রীমতী ঁশ্যামা রানি সেনকে সংকলন-টি উৎসর্গ করলাম।
**************************************





         


                      ♥প্রনাম♥

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

                    ♦  | সূচীপত্র | ♦

★ একমুখী প্রেম

★ কোনো এক রাতে ভাবছি

★ বলে যাইনি

★ অনেক কাল পেরিয়ে

★ শেষ চিঠি-টা

★ যখন সময় নেই

★ জোনাকির কান্না

-------------------------------------------

১.)          
               | একমুখী প্রেম |

ছেলেটির নাম উজ্বল বসাক। ফটোগ্রাফার হতে চায় সে।বাবার কিনে দেওয়া nikon-র DSLR দিয়ে ভারী অদ্ভূত ছবি তোলে আর ওগুলো পোস্ট করে ফেসবুকে, এভাবে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট বাড়তে থাকে। হঠাৎ একদিন চারুলতা নামে একটি মেয়েকে ভালো লাগে তার,কথা হয়, ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব বাড়ে। উজ্বল তাকে অনেক ভাবে ভালোবাসার কথা বলতে চেয়েছে  কিন্তু চারুলতা তা মানতে চায়নি,উজ্বল জানতে চেয়েছে কেনো? চারুলতা বলেছে আমি সম্পর্কে জড়াতে চাইনা। উজ্বল প্রশ্ন করেনি। হঠাৎ একদিন উজ্বল দেখে চারুলতার ফেসবুকে in relationship ranojit।  উজ্বল প্রশ্ন করেনি সেদিন, এরপর কাটতে থাকে দিন উজ্বলের সাথে চারুলতা কথা কমায় এমনকি তাকে ব্লক করে দেয় চারুলতা, উজ্বল বুঝতে পারেনা কেনো তবুও কিছুই জানতে চায়নি সে। কেটে যায় বেশ কিছু দিন। তারপর একদিন উজ্বলের ফোনে বেজে উঠলো রিংটোন 'চারুলতা'। উজ্বল ফোন ওঠায় চারুলতার প্রথম ফোন তুমি কী ফাঁকা আছো? উজ্বল বলে হুম তারপর নানান কথা বার্তা হলো কেমন আছো? কী করছো? এরপর হটাৎ চারুলতার কান্না রণজিৎ ছেড়ে গেছে!  উজ্বল কিছুক্ষণ চুপ থেকে  বললো তাহলে এখন কী করবে? চারুলতা বললো একটু ঘুমের ওষুধ হবে আমি ঘুমোবো। উজ্বল  চাপা গলায় বললো রাখছি। এরপরেও মাঝে মাঝে চারুলতা ফোন করেছে তার মনের অবস্থা বলেছে, উজ্বল চেষ্টা করেছে তাকে সামলানোর।  যখন আবার বন্ধুত্ব হলো তখন উজ্বল একদিন বলে চারুলতা I LOVE YOU  কিন্তু চারুলতা সেদিন বলে ভবিষ্যৎ-র জন্য অপেক্ষা করা দরকার উজ্বল বুঝতে পারেনা কি করবে শুধু এটুকু পরিস্কার চারুলতা তাকে ভালোবাসে না কিন্তু উজ্বল বাসে।তারপর অনেক কাল পেরিয়েছে শুনেছিলাম ওরা নাকি আর কথা বলেনা কোনো যোগাযোগ নেই তাদের। চারুলতার বোধহয় বিয়ে হয়ে গেছে এতোদিন, কী হয়নি ঠিক জানিনা তবে উজ্বল একজন বড়ো মাপের ফটোগ্রাফার দেশে বিদেশে তার ছবি বিক্রি হয় এখন।  এখনও সে বিয়ে করেনি, কলকাতাতে থাকে অনেক কাল খবর নেই আমার মনে হয় সেই প্রেম নিয়েই আজও সে বাঁচে আছে একমুখী প্রেম বলাই ভালো।
তোমাদের/আপনাদের কী মনে হয়?
                   
