Skip to main content

প্রথম

                   


সুদীপ্ত-র একক কবিতা ব্লগ সংকলন
           ★এটাই তো বেঁচে থাকা★

♥প্রচ্ছদ ছবি- অনুপম রায়ের পারসোনাল  ফেসবুক থেকে নেওয়া।

♦লেখা- সুদীপ্ত সেন (ডট.পেন)

♦কবিতায় ব্যবহৃত ছবি গুলি বেশিরভাগ ফেসবুক থেকে গৃহীত আর কিছু কিছু নিজস্বী।
------------------------------------------------------
 :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::                


::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

উৎসর্গ,            
            আমি আমার ঠাকুরদা শ্রী ঁ শঙ্কর প্রসাদ সেন কে এই সংকলনটি উৎসর্গ করছি।
**************************************
                   
                      ♥প্রনাম♥

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
                   ♦সূচী-র পাতা♦

১★ রঙ  চাইছে

২★ বাঙালী সুর

৩★পুরোনো অভ্যেস

৪★অন্যরাত

৫★যুদ্ধ এখন মুক্তি খোঁজে

৬★অশৌচ কলম

৭★গ্রীষ্ম গরম

৮★এটাই তো বেঁচে থাকা

৯★ইস্টোজেনের ফোটা

১০★ প্রথম চুমু      
::::::::::::::::::::::::::**************::::::::::::::::

১.)
           | রঙ চাইছে |

কোনো এক ভোরে আবার আসবো
পারলে অপেক্ষা করে থেকো

হয়তো, তোমার ঘুম ভাঙাবো!
দরজার কড়া নেরে বলবো,বামি ওঠো

তুমি আলতো করে আবছা চোখের পাতা
বিরক্তিতে ঘুমকে আপন করো

                 চু
                      (কিছুক্ষণ)
                 প
আবার ডাকবো, বামি চোখের পাতা খোলো
    আমি দাঁড়িয়ে তোমার দ্বারে।
বামি ভোর হয়েছে দেখো,
     তুমি কথা দিয়েছিলে তারে।

তুমি উঠবে এবার জেগে, ঘরে সিদ্ধিদাতা গণেশ
মেটাবে হাত তুলে আলসেমি
আমি চুপটি করে থামি।

কে? কে তুমি?

আগে দরজা খোলো--
আজ রঙ এনেছি আমি,রঙিন রাঙা সবুজ,
আহা দরজা খোলো বামি-
তুমি আজও দেখি অবুজ!!


২.)
           | বাঙালী সুর |

জল ভিজে থাক পদ্মপাতার নীচে
ঘুমুর পায়ে বিম্ববতী হঠাৎ
যেই ভেবেছি স্পর্শ করি তাকে,জল ছুঁয়েচি
বিম্ববতী লজ্জা রাঙা হয়ে, ডুব দিয়েছে!

কোথায় গেলে বিম্ববতী তুমি
অনেক পরে হঠাৎ কেমন দেখা
জলফড়িং করছে জলে খেলা
হারিয়ে গেলে, বিম্ববতী, একা?

আবার সেদিন বারান্দাতে থামি
পৌহরী গুলো দরজা গায়ে ঘুমোই
আলতা পায়ের ছাপ দেখেছি আমি
পালিয়ে গেলে,নেমে আসার সময়।

বিম্ববতী,কাজল কালো চোখে
বিম্ববতী,পদ্ম জলের বুকে
বিম্ববতী,বোঝোনা কেন আমায়
বাঙালীয়ানা এখনও আমার জামায়।


৩.)
     | পুরোনো অভ্যাসে |

ছোটোবেলাটা ভালোই ছিলো-- খামার জুড়ে
গন্ধছিলো নতুন ধানের,গোয়াল ঘরে।

ঘুম গুলো সব--মায়ের হাতের ভাত খেয়েছে
সন্ধ্যে হলেই ম্যাগির চামচ ফুরিয়ে গেছে।

আমুল দুধের স্বাদ বুঝেছে হাতের তালু
লাল ষাঁড়টা খোল খেয়েছে ভীষন চালু।

হিসেব গুলো সাজানো আছে,মনের খাতায়
বৃষ্টি হলে পরতো আমার স্কুলের ছাতায়।

বলদ দুটো জিরিয়ে নেওয়ার সুযোগ খোঁজে
ভাগীদারে' রা খাচ্ছে যখন সময় বোঝে।

ছাড়লো সবাই পেরিয়ে গেলো অনেক বছর
দেওয়াল ঘরে এখনও থাকে পুরোনো খেচর।

গন্ধ গুলো হারিয়ে গেছে গোবর পোচার
ছাদের থেকে লুকিয়ে খেতাম আমের আঁচার।

এখনও ভাবি অায় ফিরে আয় অন্য ভোরে
জ্যান্ত হবে শব গুলো সব?
                             ঘড়ির কাঁটা পিছন করে!


