Skip to main content

যদিও ওরাই ভালো বলতে পারবে ব্যাপারটা তবুও আমি আমার মতো করে ভাবনা দিলাম।
         কমেন্টের আশা রাখি।
****************|***************
           
প্রচ্ছদ:-   শাহানাজ  মৌ ;(বাংলাদেশ)
           
     
  লেখা :- সুদীপ্ত সেন [ডট.পেন] ;(ভারত)                
 
 কবিতায় ব্যবহৃত সব ছবিই ফেসবুক থেকে নেওয়া কোনোটা অনুমতিহীন বা কোনোটা অনুমতি যুক্ত।
      ---------------------------------
             

                    [সূচী-টা]

★ বাদাম ভাজা

★ চায়ের সুরুক

★ শূন্যতা

★ যা কিছু তুচ্ছ


      ------------------------------

 ১.)
        | বাদাম ভাজা |

কড়াই তাঁতে বালির ওপর বাদাম ভাজা
বালিও পুড়ে কালো হয়ে যায় বাদাম ফোটে
মাঝ বয়সি,বাচ্চা ছেলে কিংবা বড়ো
ঠোঙায় সাজা বাদাম নিতে সবাই জোটে।

বাদাম হাতে প্রেম-আলাপি গঙ্গা পাড়ে
মেলায় খেলায় বাচ্চা ছেলে বায়না ধরে
হিসেব গুনে দর কষে যায় কুড়ি টাকা শো'ও
মান রাখতে কিনেই ফেলে অল্প করে।

বাদাম ভাজার স্বাদ চিনেছে বীটলবনই
বাকিরা সবাই টাইম পাসে বাদাম চিবোই
বড়োরা বলে আহারে দারুণ বালির ভাজা
তাই সুযোগ বুঝে কিনছে বাদাম ঠিক তখনই।

দিন ফুরোল, ফিরলো বাড়ী সবাই যখন
বাদাম গুলো কিছুটা পরে কড়াই পাসে
কালো হয়ে যায় বালিরা পুড়ে গন্ধ তখন
গুছিয়ে নিয়ে পুঁজির কাছে হাতটা আসে।

বালিও বোঝে পোড়ার জ্বালা কালোটা কেমন
বালির পোড়া গন্ধ আসল বাদাম জানে
কড়াই তখন যেমন তেমন বিষন্নতায়
বিক্রেতায় কেবল বোঝে বাদাম ভাজার আসল মানে।

           

২.)      

   
            | চায়ের সুরুক |

রোজ সকালে দরজা খুলে পাত পারো রোজ রাস্তাতে
সময় হলেই সব জুটে যায় পথের কাপের সস্তাতে।

গল্প থাকে, তর্ক জমে, চাঁদুর বেটার কেচ্ছাটা
নতুন নতুন টপিক্স জোটে খাচ্ছো যখন পথের চা।

কেউবা বলে দু-টো দিয়ে যা দোকানে এসে পয়সা নে
কেউবা আবার তবুও চমুক সুগার আছে সাবধানে।

চায়ের আমেজ সবাই পেলো তোমার পাতা রোজটাতে
গন্ধটা চা ছড়িয়ে দিলো দোকান ঘরের সবটাতে।

সবাই পেলো, সবাই গেল কেউবা আবার সবটা শেষ
তুমিও কিন্তু বাদ পরেছ মানিয়ে নিলে আচ্ছা বেশ।

৩.)  

            | শূন্যতা |

পা ফেলে রোজ চলতে হয় আমাদের
যখন শুকতারা জ্বলছে আকাশে
সারাদিন জলে চলছি,চলছে নৌকা...
সমুদ্র স্নান করছে, ঢেউ ফিরছে আবার আসছে
আমরা তখন অনেকটা দূরে
তবুও দ্রাঘিমা ছুঁয়নি কোনোদিন
যেটুকু হয় তাতে কোনোরকমে...!
সকাল হয়েছে ভোরটা, সূর্য উঠলো
নৌকা ফিরলো, জাল উঠিয়ে নিয়েছি
পায়নি আজ ভালো লাগা টুকু
শুধু ঝেড়ে দেখি দু-টো কাঁকড়া আর শূন্যতা!!

৪.)  

             | যা কিছু তুচ্ছ |

চলছে সবাই ছুটছে কত দিক্বিদিকের ছন্নছাড়া
আসছে সবাই কিনছে কত নিয়ম মেনে গুনতি করা।

একতারাতে সুর উঠেছে বাউল জানে সুরের মানে
আর জানে ওই একতারাটা যখন তখন যেকোনোখানে।

হরেকরকম নিত্যনতুন তোমরা যখন সবাই  মাতো
একতারাটা কাঁদছে দেখো ওদের ছেড়ে কোথায় হাঁটো।

টেরিকাটাতেও মুখ ফিরিয়ে যাচ্ছো কোথায় যা কিছু নকল
হাতের প্রতি এমন কেন বিরহ দিলে তোমরা সকল।

দাম বেশি নয় খাটনি বেশি মিথ্যে শুধু শেষ হাসিটা
বোঝোনা কেন সুর তুলে দেয় হাতের কাজের একতারাটা ?



Comments

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...