         
২.)
           [কোনো এক রাতে ভাবছি]

প্রিয়,
       চারুলতা
   আজ অনেককাল পেরিয়ে গেলো আমার জীবনেও অনেকটা সময় পেরিয়েছে কাজের চাপ প্রতিনিয়ত শ্বাস ফেলতেও ভুলে যাই হয়তো। জানো, আজ আমি অনেক বড়ো ফটোগ্রাফার, আমার তোলা ফটো তোমার ঘরে আছো হয়তো। তুমি নিশ্চয় ভালো আছো  লাস্ট কবে কথা বলেছি ঠিক মনে পরছেনা।আজ হঠাৎ তোমার কথা মনে পরলো কেন জানিনা। আচ্ছা একটা কথা আমাকে এখনও ভাবায় জানো, তুমি সেদিন কেনো বলেছিলে আমায় 'যে তোমার প্রেমিক তোমায় ছেড়ে চলে গেছে',কেনো কেঁদেছিলে? এই প্রশ্ন এখনও আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খাই। আজ হঠাৎ লিখছি পারছিনা বিশ্বাস করো হিসেব মিলছেনা, আচ্ছা তুমি এটা ভাবোনি তো যে আমি তোমার প্রেমিককে ভাঙিয়েছি? যদি ভেবে থাকো তাহলে শোনো ওরকম কাজ আমি স্বপ্নেও ভাবিনি, চারুলতা যেখানে খুশী তা আমি কেনো ভেঙে দেবো? আমার তাতেই খুশি।  আমি মরেও শান্তি পাবোনা  কারণ এই উত্তর টা আমি কোনোদিন জানতে পারবো না আমি জানি। তাও বলছি বিশ্বাস করো আমি ওসব কিছু করিনি আমি কোনোদিন তোমার প্রেমিকের সাথে কথায় বলিনি। এতোটুকু বিশ্বাস থাকলে বিশ্বাস কোরো কথাটা। ভালো থেকো চারুলতা।
                                          ইতি,
তারিখ,
২.২.২০০৯                            উজ্বল বসাক
                       

         

৩.)          
               [বলে যাইনি]

প্রিয়,
     উজ্বল
আমি চারুলতা, সেদিন যখন ও আমাকে ছেড়ে চলে যায় তার একটা কারণ অবশ্যই ছিলো নইলে তোমাকে হঠাৎ বলবো কেনো।
তুমি কী ভেবেছো আমি জানিনা জানতেও চাই না কারণ আজ আর কোনো দাম নেই তার তোমার ঠিকানাও আমার কাছে নেই তাই তোমায় জানাতেও পারবো না তাও লিখে রাখলাম। তখন আমার ক্যানসার ধরা পরে ব্রেয়েস্ট(breast) ক্যানসার আমি ওকে সেটা জানাই পরের দিন ও বলে চারুলতা আমার পক্ষে এই সম্পর্কটা রাখা সম্ভব নয় ও বলে ও বেরোতে চায় আমি না করিনি। আর তোমায় যেদিন ফোন করি সেদিন তোমার কাছে আমাকে খুব ছোটো লাগছিলো ভেবেছিলাম ক্ষমা চাইবো কিন্তু চাওয়া হয়নি। আমি কিন্তু জানতাম আমি যদি তোমায় কারণটা বলতাম তুমি আামায় ছাড়তে না বরং বলতে আমি আছি কিন্তু আমি তা চাইনি।আমি জানি তুমি বোধহয় ভেবেছিলে আমি ওকেই আবার চাই কিন্তু বিশ্বাস করো আমি তোমাকে ভালোবাসতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার মনে হয়েছিলো আমার জীবনে তোমাকে জড়াবো না  এতে অনেক কষ্ট বাড়তো। আমি চেয়েছিলাম তুমি অনেক বড়ো ফটোগ্রাফার হও আজ তুমি তা হয়েছো জানোতো আমার ফুলকাকিমা আমার জন্মদিনে তোমার ছবি দিয়েছিলো সেই ঝড়নার ছবিটা অপুরূপ। তুমি হয়তো আমায় ভুল বুঝে আছো তুমি হয়তো আমায় ক্ষমা করোনি তাই হয়তো ভগবান আমায় পাপ দিয়েছে অ্যাক্সিডেন্ট্যালি আমি বেঁচে যাই বিশ্বাস করো তারপর অনেক কিছু বদলে গেছে তোমার হোয়াটস অ্যাপ নম্বর টাও। এখন আমি একটা স্কুলে বায়োলোজির শিক্ষীকা,সামনের ১৯ মাঘ আমার বিয়ে, আচ্ছা তুমি বিয়ে করেছো নিশ্চয়?  বেবি হয়েছে?  মেয়ে না ছেলে? হা হা হা। পারলে ক্ষমা করে দিও প্লিস।