৪.)
              | অন্যরাত |

তুমি উষ্ণ ছোঁয়াও শারীরিকতা
বিছানা তোমার অপেক্ষাতে
শুকনো গোলাপ জল ছুঁয়ে থাক
রক্ত ভেজা তোমার হাতে!

ওষ্ঠ ছোঁয়াও আলতো করে
কষ্ট ব্যথা জরায়ু বোঝে
প্রোজেস্টেরন মজুত আছে
অন্ধকারে স্তনের খোঁজে!

তুমি আব্রু ভেঙে অর্থ খোঁজো
চিন্তাবিহীন ডায়াফ্রামে
স্রাবের জালা তুমিও বোঝো
কেও তৃপ্তি শুকে তোমার ঘামে!

বদ্ধ ঘরে তুমিও রানী
সেজে উঠেছো লোভের চোখে
শান্ত হলে লুটিয়ে পরো
রিল্যাক্সিনের ফোটার শোকে!

হঠাৎ কোনো সাঁঝের বেলায়
তারার কাছে বায়না ধরো?
ইচ্ছে করে বেশ্যা তোমার!
প্রসব ব্যথা সহ্য করো!!

৫.)
  |  যুদ্ধ এখন মুক্তি খোঁজে |

কাঁটাতারে আজও যুদ্ধ বাঁধা
কারাগারে থাকে নেতা
কেওবা আবার হারিয়ে ফেলে
কেও সেজে যায় বিজেতা।

অনেক হলো যুদ্ধ বোমা
মানুষ সাজে মৃত
ক্ষমাও তুমি চাইতে পারো
যদি বিবেক খুঁজে পেতো।

মাতৃস্তনে মুখ ডুবিয়ে
আঁচল ঢাকা শিশু
কখন পিতা প্রান হারাবে
জানে না কোনো হেতু।

যুদ্ধ সেতো অনেক হলো
থেমে যাওনা এবার।
যুদ্ধ এখন মুক্তি খোঁজে
শান্তি খুঁজে নেবার।।

৬.
    | অশৌচ কলম |

পবিত্রতা জ্যান্ত মানুষ বোঝে
প্রান ফুরোলেই আগুন ছোঁয়াও মুখে

পিছন ফিরে দেখতে গেলেই বিপদ
স্নান করে একলা চলো ছুটে

দুঃখ গুলো বাড়িতে ফিরে ভয়ে
কম্বলে আর সাদা থানে তুমি জরাও

নিয়ম কানুন কষ্ট মেনেই চলে
দিঘির পারে কলাগাছে জল ছেটাও।

সেদ্ধভাতে তেল ছোঁয়ানো মানা
কষ্ট ভুলেই কাটাতে থাকে দিন

কীর্তনেরা হরির কথা বলে
কান্না ভেজা দোষ পেয়ে যায় আটা।

ক-আঙুলে মিলিয়ে ছিলে বলো?
ভুলে গিয়ে দোষ বলছো সেটা!

আমি তো ভাবি পুকুর পারে এসে!
উল্টো হাতে নামিয়ে রাখি খাবার,
অশৌচ শেষে ভোজের আসর বসে
মানু' ষ হবার আশা কী রাখে আবার?

৭.)
      | গ্রীষ্ম গরম |

জলের তলাই মাছের খেলা কিলবিলিয়ে
আমড়া গাছের পাতা পরেছে জল ছুঁয়ে থাক

চিলেরা কেমন বৃষ্টি আশায় ডাক দিয়ে যাই
পায়রা গুলো গোলির গায়ে ঘর করেছে

ছাদের নীচে গরম সরে জলের ফোটা
গাছের থেকে বাষ্পমোচন ধোঁয়ার মতো
দূরের পাখি ফিরছে দেখো শান্ত হাওয়ায়
চাতক গুলো তাকিয়ে থাকে জলের ফোটায়।

অনেক পরে সাঁঝের তারা,মধ্য আকাশ
জোনাকি পোকা, নিভিয়ে গেলে বিজলিবাতি
আমার থেকে অনেক দূরে ঝি'ঝি পোকা
ছাদের গায়ে বেলি ফুলের গন্ধ একা।

তাল পাতাতে বানিয়ে ছিলাম হাত পাখাটা
এক নিমেষে নামিয়ে দিলাম ছাতুর থালা
সেদ্ধভাতে গল্প গুলো শান্তি খোঁজে
রিলিপ মাখি গুড নাইটে চোখটি বুজে।

৮.)