তারিখ                               ইতি,
২.১২.২০১০                 তোমার চারুলতা


         

৪.)      
               অনেক কাল পেরিয়ে
              ----------------------

হঠাৎ একদিন উজ্বলের মনে হলো চলো আজ যাওয়া যাক চারুলতার বাড়ী তবে সে যে তার বাড়ী চেনে বা চিনতো এমনটা কিন্তু নই শুধু জানতো কৃষ্ননগর যাই হোক সে যাবেই বলে ঠিক করলো আর সে তার সবচেয়ে প্রিয় ছবি গুলো তাকে দেবে বলে ছবি গুলো প্যাকিং করে টুলবক্সে নিয়েছে। উজ্বল ভেবেছিলো চারুলতার বিয়ে হয়ে গেছে তবুও ছবিগুলো  সে তার বাড়ীর কাওকে দিয়ে আসবে। সেই মতো কলকাতা থেকে বাইক নিয়েই বেরল উজ্বল। long drive উজ্বলের বেশ লাগে আর সেটা বাইকে হলেতো কোনো কথা হবেনা। যখন কৃষ্ননগর পৌঁচলো তখন সে ফেসবুক ঘেঁটে খুব কষ্ট করে চারুলতার একটা ছবি সেভ করলো আর একটা বাচ্চাকে দেখতে পেয়ে তাকে ডেকে সে ছবিটি দেখিয়ে বললো তুমি একে চেনো। বাচ্চাটি এক গাল হেসে বললো এটা তো আমাদের টীচার দিদি হাহা কত্তো ছোটোবেলাকার ফটো, তুমি চেনো হুমম কাকু চিনি ইনারা এখানকার বুনিয়াদি লোক। উজ্বলের মুখে তখন একটা হাসি কান্না মিশ্রিত। তোমার নাম আমার নাম শুভ এখানেই বাড়ী উজ্বল তাকে বললো বাবু আমার বাইকে চেপে তোমার টীচার দিদির বাড়ী আমাকে দেখিয়ে দেবে ছেলেটি একটু চুপচাপ থাকার পর বললো হুমম, আসলে উজ্বল তার কাছে অচেনা তাই হয়তো এই চুপচাপ থাকা আর পরে হ্যাঁ করার কারণ হয়তো উজ্বলের চোখের জল। পথে আসতে আসতে ওর সাথে উজ্বলের অনেক কথা হলো। ছেলেটি ওকে নিয়ে গেলো চারুলতার বাড়ীর সামনে, একটা প্যান্ডেল হইহট্টগোল। ঢুকতেই একজন বয়স্ক ভদ্রলোক বললেন কে? উজ্বল থমকে গেছে আমি কাকু উজ্বল বসাক, চারুর বন্ধু (উনি বললেন)? হুম (উজ্বল)।
উজ্বল প্রণাম করলো তাঁকে তারপর একজন ভদ্রমহিলা এলেন বসো বাবা চারু তো ব্যস্ত আছে তুমি রেস্ট নাও অতোদূর থেকে এসছো এই বলে বাচ্চা টাকে আর উজ্বলকে জলখাবার দিলো। খাবার খাওয়ার পর ছবির বান্ডিল টা উজ্বল ভদ্রমহিলাকে দিয়েছে কাকিমা এটা চারুলতাকে দেবেন কেনো বাবা তুমি নিজে দেবে, উজ্বল বললো না, আসলে আমার একটা জরুরি ফোন এসেছিলো আমাকে যেতে হবে তারপর একটা প্রনাম করে  উজ্বল বাচ্চাটিকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে গেলো। বান্ডিলের ভেতর উজ্বলের 'শেষ চিঠি-টা' আছে। তারপর বুলেট শব্দ করলো। ঠিক যেখান থেকে বাচ্চাটিকে সে তুলেছিলো ওখানেই নামিয়ে দিলো আর কাছের দোকান থেকে ক্যাটবেরি সেলিব্রেশনের বেশ কয়েকটি প্যাকেট কিনে দিলো তাকে।  বাচ্চাটি উজ্বলের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে তুমি কাঁদছো কেনো?
উজ্বল বলে নাতো,কই?
ছেলেটি প্রশ্ন করলো টীচারদিদি তোমার কে হয়?
উজ্বল খানিকটা চুপ করে থেকে বলল তোমার টীচার দিদি আমার জোনাকি হয়!
ছেলেটির নিস্পাপ হাসি বাই কাকু। বাই।