    | এটাই তো বেঁচে থাকা |

দিন শুরু হয় ক্লান্তিহীনে, সূর্য্য ওঠা
চায়ের কাপে বিষ্কুট আজ ডুবিয়ে নিলাম
বাজার থলি পয়সা হাতে,টমেটো আলু
ভোলার দোকান সিঙারা নিলাম,সঙ্গে গোজা।

বেলার শেষে স্নান করে যেই ভাতের থালা
অন্ন গুলো আহার হলো লক্ষ্মী ভুলে
শীতের দিনে শান্ত মতো ছাদের মেঝে
দূরের দিকে গাছের ওপর ঝুলছে ফিঙে।

বিকেল বেলায় গীটার বাজাই, সি মেজরে
শুকনো নদী আশা খোঁজে, পাগলা পারে।
একটু দেখে সামনে চলি, পরের নদী
নতুন কিছু থাকতে পারে, ভাগ্যে যদি।

সন্ধ্যে হলে তারাই তারাই গল্প করি
কবিতা খাতায় নতুন করে স্বপ্ন আঁকি
জোনাকি গুলো যখন তখন জ্বলছে দেখি
গঙ্গা পারে লম্ফো জ্বেলে ফিরছে তরী।

এখন আবার কবিতা গুলোও পাস ফিরেছে
অশ্বত্থ আর বটের তলাই শান্তি খুঁজি
কেওবা দেখি বিলাসীতাই ফ্যান নিয়েছে
বার কোর্ডে আর হাত পাইনা, চোখটা বুজি।

৯.)
             | ইস্টোজেনের ফোটা |

শরীর ভিজুক প্রেমে, আর রঙ ছুঁয়ে নিক লাল,
জোয়ার যাবে থেমে,চাঁদ ছুঁয়ে থাক গাল!

সেই মাদার গাছের তলা,আর পাইন পাতার ঘ্রাণ,
 যদি মায়াবি হতো গলা,আমি ভিজিয়ে নিতাম প্রাণ!

বরং শান্ত এখন বসে,পা পুকুর জলে ডোবাও,
আর পারলে পরে শেষে ওই চুলের গন্ধ শুকাও

যদি রাত হয়ে যায় মধুর,আর ইস্টোজেনের ফোটার!
তুমি দিব্যি করো বধূর, আমি সাক্ষী থাকি সেটার।

১০.)
        | প্রথম চুমু |

হাঁটতে গেলাম শহর পথে
রেস্টুরেন্টে চিকেন মোমো
ত্রিফলা লাইট জ্বললো রাতে
এমফিল্ডটা ছাড়লো ধুমো।

তোমার সাথেই গল্প গুলো
ভিজিয়ে নিলাম নিকোর ধুমোই
দোকান যখন বন্ধ হলো
শরীর তখন বলছে ঘুমোই।

তবুও তখন মন মানে না
শহর ফাঁকা একলা লাইট
এখানে মোদের কেও চেনে না
প্রথম চুমু দারুণ ব্রাইট।

    

Comments

  1. কবিতা গুলো ছবির মতনই টেনে নিয়ে যাচ্ছিল ! খুব মন খারাপের দুপুরে ফিরে গেলাম৷

    ReplyDelete
  2. কবিতা গুলো ছবির মতনই টেনে নিয়ে যাচ্ছিল ! খুব মন খারাপের দুপুরে ফিরে গেলাম৷

    ReplyDelete
  3. কয়েকটা দুর্দান্ত ভাই। আরো লেখো , যাতে আমি আরো পড়তে পারি☺

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

ছোটোবেলার সেই অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ক্যাসেটের অপেক্ষার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, মজা হচ্ছে...