             

৫.)
                [ শেষ চিঠি-টা ]

প্রিয়,
     চারুলতা
আজ তোমায় দেওয়া আমার শেষ চিঠি।
আমি এক দুর্ভাগা, চারুলতা তোমায় আজ আমার সবচেয়ে প্রিয়, লোকেরা যেগুলো লাখ টাকা দিয়ে কেনে সেই ছবি গুলো দেবো। আসলে  তোমার বাড়ী আসবো বলে একরকম ঠিকই করেছিলাম আজ আর এই ছবি গুলো দেবো ভেবেই নিয়েছিলাম সঙ্গে তবে আজ তোমার বিয়ে এটা জানতাম না, এক দারুণ খুশির দিন, আমি ভেবেছিলাম এতোদিনে তোমার বিয়ে হয়ে গেছে তবে অনেক দেরি করলে বিয়ে করতে ওরকম দেখতে তুমি এখনও আছো নিশ্চয় আর চুলটা ওরমই আছে তো লম্বা। দেখো এখনও ভুলিনি কিন্তু। শোনো তোমার মাকে(কাকিমা) এই ছবি গুলো দিলাম।নতুন জীবনে খুব খুশী হইও। একটা জিনিস দেখো, আজ তোমার এত্তো কাছে এসেও তোমায় দেখতে পেলামনা হয়তো এটাই ভগবান চায়। আসছি অনেকটা যেতে হবে, এই একাকী একমুখী প্রেম নিয়ে বাকিটা কাটাবো যেমনটা কথা ছিলো। শুধু তুমি ভালো থেকো চারুলতা।

তারিখ,                            ইতি,
১৯.১.২০১১।             উজ্বল বসাক

         
             
৬.)
         | যখন সময় নেই |

তুমি তাকালেনা, নি:শব্দ
আমি তখন নিকোর ধূমোয় ধূসর হয়েছি
কেনো? কেনো? কেন-র প্রশ্নে!
আর তখন শেষ চিঠি তুমি পড়ছো!
চোখের জল পরলো,চিঠি ভিজলো
তুমি নির্বিকার, আমি চলছি..
হেলমেট ঝুলছে হ্যানডেলে
শহর পেরল, দিন রাত হলো
সিঁদুর উঠলো সিঁথিতে
পূর্ণতা পেলো শরীর
আর একাকীত্ব আঁকড়ে থাকলো স্মৃতি।


         
৭.)

            (জোনাকির কান্না)

সবই হলো গল্পের মতো করে। পরের দিন খবরের কাগজে বড়ো বড়ো করে ছাপ হলো "বিখ্যাত ফটোগ্রাফার উজ্বল বসাক বাইক অ্যাক্সিডেন্টে প্রান হারালেন কাল রাত্রি ১০টা ৩০ মিনিটে"।  এটা নিছোকই অ্যাক্সিডেন্ট নাকি সুইসাইড কেও জানলোনা। চারুলতা শোশুড়বাড়ীতে সকালের স্নান সেরে পেপার হাতে সবটা পড়লো, নির্বাক চারুলতা শব্দ করলোনা।

সাওয়ার চালু হলো  খুব জোড় শব্দ...।
জোনাকির কান্না!!


                      ঁ    ঁ     ঁ


Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...