তখন খুব ছোটো। বড়দার বাড়িতে তখন গুচ্ছের গানের ক্যাসেট। তাতে নচিকেতার গানে ভরা। টেপ রেকর্ডে চালিয়ে শুনতে হত। আমাদের বাড়িতেও ক্যাসেট চলত। টেপের পাশে থাকেথাকে সাজান থাকত ক্যাসেট। পরীক্ষার ছুটিতে বড়মাসির বাড়িতে গেছি বহুবার। রবিবার মাংস ভাত খেয়ে দুপুরে মাটির ঘরটাতে আমাদের ঘুম তাতে চলছে নীলাঞ্জনা, বৃদ্ধাশ্রম আরও কত....। একবার এক লিভাগর্ড বিক্রেতার কাছে অতনু বর্মনের কবিতা (পাবলুর মা ঘুমিং গেলা) গুচ্ছ ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেটে রেকর্ড করে নিয়েছিলাম৷ পরে সিডি এলো, ডিভিডি এলো, তখন রিলের ক্যাসেট বদলে গেল। কিন্তু ক্যাসেট চলতেই থাকল নিজেকে বদলে নিয়ে।  তখন নতুন অ্যালবামের ঝোঁক, ভাঙা ক্যাসেটের রিল জড়িয়ে কত খেলেছি আমি আর অপ(আমার বন্ধু), তখন সংগীত শিল্পীরা টেপের ভেতর, সেইভাবে দেখা বলতে ক্যাসেটের কভারে তাঁদের কারোর কারোর ছবি থাকত। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না। পরে মোবাইল এলো, গানের ঝাঁক এলো, চট করে কপি আর পেস্টের যুগ এলো। ঠিক যেমন ক্যাসেট বদলে গেল, নচিকেতাও বদলে গেল আসতে আসতে।  মোবাইলে তখন আলাদা আলাদা ফোল্ডার, রুপম ইসলাম, চন্দ্রবিন্দু, ক্যাকটাস, শহর, অনুপম রায় ইত্যাদি। তারপর আসতে আসতে অ্যালবাম হল দৃশ্যমান মা...
  ১.) কলেজে পড়তে পড়তে কাউকে ভালোলেগে প্রেমে পড়াটা খুব সহজ দু-চারটে ক্লাস বাঙ্ক করে এদিক সেদিকে করে ঘুরে বেড়ানোটাও সহজ। সবে মাত্র ১৯-২০ বছরের এক কলেজ স্টুডেন্ট তখন বোধহয় জীবন জানলেও জীবনবোধটা জানে না তাই তার কাছে তখন সতেজ স্বপ্নে এক বুক আশা নিয়ে হাসতে হাসতে, পার্কে চুমু খেয়ে কাটানো'টা জাস্ট ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই নয়। কলেজ ফুরিয়ে গেলে, কোনো কোনো প্রেমিকার বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে চাপ দেওয়া হলে প্রেমিকের কাছে তখন সেই ফ্যান্টাসিটা আর থাকে না তাই সেদিন হয় তাকে সুইসাইড করতে হয় নয় বলতে হয় বিয়ে করে নাও।  অথচ ততদিনে তারা একসঙ্গে  ওল্ড মঙ্কের ছিপি খুলে একটা  দ্য স্টারি নাইট দেখে নিয়েছে চকলেটের গন্ধে৷  জীবন আর জীবনবোধ এই দুই-এর মধ্যে বিস্তর ফারাক বন্ধু,  জীবন মানে  zee Bangla নয়! তাই সাহস দেখিয়ে একটা দ্য স্টারি নাইট দেখার আগে, জীবনে সঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।  যাতে করে সারাজীবন নিজেদের স্বপ্ন গুলো হারিয়ে না যায়। 🚲ডট.পেন  ২.) আজ একটা অদ্ভুত এবং আশ্চর্য ছেলের কথা বলব। কেনো অদ্ভুত সেটা একটু পর বুঝতে পারবেন নিজেরাই। আমরা জী...

Santanu Majumder:আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পলিটিক্স , প্রচুর লবি

  শান্তনু মজুমদার এই নামটা অচেনা নয় সেটা এতোদিনে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে বিনোদনের ময়দানে। যে ময়দানে শান্তনু  রাজা। তাই তাঁর কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই বরং তিনি কথা বললেই চেহারা না দেখেও তাঁর কন্ঠেই সবাই তাঁকে জেনে যায়।  ১. শান্তনু মজুমদার এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিস্টদের আরেক নাম। ঠিক বললাম ? উত্তর :- নাহ্, একদমই ভুল। এন্টারটেইনমেন্টে আরও অনেকে জার্নালিস্ট আছেন। আমি কত নম্বর বা নাম এটা ঠিক জানি না তবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজম করে আমি আনন্দ পাই, এটা করতে চাই এবং আরও নতুন নতুনভাবে এন্টারটেইনমেন্ট জার্নালিজমটাকে প্রেজেন্ট করতে চাই দর্শকদের কাছে তবে তাতে আরেক নাম না অপর নাম এগুলোতে আমার কোনো বিশ্বাস নেই।   ২. ইদানিং শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে।  রহস্যটা কী ? উত্তর:- ভাইরাল হওয়ার জন্য কনটেন্ট করি না, হয়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ভাইরাল রিপোর্টার বলে ডাকছে, ভালো লাগছে। তবে সময়টাই এমন যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমার কনটেন্ট গুলো মানুষ পছন্দ করছে। তবে মানুষের কথাগুলোয় ভাইরাল হচ্ছে আমারটা নয়। মানুষ বলছে তাই হচ্ছে।  তবে শান্তনু কথা বললেই ভাইরাল হচ্ছে এমনটা নয়।  ৩.কের...